Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

কার নির্দেশে শপথ নিলেন না ফখরুল?

কার নির্দেশে শপথ নিলেন না ফখরুল?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরনো ছবি
রেজা-উদ্-দৌলাহ প্রধান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রাম্য একটা শ্লোক আছে, ‘সেই তো নথ খসালি, কেন লোক হাসালি’। সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জোটের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে যে নাটকীয়তা, টানা-হেচড়া আর গুঞ্জন হল তাতে সেই শ্লোকটি ঘুরে আসছে রাজনীতির ময়দানে।

দফায় দফায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের  নির্বাচিত সদস্যদের শপথ ও তাদের নিয়ে নাটকীয়তার চূড়ান্ত রূপ দেখা গেল সোমবার (২৯ এপ্রিল)।

শপথ গ্রহণের সময়সীমা শেষের অন্তিম মুহূর্তে বিএনপির চারজন নির্বাচিত যখন সংসদের পথে তখন দলটির পল্টনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নিতে সরকার চাপ দিচ্ছে, জুলুম জবরদস্তি করছে।

কিন্তু মূল চমক দেখা যায় সন্ধ্যায় শপথ নেওয়ার পরই। শপথ নেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশেই শপথ নিয়েছেন। এর কিছুক্ষণ পর গুলশান কার্যালয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই কথা বলেন। তিনি জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তেই বিএনপি থেকে নির্বাচিত চার নেতা শপথ নিয়েছেন।

তিনি তাহলে শপথ নিলেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সময় হলেই তা জানতে পারবেন।’

স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে অন্যরা তারেক রহমানের নির্দেশে শপথ নিতে গেল তাহলে ফখরুল গেলেন না কেনো? তাহলে তিনি কি তারেক রহমানের আদেশ মানতে চাইছেন না! নাকি অন্য কোনো রহস্য রয়েছে। বিএনপি কার নির্দেশে চলে এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা রকম মুখরোচক আলোচনা রয়েছে। সেই আলোচনাকেই আবার উস্কে দিলো বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

আর সেটা বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে পেছনের ঘটনায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জোট থেকে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে জোটের নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বলে জোটের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত টেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত। ওই দিন ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচিত সদস্য সুলতান মনসুর (মৌলভীবাজার-২) জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেন। সুলতানের শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনীতিতে নতুন গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়। সেই গুঞ্জনকে আরো উষ্কে দেন সুলতান মনসুর নিজেই। তাকে বহিস্কার করে গণফোরাম। তিনি বলেন, ‘আমি তো শপথ নিয়েছি। অপেক্ষা করেন আরো আসবে।’

সুলতান মনসুরের সে ভবিষ্যতবাণীকে সত্য করে ২ এপ্রিল শপথ নেন গণফোরামের মোকাব্বির খান (সিলেট-২)। মোকাব্বির খান শপথ নিলে একদিকে গণফোরাম তাকে শোকজ করে, বহিস্কৃত হবেন বলে দলের নেতারা জানায়। অন্যদিকে দলের কাউন্সিলেই আবার তাকে ড. কামালের পাশের মঞ্চে বসতে দেখা যায়।

মোকাব্বির খানের শপথের পরই রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যায়। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ওঠে বিএনপি থেকে নির্বাচিতরাও শপথ নেবেন, বিনিময়ে দুর্নীতির দায়ে কারাবন্দি অসুস্থ চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্ত হবেন। সাংবাদিকরা যতই এই গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করেন; বিএনপি নেতারা বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেন। খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্ত হবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন দলের শীর্ষ নেতারা। সংসদ সদস্য হিসেবেও কেউ শপথ নেবেন না।

কিন্তু বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) শেষ সময়ে আচমকাই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান। বিএনপির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ নেবেন তারা গণদুশমন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য ও দলীয় প্রধানকে কারাগারে রেখে যারা শপথ নিচ্ছে তারা জনগণের থুথুর ঢলে ভেসে যাবে।’

দুই দিন পর ২৭ এপ্রিল রাতে বসে স্থায়ী কমিটির বৈঠক। তাতে স্কাইপির মাধ্যমে লন্ডন থেকে যোগদেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গের দায়ে জাহিদুরকে বহিস্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জাহিদুরের বহিস্কারের ঘটনায় যখন অন্যদের নিরুৎসাহিত হওয়ার কথা। কিন্তু না অন্যরাও শপথের প্রস্তুতি নিয়েই ঢাকায় ঘুরাঘুরি করতে থাকেন। অবশেষে ২৯ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টায় অনেক বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো স্পিকারের কক্ষে শপথ নেওয়ার জন্য হাজির হন হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) ও বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত মোশাররফ হোসেন। তারা শপথ নেওয়া শেষেই ‘বোমা ফাটান’। জানান, তারেক রহমানের নির্দেশ পেয়েই শপথ নিতে এসেছেন।

অথচ দু’দিন আগেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ছিল শপথ না নেওয়ার। কিন্তু দুই দিন পরেই তারেক রহমানের একক নির্দেশে দলীয় সে সিদ্ধান্ত পাল্টে গেল। স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠকও হল না। এমনকি যার খবর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভীও জানেন না।

আরও নানান রকম প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেননা কয়েকদিন ধরেই বিএনপি বলা বলি করছিলো শপথ নিতে সরকারের চাপ রয়েছে। বিশেষ করে জাহিদুর রহমানের শপথের পর তারা আরও গলা ফাটিয়ে বলতে থাকেন। রুহুল কবীর রিজভী ছিলেন কয়েকধাপ এগিয়ে। এখন বলা হচ্ছে তারেক রহমানের নির্দেশেই শপথ। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে এতোদিনের বক্তব্য কি স্ট্যান্ডবাজি, নাকি অন্যকিছু। অন্যকিছু যদি নাই হয় তাহলে তারেক রহমান বলার পরেও কার নির্দেশে এখনো শপথ নিলেন না মির্জা ফখরুল।

