Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘মানুষ চায়, জাপার নেতৃত্ব এরশাদের পরিবার থেকে আসুক’

‘মানুষ চায়, জাপার নেতৃত্ব এরশাদের পরিবার থেকে আসুক’
বৈঠকে বক্তব্য দেন জিএম কাদের / ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (জাপা) কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, ‘উত্তরাঞ্চলের মানুষ মনে করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব তার পরিবার ও রংপুর থেকেই হতে হবে। দেশের মানুষ ও পার্টির নেতাকর্মীরা এমন নেতৃত্বই আশা করেন।’

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে জাপা’র বনানী কার্যালয়ে অনির্ধারিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘সাধারণ মানুষ মনে করে ঐতিহাসিকভাবেই নেতৃত্বে রক্তের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বংশ পরম্পরায় জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব আশা করেন তারা।’

তিনি বলেন, ‘সবাইকে নিয়েই রাজনীতি করব আমরা। দেশের স্বার্থে রাজনীতির মাঠেই থাকব সারা জীবন। দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যতদিন বেঁচে আছেন তিনিই আমাদের নেতা।’

উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলের মানুষ মনে করে জাতীয় পার্টি তাদের পক্ষের সবচেয়ে সোচ্চার রাজনৈতিক মঞ্চ। আর এরশাদের নেতৃত্বে অবহেলিত উত্তারাঞ্চলে যে উন্নয়ন হয়েছে তা কৃতজ্ঞচিত্তেই মনে রেখেছে ওই এলাকার কোটি মানুষ। তাই উত্তরাঞ্চলের মানুষ চায় জাতীয় পাটির নেতৃত্ব উত্তর বঙ্গ থেকেই আসুক।’

জাপার আগামী দিনের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের স্বার্থেই জাতীয় পার্টি বেঁচে থাকবে। কারণ, জাতীয় পার্টি হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিবাচক রাজনীতির নিয়ামক শক্তি। তাই দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠিত হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকল বিভেদ ভুলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে দেশ ও দলের স্বার্থেই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সারাদেশের সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখায় পার্টির নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, হাসিবুল ইসলাম জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা সোলায়মান সামি প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

অ্যাড. মনিরের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিল বিএনপি

অ্যাড. মনিরের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিল বিএনপি
অ্যাড. মনির হোসেন/ ছবি: সংগৃহীত

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সহ-সভাপতি অ্যাড. মনির হোসেনের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের চিঠির অনুলিপি হাতে পেলেও গত ১১ জুলাই বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাড. রুহুল কবির রিজভী এতে স্বাক্ষর করেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দলের গঠনতন্ত্রের ৫ (গ) ধারা মোতাবেক মনির হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মহাসচিবের নির্দেশক্রমে এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।’

প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির গত ১৩ ও ১৪ মার্চের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী হন অ্যাড. মনির হোসেন। দলের সমর্থিত প্যানেলের বাইরে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত ১২ মার্চ আইনজীবী মনির হোসেনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

গৌরীপুরে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে একাংশের অবস্থান

গৌরীপুরে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে একাংশের অবস্থান
গৌরিপুর ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির অবস্থান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা ও পৌরশাখা ছাত্রলীগের নতুন দুটি কমিটি বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সদ্য সাবেক হওয়া কমিটির নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে পৌর শহরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক বিজয় একাত্তর প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সদ্য সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জিল্লুর রহমান।

এর আগে দুপুরে উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে গৌরীপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়াসিকুল ইসলাম রবিনের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রলীগের একাংশ।

উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, 'গঠনতন্ত্র অমান্য করে বয়স্ক, বিবাহিত, ইউনিয়নের বাসিন্দাকে পৌর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি ও হত্যা মামলার আসামি দিয়ে ছাত্রলীগের উপজেলা ও পৌর শাখার দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছি। অচিরেই কমিটি বাতিল না হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব আমরা।'

উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি আল মুক্তাদির বলেন, 'নতুন কমিটি ঘোষণার পর দলের ৯০ ভাগ নেতাকর্মী আমাদের সাধুবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। অথচ সাবেক কমিটির একটি পক্ষ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে কমিটি নিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চালাচ্ছে।'

প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই গৌরীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আল মুক্তাদির ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইমতিয়াজ সুলতান জনি, পৌরশাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আল হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোফাজ্জল হোসেন মনোনীত করে কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র