Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিএনপি-জামায়াতের প্ররোচনায় জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল: মতিয়া

বিএনপি-জামায়াতের প্ররোচনায় জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল: মতিয়া
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, পুরনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, এদেশে বিএনপি-জামায়াতের প্ররোচনায় জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর হাতে তা দমন করে সফলতার পরিচয় দিয়েছেন।

শনিবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে রিকশা ও ভ্যান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন মতিয়া চৌধুরী। বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। হতদরিদ্র বাংলাদেশ থেকে আজ আমরা উন্নয়নশীল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার জন্যই।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ সমার্থক। তার জন্যই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। বিশ্বের বুকে বঙ্গবন্ধুর নামেই বাংলাদেশ পরিচিত।

অনুষ্ঠানে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সরকার কঠোরভাবে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্বব্যাপী এই বার্তা দিয়েছে যে, এদেশে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/16/1552723891679.jpg

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, নির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী ও সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

আপনার মতামত লিখুন :

রংপুরেই জিএম কাদেরের অগ্নিপরীক্ষা

রংপুরেই জিএম কাদেরের অগ্নিপরীক্ষা
জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের/ছবি: সংগৃহীত

পার্টির দুর্গই প্রথম সংকটে ফেলতে পারে প্রয়াত এরশাদের জাতীয় পার্টিকে। বর্তমান কর্ণধার জিএম কাদেরের জন্য অগ্নিপরীক্ষা মনে করছেন কেউ কেউ।

আর সেই অগ্নিপরীক্ষা হচ্ছে এরশাদের মৃত্যূতে শূন্য হয়ে যাওয়া রংপুর-৩ (সদর) আসনের উপনির্বাচন। এখানে সিদ্ধান্তে কোনো ভুল কিংবা গড়মিল হলে মাশুল দিতে হবে সারাজীবন ধরে। এমনকি দল ভেঙে খণ্ডও হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জাতীয় পার্টি তথা লাঙ্গলের দুর্গখ্যাত এই আসনটি স্বাভাবিক ভাবেই শূন্য ঘোষণা করা হবে অল্পদিনের মধ্যেই। অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। সেই উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টি মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন। একে জিএম কাদেরের প্রথম পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।

জাতীয় পার্টির এ দুর্গে রওশন তার পুত্র রাহগীর আল মাহি সা’দ এরশাদকে মনোনয়ন দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে পারে। অনেকদিন ধরেই ছেলে সা’দকে রাজনীতি আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন রওশন। বিগত সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদর আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে দাবী তুলেছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তা আর হয়ে ওঠেনি। রওশন এরশাদ চান সা’দই হোক জাতীয় পার্টির উত্তরসূরি।

মালয়েশিয়া প্রবাসী সা’দ বিগত নির্বাচনে আগে থেকেই হঠাৎ করে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। আগে দেশে এলে মায়ের বাসায় উঠতেন। হয়তো এক আধবার বাবা এরশাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য প্রেসিডেন্ট পার্কে যেতেন। কিন্তু গত নির্বাচনের পর এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, সক্রিয় হয়ে ওঠেন সা’দ। দিনে-রাতে একাধিকবার তাকে দেখতে (এরশাদের বাসভবন প্রেসিডেন্ট পার্ক) যেতেন। একবার এলে লম্বা সময় ধরে অবস্থান করতেন বাবার পাশে।

এরশাদ যখন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অন্তিম শয্যায় তখনও বেশ সরব দেখা গেছে সা’দকে। মা রওশন এরশাদের সঙ্গে প্রায় হাসপাতালে যেতেন। ছবি তুলে তা মিডিয়ায় পাঠানো হতো। বাবা এরশাদের মরদেহের সঙ্গে রংপুর চলে যান। পরদিন সেখানে কবর জিয়ারত করেন।

রওশন এরশাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছে, রওশন এরশাদ চাচ্ছেন তার ছেলেকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করতে। সা’দকে এমপি করার বিষয়ে নাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কিছুটা আলোচনা এগিয়ে রেখেছেন রওশন।

কিন্তু রওশন এরশাদের এই অভিপ্রায়ে ছাড় দেবেন না কাদের পন্থীরা। রংপুর জাতীয় পার্টির নেতারাও বেকে বসতে পারেন। বিশেষ করে কাদের পন্থী বলে পরিচিত মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির নিজেও প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নামতে পারেন।

