Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লালমনিরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি বহিষ্কার

লালমনিরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি বহিষ্কার
একেএম হুমায়ুন কবীর/ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাট: দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের দায়ে লালমনিরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি একেএম হুমায়ুন কবীরকে (৪০) সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সরিফুল ইসলাম রাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

একেএম হুমায়ুন কবিরের বাড়ি আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের সরলখাঁ গ্রামে। প্রকৌশলীকে মারধরের মামলায় শনিবার (২০ এপ্রিল) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সরিফুল ইসলাম রাজু স্বাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশের চিঠিতে বলা হয়, একেএম হুমায়ুন কবির দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তাই পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সংগঠনের গঠনতন্তের ৩৪(ঞ) ধারা অনুযায়ী দলের সব পদ পদবি থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, দলের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত একটি চিঠি একেএম হুমায়ুন কবিরের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সরলখাঁ উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স অভি এন্টারপ্রাইজের চলমান রাস্তার কাজ পরিদর্শনে যান প্রকৌশলী জাকিরুল। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হুমায়ুন কবির দলবল নিয়ে জাকিরুলকে বলেন যে কাজ নিম্নমানের হচ্ছে। তাদের পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেবেন তারা। এমনকি তিনি জাকিরুলকে অকথ্য ভাষায় গালি দিতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় হুমায়ুন কবির ও তার লোকজন লাঠি দিয়ে প্রকৌশলী জাকিরুলকে মারধর করে আহত করেন। এসময় মেসার্স অভি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান ও তার সহকর্মী আশরাফুল ইসলাম ঠেকাতে গেলে তাদেরও পিটিয়ে আহত করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ওইদিন রাতে একেএম হুমায়ুন কবির ও অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামি করে আদিতমারী থানায় মামলা করেন জাকিরুল।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাসুদ রানা বলেন, লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আরও পড়ুন>>স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার হামলায় প্রকৌশলী হাসপাতালে

লালমনিরহাট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি গ্রেফতার

আপনার মতামত লিখুন :

জিএম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের বৈঠক

জিএম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের বৈঠক
রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের, ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ একান্তে বৈঠক করেছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে গুলাশানস্থ রওশন এরশাদের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরের খাবার খেয়ে তারা দীর্ঘ সময় পার্টির বর্তমান কর্মসূচি এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘বেগম রওশন এরশাদ আমাদের অভিভাবক। তার পরামর্শে জাতীয় পার্টিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। জাতীয় পার্টিতে অনৈক্য ও বিভেদের কোনো স্থান নেই। সবাইকে নিয়েই জাতীয় পার্টি গণমানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এগিয়ে যাবে।’

রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে আর্শিবাদ করেছেন বলেও জানা গেছে।

রওশন এরশাদের বাসভবনে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যরিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয় ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জেষ্ঠ্যপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ।

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছি। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে তবেই আমরা ঘরে ফির‌ব।

শনিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানবন্ধনের আয়োজন করে ‘জিয়া পরিষদ’।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, 'ভাব‌তে কষ্ট হয়, বাংলাদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, যিনি বাংলাদেশের গণমানুষের কাজ করার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, ক্ষমতার বাইরে থেকেও এবং ক্ষমতায় গিয়েও। সেই নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার বন্দী করে রেখেছে একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলায়; তথাকথিত বিচারের নামে ভয়ঙ্কর একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।'

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর জন্য এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার যারা সহ্য করেছেন, তাদের জন্য ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমে গেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বরিশালে সমাবেশ করেছি। শনিবার (২০ জুলাই) সমাবেশ হবে চট্টগ্রামে। ২৫ জুলাই হবে খুলনায়, তারপর সব জেলায়।

বিএনপি নেতা ব‌লেন, শিক্ষকরা পেটের তাগিদে রাস্তায়, সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তা নেই, শ্রমিকের শ্রমের মূল্য নেই, আদালতে গিয়ে বিচারকের সামনে সন্ত্রাসীরা খুন করছে। দেশে স্বাভাবিক কোনো নির্বাচন হয় না। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, পৌরসভা, উপজেলাসহ কোনো নির্বাচনই স্বাভাবিকভাবে হয় না। বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য যে নির্বাচন সেই নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। যদি এই সরকার ক্ষমতায় থেকে যায় তাহলে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছিল, সেসব মিথ্যা হয়ে যাবে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান কবির মুরাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সংগঠনের মহাসচিব ড. মমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আব্দুল্লাহ হিল মাসুদ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, কৃষকদলের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র