তৃণমূলের নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নির্দেশে শপথ নিয়ে থাকলে ভালো। আর যদি না হয় তাহলে খবর আছে।

আরও পড়ুন: শপথ নিলেন ফখরুল বাদে বিএনপির বাকিরা

আরও পড়ুন: সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন বিএনপির ৫ এমপি

আপনার মতামত লিখুন :

মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে সাড়া দেননি জাপার প্রার্থীরা

মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে সাড়া দেননি জাপার প্রার্থীরা
জাতীয় পার্টির পতাকা

এরশাদের মৃত্যূতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে প্রার্থীরা সাড়া দেননি। একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীকে পার্টির বনানী কার্যালয়ে দেখা গেলেও বিকেল পর্যন্ত কেউই দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেননি।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিনে ফরম বিক্রি না হওয়ার বিষয় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ না করলেও রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এস এম ইয়াসির ও রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে। তারা সবাই পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। কিন্তু কেউই মনোনয়ন ফরম নেননি রোববার।

উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত না হলেও শনিবার (২৪ আগস্ট) হঠাৎ করেই, দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির ঘোষণা দেয় জাপা। একইসঙ্গে ৮ সদস্য বিশিষ্ট পার্লামেন্টারি বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। যদিও এ বোর্ডে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও তার অনুসারিদের কারোরই ঠাঁই হয়নি বোর্ডে। এরশাদ জীবিত থাকাকালে যারা বোর্ড সদস্য ছিলেন তাদের অনেকের জায়গা হয়নি বোর্ডে।

ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। ঠিক কয়দিন বিতরণ করা হবে তা চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হয়নি। জাপা মহাসচিব জানিয়েছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গঠিত পার্লামেন্টারি বোর্ড চূড়ান্ত করবে প্রার্থী।

এ আসনে হাফ ডজন প্রার্থী রয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী। এরশাদপুত্র সাদসহ পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

একজন তো মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন। পরিবার থেকে মনোনয়ন দৌড়ে থাকা প্রার্থীরা হলেন এরশাদ পুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ, ভাতিজা (ছোট ভাইয়ের ছেলে) সাবেক এমপি আসিফ শাহরিয়ার, ভাতিজা (মামাতো ভাইয়ের ছেলে) মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ভাগনি (মেরিনা রহমানের মেয়ে) মেহেজেবুন্নেছা রহমান টুম্পা।

পরিবারের বাইরে থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর-উজ-জামান ও রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারী এসএম ইয়াসির।

আসনটিতে মনোনয়ন পেলেই বিজয়ী হবেন এমনটা ধরে নিয়ে লবিং-তদবির বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রার্থীরা। অনেকেই পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।

মনোনয়ন দৌড়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন এরশাদপুত্র সাদ। তার জন্য লবিং করছেন তার মা সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ। বিগত নির্বাচনে কুড়িগ্রাম থেকে ছেলেকে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন রওশন।

‘বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়েনি’

‘বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়েনি’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি কখনও কোনো খুনের দায়ে পড়েনি। কিন্তু আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মীদের খুন করেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত আব্দুস সালাম তালুকদারের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, কয়েকদিন আগে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন যে, বিএনপি একটি খুনির দল। তিনি ভুলে গেছেন যে, তারা ১৯৭২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই খুন শুরু করেছিলেন। সেদিনও তারা রক্ষীবাহিনী তৈরি করে তাদের নেতা-কর্মীরা বিরোধী দল যারা করতেন তাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে খুন করেছে। সেদিন সিরাজ শিকদারকে খুন করা হয়েছিল, এরকম অসংখ্য নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ হত্যা করা হয়েছিল।

বিএনপি কিন্তু খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়ে নাই। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে খুন করেছে, গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, নিপীড়ন করেছে, গণতান্ত্রিক সমস্ত পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে, এখানে গণতান্ত্রিক স্পেস বলতে আর কিছু তারা রাখেনি।

সরকার সবদিকে ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নষ্ট করেছে। ডেঙ্গু কী আকার ধারণ করেছে! হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে।

তিনি বলেন, গত দুই বছর ধরে রোহিঙ্গারা এদেশে এসেছে। তখন খালেদা জিয়া সেই লন্ডন থেকে স্টেটমেন্ট দিয়ে বলেছিলেন, যারা বিতাড়িত হচ্ছে মিয়ানমারে তারা এখানে এসে আশ্রয় নেবে, তাদের আশ্রয় দিতে হবে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা যেন সম্মান নিয়ে, নাগরিকত্ব নিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থাও সরকারকে করতে হবে। এই দুই বছরে সরকার এতই ব্যর্থ হয়েছে যে, দিনক্ষণ ঠিক করেও সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে পারলো না।

সরকার সুপরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু গণতন্ত্র নয়, তারা রাজনীতিকে ধ্বংস করছে। ১/১১ তে যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বিরাজনীতিকরণের সেই ধারাই এখন চলছে। সব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে তাদের একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই দেশে বিচার ব্যবস্থা বলতে কিছু নেই, ন্যায়-নীতি বলতে কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে তারা। সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দিয়ে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার সমস্ত ব্যবস্থা তারা করেছে। এটা অঘোষিত বাকশাল।

স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র