অসুস্থ এরশাদ যখন কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন তখন প্রকাশ্য আন্দোলনে নেমেছিলেন ইয়াসির। আগে যে গ্রুপিং কিছুটা গোপন ছিলো ওই আন্দোলনে তা প্রকাশ্য হয়ে পড়ে। রংপুরের নেতাদের কাঁধে সওয়ার হয়ে জাতীয় পার্টির মসনদে ফেরেন জিএম কাদের।

সেই কাদের কি সবাইকে ফেলে রওশন এরশাদের অভিপ্রায়কে মূল্যায়ন করবেন! আবার রওশনকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে একলা চলো নীতি গ্রহণ করলেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে তার জন্য। কারণ অনেক সিনিয়র নেতার রয়েছে রওশনের সঙ্গে সখ্যতা। বিশেষ করে পার্লামেন্টারি পার্টি বিভক্ত হয়ে পড়তে পারেন। এখানে কাদের গ্রুপকে অনেকেই সংখ্যালঘু মনে করেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে যারা রওশনের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমান সংসদেও তাদের সংখ্যাই বেশি। তারা অনেকে মনে করেন রওশন তাদের ত্রাতা। তার কারণেই আজকে সংসদ সদস্যের সিল পড়েছে গায়ে। আর কাদের ছিলেন ওই নির্বাচন বয়কটের গ্রুপে। পার্লামেন্টারি পার্টিতে চিড় ধরলে  জিএম কাদের বেশ বেকায়দায় পড়তে পারেন।

এই সংকটের বাইরে আরেকটি সংকট রয়েছে। তা হচ্ছে সাবেক এমপি আসিফ শাহরিয়ারকে নিয়ে। আসিফ শাহরিয়ার রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসন থেকে একবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর আর তাকে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হয় নি। বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এরশাদকে চ্যালেঞ্জ করে বসেছিলেন। পরে অনেক বুঝিয়ে থাকে ঠান্ডা করা হয়। কিন্তু এবার সেও বেকে বসতে পারেন।

একদিকে যেমন দলের কোন্দল অন্যদিকে রয়েছে আসন হারানোর ঝুঁকি। দলীয় কোন্দল যদি নিরসন করা না যায়, তাহলে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা কঠিন হতে পারে। তেমন পরিস্থিতি হলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে ধরাশায়ী হতে পারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী। সব মিলিয়ে জিএম কাদেরের সামনে চরম সংকট। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সামাল দিতে ব্যর্থ হলে কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে তার জন্য।

খুঁড়িয়ে চলা ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যত কী?

খুঁড়িয়ে চলা ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যত কী?
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন গঠন করেছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শুরুতে জোট গঠন নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ঠিক মতো চলতে না পারা সরকারবিরোধী এই জোটের ভবিষ্যত কী?

একাদশ জতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জোট নেতাদের বড় বড় কথার ঝুলি প্রতিধ্বনিত হয়েই ফিরে এসেছে, কার্যত কিছুই করতে পারেনি ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশ ছিল বেশ আশাজাগানিয়া। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের ফল প্রকাশিত হওয়ার পর জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। এমনকি সরকারের বিরুদ্ধে ‘ভোট ডাকাতি ও কারচুপি’র অভিযোগ আনলেও এর প্রতিবাদে সামান্য আন্দোলনও করেনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনী ট্রাব্যুনালে মামলা করার ঘোষণা দেওয়া হয়, কিছু আসন থেকে মামলাও করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় সংলাপ এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জনমত গঠনে ও দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সফর করবেন বলে ঘোষণা আসে। কিন্তু তাও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে দেখা যায়নি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563379198299.jpgরাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন আছে, তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ড. কামাল হোসেনকে কৌশলে ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মাদ নাসিম তো বলেই দিলেন, ড. কামাল হোসেন সংসদ নির্বাচনে তাদের পক্ষে কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির বন্ধুরা বারবার ভুল করেছে, ২০১৪ সালে একবার গোস্যা করে নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালে নির্বাচনে এলো লোক ভাড়া করে। কাকে ভাড়া করল? আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত, অত্যন্ত শিক্ষিত ও বিদগ্ধ নেতা ড. কামাল হোসেনকে ভাড়া করে সামনে দাঁড় করাল। তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে মাঠ খালি করে দিলেন। আর আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। এই হচ্ছে তাদের (বিএনপির) ভাড়াটের মুরোদ। ওরা কামাল হোসেনকে ভাড়া করল ওদের জন্য, আর কাজ করল আমাদের জন্য।’

