Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘খালেদার প্যারোলের সঙ্গে বিএনপির নির্বাচিতদের শপথের সম্পর্ক নেই’

‘খালেদার প্যারোলের সঙ্গে বিএনপির নির্বাচিতদের শপথের সম্পর্ক নেই’
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব-উল আলম হানিফ/ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: খালেদা জিয়ার প্যারোল ও বিএনপির নির্বাচিতদের শপথ নিয়ে সংসদে যাওয়ার মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।  

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, নৈতিকভাবে তাদের উচিত সংসদে যাওয়া। কেননা তারা ভোটারদের প্রতি দায়বদ্ধ। ভোটাররা তাদের নির্বাচিত করেছেন সংসদে গিয়ে তাদের কথা বলার জন্য। কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মুক্তির জন্য তাদের নিশ্চয়ই ভোট দেননি। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির প্যারোলে মুক্তির সঙ্গে সংসদে শপথ নেওয়ার সম্পর্ক নেই। এ দু’টি বিষয় মিলিয়ে ফেলা খুব খারাপ দৃষ্টান্ত। এ ধরনের রাজনীতি কাম্য নয়।

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি জানিয়ে হানিফ বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তার বা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনও কিছু বলা না হলেও আমার সাংবাদিক বন্ধুদেরই এ বিষয়ে বেশি আগ্রহ।

খালেদা জিয়া রাজনৈতিক বিবেচনায় কারাগারে নেই জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে আছেন। তাই তাকে মুক্তি পেতে হলে আইনি প্রক্রিয়াতেই যেতে হবে। অথবা রাষ্ট্রপতির কাছে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পেতে পারেন। অন্যদিকে, জেল কোড অনুসারে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির কোনো নিকটাত্মীয় মারা গেলে অথবা মেডিকেল বোর্ড অসুস্থতা জনিত কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন মনে করলে প্যারোল পেতে পারেন। তাই বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদে গেলে খালেদা জিয়া প্যারোল পাবেন বলে যে কথা চালু রয়েছে তা সঠিক নয়’।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিটি জেলায় কমিটি করবে আওয়ামী লীগ। জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কোনো কাজ, তথ্য, ছবি থাকলে তা সংগ্রহ করা হবে। বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা কোনো চিঠি থাকলে সংগ্রহ করা হবে বলে সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান হানিফ।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে তৃণমূল থেকে শক্তিশালী করে ঢেলে সাজানো হবে। এজন্য সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তাদের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি, আনোয়ার হোসেন, এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওসার প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

জিএম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের বৈঠক

জিএম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের বৈঠক
রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের, ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ একান্তে বৈঠক করেছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে গুলাশানস্থ রওশন এরশাদের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরের খাবার খেয়ে তারা দীর্ঘ সময় পার্টির বর্তমান কর্মসূচি এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘বেগম রওশন এরশাদ আমাদের অভিভাবক। তার পরামর্শে জাতীয় পার্টিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। জাতীয় পার্টিতে অনৈক্য ও বিভেদের কোনো স্থান নেই। সবাইকে নিয়েই জাতীয় পার্টি গণমানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এগিয়ে যাবে।’

রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে আর্শিবাদ করেছেন বলেও জানা গেছে।

রওশন এরশাদের বাসভবনে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যরিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয় ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জেষ্ঠ্যপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ।

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছি। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে তবেই আমরা ঘরে ফির‌ব।

শনিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানবন্ধনের আয়োজন করে ‘জিয়া পরিষদ’।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, 'ভাব‌তে কষ্ট হয়, বাংলাদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, যিনি বাংলাদেশের গণমানুষের কাজ করার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, ক্ষমতার বাইরে থেকেও এবং ক্ষমতায় গিয়েও। সেই নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার বন্দী করে রেখেছে একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলায়; তথাকথিত বিচারের নামে ভয়ঙ্কর একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।'

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর জন্য এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার যারা সহ্য করেছেন, তাদের জন্য ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমে গেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বরিশালে সমাবেশ করেছি। শনিবার (২০ জুলাই) সমাবেশ হবে চট্টগ্রামে। ২৫ জুলাই হবে খুলনায়, তারপর সব জেলায়।

বিএনপি নেতা ব‌লেন, শিক্ষকরা পেটের তাগিদে রাস্তায়, সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তা নেই, শ্রমিকের শ্রমের মূল্য নেই, আদালতে গিয়ে বিচারকের সামনে সন্ত্রাসীরা খুন করছে। দেশে স্বাভাবিক কোনো নির্বাচন হয় না। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, পৌরসভা, উপজেলাসহ কোনো নির্বাচনই স্বাভাবিকভাবে হয় না। বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য যে নির্বাচন সেই নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। যদি এই সরকার ক্ষমতায় থেকে যায় তাহলে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছিল, সেসব মিথ্যা হয়ে যাবে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান কবির মুরাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সংগঠনের মহাসচিব ড. মমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আব্দুল্লাহ হিল মাসুদ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, কৃষকদলের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র