Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা কি পূরণ করবেন শোভন-রাব্বানী?

প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা কি পূরণ করবেন শোভন-রাব্বানী?
ছবি: সংগৃহীত
রেজা-উদ্-দৌলাহ প্রধান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: ‘ভাই, কমিটি কবে দেবে? কমিটি কি আদৌ হবে?’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে কিংবা ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) যেখানেই ছাত্রলীগের নেতারা যান সেখানেই তাদের এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। এমনকি সাংবাদিকদের দেখলেও কমিটির খোঁজ আগে নেন পদপ্রত্যাশী কর্মীরা। অথচ ছাত্রলীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে কোনো 'প্রস্তুতি' বা আন্তরিক 'তৎপরতা' নেই।

ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার প্রক্রিয়াকে বিভিন্ন অজুহাতে বারবার পিছিয়েছেন সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তবে চলতি সপ্তাহে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জোরালো তাগিদের পর কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে কিছুটা সক্রিয় হয়েছেন ছাত্রলীগের এই শীর্ষ দুই নেতা।

তবে দলীয় প্রধানের নির্দেশনা ও প্রত্যাশামতো তারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারবে কি-না, সেটা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেননা গত নয় মাসে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই শীর্ষ নেতার মতবিরোধ চরমে উঠেছে। যার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ হয় ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব পালন নিয়ে।

এবারের তৎপরতাকেই রমজানের আগে কমিটি পূর্ণাঙ্গের শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা। অন্যথায় ছাত্রলীগের নতুন সম্মেলনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্বের হাতে সংগঠন পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইবেন তারা।

ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বর্তমান দুই নেতার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় নয় নেতার সঙ্গে বৈঠকের এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ার পক্ষেও মত দিয়েছেন তিনি। সেখানে উপস্থিত দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি ভেঙে নতুন করে কমিটি গঠন করো। যারা সংগঠনের বদনাম করে, দল ও সরকারের অর্জনকে ম্লান করে, তাদের সংগঠনে দরকার নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে সব তথ্য আছে। হয় কমিটি ভেঙে দাও, অন্যথায় দায়িত্ব নিয়ে সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বৈঠক করে আগামী সাত দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করো।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় যারা জড়িত তারা যেন ছাত্রলীগের কমিটিতে আসতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। যারা সংগঠনের বদনাম করবে, শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যবস্থা আমি নেব।

সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। পরে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে সমন্বয়ের জন্য দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে দায়িত্ব দেন তিনি। সবার সঙ্গে সমন্বয় করে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নির্দেশ দেন।

দলীয় সভাপতির জোরালো নির্দেশনা পেয়ে ইতোমধ্যে সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। বৈঠকে তারা সোহাগ-জাকিরের কাছে কমিটি পূর্ণাঙ্গের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। বর্তমানদের সহযোগিতাও কামনা করেন তারা।

ওই বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বার্তা২৪.কমকে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। তাদেরকে ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গের ঐতিহ্য সম্পর্কে অবহিত করেছি। সেই সঙ্গে কমিটি পূর্ণাঙ্গে বর্তমান কমিটিকে শতভাগ সহযোগিতা আমরা করব বলে জানিয়েছি। নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সহযোগিতা সব সময় অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ছাত্রলীগের কমটি পূর্ণাঙ্গ না হওয়ার পেছনে বর্তমান দুই নেতার উদাসীনতা ও অপ্রস্তুতিকে দায়ী করছেন নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদৌ কমিটি হবে কি-না, সেটা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে বলে জানান তারা।

সূত্র জানিয়েছে, সভাপতি শোভন, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী কেবল নিজেদের অনুসারী লোকদের একটা তালিকা করে নিজেদের কাছে নিয়ে ঘুরছেন। অথচ পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কে কোন পদ পাবে, একাডেমিক সেশন অনুসারে সিনিয়র-জুনিয়রদের অবস্থান কীভাবে হবে, পদপ্রত্যাশীদের যাচাই-বাছাইসহ অনেক কিছুই এখনও বাকি আছে।

আর এসব বিষয় সমন্বয়ের জন্য শোভন-রাব্বানী কয়েকবার বসলেও কমিটি পূর্ণাঙ্গ নিয়ে আলোচনা কখনোই আলোচনা এগোয়নি। প্রধানমন্ত্রীর চাপে কমিটি পূর্ণাঙ্গে একসাথে বসলেও মতৈক্য ছাড়াই শেষ হয়েছে সেসব বৈঠক।

কমিটি গঠনে দুই নেতার দ্বন্দ্বের শুরুটা হয় পদের ভাগাভাগি নিয়ে। পহেলা বৈশাখে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় জড়িতদের কমিটি থেকে বাদ দিতে চান রাব্বানী। কিন্তু তদন্ত ছাড়াই ঢালাও অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে বঞ্চিত করতে নারাজ শোভন। এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী, এমপির চাপ, আঞ্চলিক নেতাদের চাপের কারণে কমিটির কাঠামো তৈরিতেই ব্যর্থ হন তারা।

কমিটি গঠন নিয়ে জানার জন্য বুধবার (১৭ এপ্রিল) শোভন-রাব্বানীকে একাধিকবার ফোন দিলেও তারা সাড়া দেননি। অবশ্য সেদিন শোভন অসুস্থ থাকায় সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন।

তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শোভন-রাব্বানী এবার কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনের পর কমিটি ঘোষণার নিয়ম থাকলেও শীর্ষ পদের নেতৃত্ব বাছাইয়ে সময় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছর ৩১ জুলাই শেখ হাসিনার ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছরের জন্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

