Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নির্বাচনের নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার: খসরু

নির্বাচনের নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার: খসরু
নিজ বাস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে আমির খসরু মাহমুদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার নির্বাচনের নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, 'রাষ্ট্র যখন একটি পক্ষ হয়ে যায় তখন ওই রাষ্ট্রীয় পক্ষের সাথে অন্য কোন দল পেরে উঠে না।'

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় নিজ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, 'নির্বাচনটা এমন জায়গা এসে দাঁড়িয়েছে মনে হচ্ছে সরকার বনাম বিরোধী দলের নির্বাচন হচ্ছে।'

আওয়ামী লীগ সরকারি সব সংস্থাকে নির্বাচনে ব্যবহার করছে অভিযোগ করে আমির খসরু বলেন, 'সরকার মনোনয়ন দিয়েছে এতে সরকারি সব প্রার্থীদের জেতানোর জন্য রাষ্ট্রের সংস্থাগুলো ব্যবহার করছে। এ সংস্থাগুলোর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।'

বিএনপির নির্বাচনী এজেন্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছে দাবি করে আমির খসরু বলেন, 'ভোটে যাদেরকে এজেন্ট দেওয়ার জন্য নাম প্রস্তাব করা হচ্ছে তাদেরও গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এখন অন্য সংস্থাগুলোও গ্রেফতার করছে।'

তিনি আরও বলেন, 'সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ভোটে এসেছি। আসার পরে আমরা দেখছি নাগরিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগটি খর্ব করছে সরকার। নাগরিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি সরকার। ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে , হামলা, গ্রেফতার অব্যাহত আছে।'

বিএনপি নেতার বাড়িতে পুলিশের অভিযানের ফলে কয়েক জন নেতার মা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন আমির খসরু।

সাংবাদিক সম্মেলনে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সেনা মোতায়েনের ফলে আগামী কয়েকদিন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান।

আপনার মতামত লিখুন :

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ বলে দাবি করেছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

তিনি বলেছেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি ছিল। এখন দলের মধ্যে সে ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে যেমন বেশি ঐক্যবদ্ধ, তেমনি দলের তৃনমূলও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হানিফ ব‌লেন, ‘ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই বিএনপি জামাত থেকে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তা মোকাবিলা করার শক্তি আমাদের আছে।’

বিএনপির জন্যই দেশে ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কারণ তারা কোনোভাবে একবার ক্ষমতায় গেলে আর ছাড়তে চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে জোর করে ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল। কিন্তু গণ আন্দোলনের মুখে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।

নিজেদের অপকর্মের জন্য বিএনপি থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে উল্লেখ হানিফ ব‌লেন, ‘২০০৪ সালের নির্বাচনে জনগণ আপনাদের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করেছিল। কারণ ক্ষমতায় থেকেও জনগণের কিছু করেন নাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে না হয় অনেক ষড়যন্ত্র করেছেন। বিচার বানচালের চেষ্টা করেছেন।’

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যার বিষয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন, ‘এটা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বিএনপির এ ধরনের মন্তব্য দেওয়ার আগে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখা উচিত। কারণ, গাজীপুরের আদালতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বোমা হামলা করে এজলাসে বিচারক ও আইনজীবীদের হত্যার কথা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। সিলেটে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনার কথাও দেশের মানুষ জানে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সুধাসদন থেকে গ্রেফতার করেছিল। দিবসটিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় সভাপতির কারান্তরীণ দিবস হিসেবে পালন করে।

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদ

রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফনের সম্মতি জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘বৃহত্তর রংপুরবাসীর অভূতপুর্ব আবেগে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী হয়ে রইলাম।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছেন এরশাদের সহধর্মিনী জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদের দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন বলেছেন, ‘তাঁর (এরশাদ) মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহানুভুতি প্রকাশ করেছেন। তার জন্য আমি জানাচ্ছি  আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

‘প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তাঁর প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি।’

মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

সেই সঙ্গে পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা রাখারও আবেদন জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

আরও পড়ুন: রংপুরেই এরশাদের দাফন, সম্মত রওশন

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র