তবে নাসিমের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে গণফোরাম।

ভোট প্রত্যাখ্যান করলেও সংসদ সদস্য হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা শপথ নেন। নির্বাচনী ট্রাইবুন্যালে মামলা করার পর তার কোনো খোঁজ নেই। নির্বাচনের পর নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে একটি কর্মসূচি ডেকেও পরে তা বাতিল করা হয়। জনস্বার্থেও নেই কোন কর্মসূচি সরকারবিরোধী এ জোটের।

সম্প্রতি ঐক্যফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। অপর দিকে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঐক্যফ্রন্টের সর্বশেষ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে অংশ নেননি। জোটের প্রতি বিএনপি নেতাদেরও আগ্রহ কমছে।

রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামান টাওয়ারের চতুর্থ তলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে এই ভবনে জোটটির কিছু কার্যক্রম থাকলেও নির্বাচনের পর সংবাদ সম্মেলন, সভা বা কোন অনুষ্ঠানই হয়নি।

এ অবস্থায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ঐক্যফ্রন্টের কোন ভবিষ্যত দেখছেন না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের কোন ভবিষ্যত আমি দেখতে পাচ্ছি না। তারা কিচ্ছু করতে পারবে না, মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, বিএনপিকেও। সংসদে বলা হয়েছে ড. কামাল হোসেন আওয়ামী লীগের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করেছেন। তার কার্যকলাপ দেখে সেটা বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু সেটা বিশ্বাস করতে চাই না। তিনি নির্বাচনের আগে হুঙ্কার দিলেন কিন্তু নির্বাচনের পর বিড়ালের মতো বসে রইলেন। নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট যে ভূমিকা রেখেছে সে জন্য তাদের ওপর জনগণের কোন ভরসা নেই।

দিলারা চৌধুরী আরও বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনটাকে ধ্বংস করে দিল আর তারা (ঐক্যফ্রন্ট) একটা হরতাল ডাকতে পারলো না! তারা দুটি কাজ করতে পারতো, এক. হরতাল ডেকে প্রতিবাদ করা আর দ্বিতীয়টি হলো সংসদে না যাওয়া। এটা বলতে পারি জনগণের বিশ্বাস তাদের ওপর থেকে চলে গেছে।

ঐক্যফ্রন্টের দিকে না তাকিয়ে থেকে বিএনপির যে শক্তি আছে সেটাকেই সংগঠিত করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে তিনি বলেন, প্রথম থেকেই জোট নিয়ে আশাবাদী ছিলাম না, এখনো না। বিএনপি অনেক বড় রাজনৈতিক দল, এরা যদি কাজ করে সেটাই যথেষ্ট। নির্বাচনের আগে এদের সহানুভূতির প্রয়োজন ছিল, এই মুহুর্তে তার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি না। কাদের সিদ্দিকী চলে গেলেন, আ স ম রব চলে যাবেন কিনা জানি না। বিএনপির সেদিকে তাকানোর দরকার আছে বলে মনে করি না। নিজেদের যে শক্তি আছে এটাকেই সংগঠিত করতে পারলে যথেষ্ট।

এদিকে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমরা সবাই দল গোছাচ্ছি, বিএনপির মধ্যেও একটা অস্বস্তি চলছে। ড. কামাল হোসেন চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরলেন, আ স ম রবের অপারেশন করা হয়েছে। সব কিছু গুছিয়ে উঠতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। কাদের সিদ্দিকীর বের হয়ে যাওয়া কোন সমস্যা না। ঐক্যফ্রন্ট জনগণের অন্তরে গেঁথে আছে। আমরা দেশের মানুষকে একটা জায়গায় নিয়ে গেছি, তাদের জন্য যা করা দরকার ছিল তা আমরা করতে পারিনি। কিন্তু সরকারের মুখোশ আমরা উন্মোচন করে দিয়েছি দেশের মানুষের কাছে, বিশ্বের কাছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র