আ'লীগ জেলের তালা ভেঙেছে বিএনপিকেও ভাঙতে হবে: দুদু

আ'লীগ জেলের তালা ভেঙেছে বিএনপিকেও ভাঙতে হবে: দুদু
মানববন্ধনে বিএনপির নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, 'খা‌লেদা জিয়া‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌লে জেলের তালা ভাঙতে হবে। আন্দোলন করতে হবে। এটা ছাড়া কোনো পথ নেই। আওয়ামী লীগও জেলের তালা ভেঙেছে বিএনপিকেও ভাঙতে হবে। এটাই রাজনীতি, এটাই এখন আমাদের লক্ষ্য, জেলখানা যারা নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করছেন।'

বুধবার (২১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে 'দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি' শীর্ষক এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনের আয়োজন করে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন নামের একটি সংগঠন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, 'আইন-আদালত করে কোনো লাভ হবে না, যারা সিনিয়র আইনজীবী আছেন তারা স্পষ্ট করে এ কথা বলেছেন। যদি তাকে (খালেদা জিয়াকে) বের করতে হয় তাহলে এই স্লোগান আমাদেরকে দিতে হবে। অতীতে যেমন শেখ মুজিবকে বের করার জন্য স্লোগান দিয়েছে মানুষ। ঠিক তেমনি স্লোগান দিতে হবে, জেলের তালা ভাঙবো বেগম জিয়াকে আনব। পাকিস্তান আমলে স্লোগান ছিল- জেলের তালা ভাঙবো শেখ মুজিবকে আনব। জেলের তালা ভাঙতে হবে।'

তিনি বলেন, 'বিএনপি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করে, বিএনপি হত্যাকাণ্ড, নৈরাজ্য পছন্দ করে না। বিএনপি রাজপথের আন্দোলন, নির্বাচন, গণঅভ্যুত্থানে বিশ্বাস করে। সেজন্য আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। এক কাতারে শামিল হই। দেশ রক্ষা করি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি। আন্দোলনে আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এছাড়া কোনো বিকল্প নেই। খালেদা জিয়া যদি এখন জেলের বাইরে থাকতেন, তাহলে তিনি কৃষকদের পাশে দাঁড়াতেন, শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতেন, ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতেন, ঢাকা শহরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মানুষ যে অসহায় জীবন যাপন করছে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন, কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ধান ক্ষেতে আগুন দিয়েছে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন।'

তি‌নি আরও ব‌লেন, 'ব্যাংক ও শেয়ার মার্কেটে যে টাকা লুট হয়েছে তার বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ করতেন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই করতেন, রাজপথে নেমে আসতেন। কিন্তু তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, যাতে তিনি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারেন, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে না পারেন।'

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ছাত্রদ‌লের সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, কৃষক দ‌লের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, মৎস্যজীবী দ‌লের নেতা ইসমাঈল হো‌সেন সিরাজী, জাগপার সহ সভাপতি, আবু মোজ্জাফর মোহাম্মদ আনাস প্রমুখ।

২১ আগস্ট মামলায় পলাতকদের রায় কার্যকর সম্ভব: আইনমন্ত্রী

২১ আগস্ট মামলায় পলাতকদের রায় কার্যকর সম্ভব: আইনমন্ত্রী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট মামলায় পলাতকদের রায় কার্যকর সম্ভব বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট মামলায় পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের রায় কার্যকর করা আমাদের পক্ষে সম্ভব। আমরা তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে গ্রেনেড হামলা মামলায় পলাতক তারেক রহমানসহ বাকি আসামিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পলাতকদের ফিরিয়ে আনার পথে কিছুটা জটিলতা ছিল আজও আছে, সেটাও সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা আশা করি, এই রায় কার্যকর করার জন্য তাদেরকে ফিরিয়ে আনা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে।

মামলার রায় পরবর্তী কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বিচারিক আদালত যদি কাউকে ফাঁসি দেয় তাহলে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭০ ধারা অনুযায়ী সেই মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যায়। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার রায়ে কিছু সংখ্যক লোকের ফাঁসি হয়েছে, কিছু আসামির যাবজ্জীবন হয়েছে। ফাঁসি হওয়ার কারণে তা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে চলে গেছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, যারা যাবজ্জীবন পেয়েছেন তারাও হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করছেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ম হচ্ছে, ডেথ রেফারেন্স ও যাবজ্জীবন সাজাটাকে একসঙ্গে ট্যাগ করে তারা শুনানি করেন। সেই ক্ষেত্রে কিছু ফরমালিটিজ আছে সেগুলো কম্পিলিট করতে হয়।

'এক্ষেত্রে যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদের পেপারবুক সরকারের তৈরি করে দিতে হয় বিজি প্রেসের মাধ্যমে। এ পেপারবুকের মধ্যে মামলার যাবতীয় কাগজপত্র থাকে। এটা তৈরি করে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত এবং শুনানি হয়।'

তিনি বলেন, আমি এটুকু বলতে পারি এ মামলার পেপারবুক তৈরি হওয়ার জন্য যে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সেটা শুরু হয়ে গেছে। যেমন কাগজপত্র আসার পরে সেটা সটিং হয়, তারপরে এটা বিজি প্রেসে চলে যায়। আমি এটুকু বলতে পারি একাজ শুরু হয়ে গেছে।

আনিসুল হক বলেন, আমরা প্রসিকিউশন থেকে দেখবো এ পেপারবুক তৈরির কাজটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন শেষ হয়। এ মামলার মোট সাক্ষী ২২৫ জন, ফলে পেপারবুক অনেক বড় হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত মামলাটির শুনানি শুরু করব।

রায়ের ১০ মাস পার হলেও হাইকোর্ট বিভাগে শুনানি হচ্ছে না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা বেশি সময় নয় আমরা বলতে পারি আগামী ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে মামলাটির পেপারবুক তৈরি হয়ে যাবে, তখন শুনানি হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র