Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে: কাদের

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে: কাদের
অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে আমন্ত্রণ জানাতে চান বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, 'নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন বিষয় নেই। যে নির্বাচন নিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্বে কোন সংশয় নেই। গণতান্ত্রিক বিশ্বের কোন প্রশ্ন নেই সেখানে সংলাপের প্রশ্ন হাস্যকর।'

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয় সমাবেশ উপলক্ষে বর্ধিত সভাটি আয়োজন করা হয়।

কাদের বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে সবকয়টি রাজনৈতিক দলকে গণভবনে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বিএনপি ঐক্যফ্রন্টসহ ৭৫টা দল তখন সংলাপে অংশ নিয়েছিল। তাদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এখানে কোন সংলাপের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে।'

বিজয় সমাবেশের কথা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, 'বিশাল বিজয় বিশাল দায়িত্ব। বিজয়ী দলের অনেক দায়িত্ব। তাই জনদুর্ভোগকে মাথায় রাখতে হবে। মহা বিজয়ে কেউ যেন মহা দাপট দেখাতে না যান। এ মহা বিজয় থেকে জনগণের কাছে আরও বিনয়ী হবেন। তাতে আমাদের ক্ষতি নেই।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547465081000.gif

সমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছুটা জনদুর্ভোগ হবে জানিয়ে আগাম দুঃখ প্রকাশ করেন সেতুমন্ত্রী।

দল সরকার চালাবে,সরকার দল চালাবে না মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের মধ্যে যেন দল হারিয়ে না যায় এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। দলের সত্ত্বা যেন সরকারে বিলীন হয়ে না যায়। কেননা দল সরকারের উপরে।'

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'যতই আমরা ঐক্যবদ্ধ হই আমি জানি ভেতরে কিছু দুর্বলতা আছে। সাংগঠনিক কিছু দুর্বলতা আছে। এ মহানগরীতে আছে। সারা দেশেও আছে। এ বিজয়কে যদি সংহত করতে চাই তাহলে আমাদের দল গোছাতে হবে।'

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির উপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, 'আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ বিজয় যদি আপনারা চান তাহলে আপনাদের দলের ভেতরের সমস্যা আগে ঠিক করতে হবে। এই সমস্যাগুলো অনতিক্রম্য নয়, অতিক্রম্য। আপনারাই সেটা পারেন।'

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মণি, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, সভাপতি নুরুল আমিন রুহুলসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ প্রতিনিধি দলে সিইসি, ব্যাখ্যা চায় বিএনপি

হজ প্রতিনিধি দলে সিইসি, ব্যাখ্যা চায় বিএনপি
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার হজ প্রতিনিধি দলের সদস্য হওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএনপি।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ব্যাখ্যা দাবি করেন।  বৈঠক লন্ডন থেকে স্কাইপে যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, প্রধান নির্বাচন কমিশন সরকারের একটি হজ দলের সদস্য হয়েছেন। যে দলের প্রধান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার একজন সদস্য। এটা পুরো হাস্যকর ব্যাপার। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আমরা অবিলম্বে সরকারের কাছ থেকে একটা ব্যাখ্যা দাবি করছি। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন-সংবিধানকে একেবারেই তোয়াক্কা করে না। সংবিধানের আশে-পাশ দিয়েও যায় না এবং একই সঙ্গে এই রাষ্ট্রকে তারা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করেন।'

তিনি বলেন, 'সংবিধানের বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা কারোই নেই। সেখানে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা কোন আইনে, কোন ক্ষমতা বলে একটা হজ ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধায়ন ও দিক নির্দেশনার প্রদানের জন্যে হজ প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে যাচ্ছেন? চিন্তা করা যায় না তিনি এরকম কমিটিতে তিনি সৌদি আরব যাচ্ছেন। উনি যদি হজ করতে চাইতেন, তাহলে বাদশার বিশেষ মেহমান হয়ে যেতে পারতেন।  এমন আত্মসন্মান বিবর্জিত ব্যক্তিদেরকে নির্বাচন কমিশনের প্রধান করা হয়েছে, আর এরাই দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে তলিয়ে দিচ্ছেন।'

এ সময় বিএনপি মহাসচিব সংবিধানে বর্ণিত ১১৯ অনুচ্ছেদে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব, কর্মকাণ্ড ও হজ কমিটির গঠনের গ্যাজেটের বিষয়টি তুলে ধরেন।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সরকার বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না: ফখরুল

সরকার বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সরকার বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই অবণতির দিকে যাচ্ছে। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে উদাসীন, বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে বিকেলে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই অবণতির দিকে যাচ্ছে এবং একের পর এক জেলা বন্যা কবলিত হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকারের যে উদ্যোগ প্রয়োজন সেটা আমরা লক্ষ্য করছি না। সরকারের চরম উদাসীনতা এই বন্যার ব্যাপারে, তারা বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। সাধারণত এরকম পরিস্থিতিতে যে উদ্যোগ-সহায়তা নেওয়ার কথা সেটা দেখা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ত্রাণমন্ত্রী কোথাও ঘুরে আসেননি। সরকারের পদক্ষেপগুলো মানুষ দেখতে চায়। সরকারের দায়িত্ব বন্যা কবলিত মানুষকে রক্ষা করা, যেটা সরকার করছে না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বন্যার্তদের সহায়তায় ২১ সদস্যের একটি ত্রাণ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান মির্জা ফখরুল। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে বিএনপির ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসীনকে। ত্রাণ কমিটি খুব শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে বরেও জানান ফখরুল।

ডেঙ্গু ভয়াবহ মহামারী আকার ধারণ করেছে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ডেঙ্গুর ভয়ে অফিসে যাচ্ছেন না, মশা কামড়াতে পারে। একবার তার ডেঙ্গু হয়ে গেছে। অথচ একজন মেয়র বলেছেন যে, এখন পর্যন্ত নাকি কিছুই হয় নাই। ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ২১ জন মারা গেছেন, কয়েক হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। সবাই এখন দিনের বেলায় শিশুদের মশারির নিচে রাখছেন। বড়রা মোজা পরে থাকেন-কখন এডিস মশা কামড় দেবে সেই ভয়ে। সিটি করপোরেশনের কোন উদ্যোগ নাই। আমি নিজে উত্তরায় থাকি, এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ দেখতে পাইনি, এটাই বাস্তবতা।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র