Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির ২০০ নেতাকর্মী আটক

ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির ২০০ নেতাকর্মী আটক
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে ডাকা 'মানববন্ধন' কর্মসূচি থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে ২ শতাধিক নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ করেছে দলটি।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকাসহ সারাদেশে পূর্বঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে দলটি।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করে বিএনপি। একই কর্মসূচি ঢাকা, গাজীপুরসহ  সারাদেশে পালিত হয়।

কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে বলে জানান রিজভী।

আটক প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, এ কর্মসূচি খালেদা জিয়াকে মুক্তির কর্মসূচি, এ কর্মসূচি গণতান্ত্রিক কর্মসূচি। এটা একটা নিরিহ কর্মসূচি। বিনা উস্কানিতে পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করেছে।

তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কর্মসূচির উপর আক্রমণ করা হয়েছে। মানববন্ধন কর্মসূচিকে পণ্ড করতেই নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে।

বিনা উসকানিতে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানান রিজভী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির ফজলুল হক মিলন, সহ দফতর সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।

এদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকের বিষয়ে রমনা থানার এসআই সুমন বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিএনপির মানববন্ধন থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কত জন আটক হয়েছে, এখনও তা সুনির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে না।

মানববন্ধনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই তাদের আটক করা হয়। তারা নাশকতার করার পরিকল্পনা করছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

২১ আগস্টের ঘটনা নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়: মির্জা ফখরুল

২১ আগস্টের ঘটনা নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়: মির্জা ফখরুল
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২১ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের ওপর গ্রেনেড হামলা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে নিন্দনীয় ঘটনা। কিন্তু সরকার প্রধান এনিয়ে যা বলছেন, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। এতে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডন থেকে স্কাইপে যুক্ত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমরা সরকারে থাকা অবস্থায় এফবিআইকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছি। তদন্ত করার জন্য তাদের সহযোগিতা করেছিলাম। মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার আমরাই করেছি।’

এসময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের মিথ্যাচার বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, 'তাদের বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণভাবে মিয়ানমারের কাছে নতি স্বীকার করেছে, তারা (মিয়ানমার) যে ফর্মুলা দিয়েছে সেই ফর্মুলার কাছে তারা নতি স্বীকার করছে। সর্বশেষ, সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছিলো তার সমাধান হয়নি অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব, তাদের নিরাপত্তা, তাদের নিজের সম্পত্তির মালিক হয়ে বাসভূমিতে ফিরে যাওয়া, তাদের সম্পত্তির মালিক হওয়া-এই বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়নি বলেই আস্থার অভাবে রোহিঙ্গারা চলে যায়নি। এসব ক্ষেত্রে কোনো কাজ না করে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মিয়ানমারের যে ফর্মুলা, তাদের যে ইচ্ছা সেটাকে পূরণ করবার জন্য সরকার কাজ করছে।'

রোহিঙ্গা সমস্যা কিভাবে সমাধানে আসতে পারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'এই সমস্যা সমাধানে প্রথম হচ্ছে অলপার্টি ডায়ালগ করা। একটা জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে।'

প্রথমে দরকার ছিল সরকার প্রধানের সেই সমস্ত রাষ্ট্র সফর করা, হেড অব দ্যা স্টেটের সাথে দেখা করা যারা মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। সেটা সরকার করে নাই, এখন পর্যন্ত তারা করে নাই। এই রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো সফর বাংলাদেশের সরকার প্রধান বা কোনো প্রতিনিধিদল করেন নাই।’

বিএনপির এই নেতা জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন যে র‌্যালি হওয়ার কথা ছিল তা পরিবর্তন করে ২ সেপ্টেম্বর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর বিকালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।'

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার এরশাদের আসনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে জাপা

রোববার এরশাদের আসনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে জাপা
ছবি: সংগৃহীত

 

রংপুর-৩ শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জাতীয় পার্টির পার্লামেন্টারি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে থাকছেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি পার্লামেন্টারি বোর্ডে সদস্য সচিব করা হয়েছে মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে।

বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, গোলাম কিবরিয়া টিপু, অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ার ও অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

আগামী রোববার (২৫ আগস্ট) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় থেকে রংপুর- ৩ শূন্য আসনের জন্য ফরম বিতরণ করা হবে।

একাদশ সংসদের রংপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৪ জুলাই তার মৃত্যূতে আসনটি শূন্য হয়ে যায়।

এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ (সদর) আসনে হাফ ডজন প্রার্থী চাইছেন জাতীয় পার্টির মনোনয়ন। এরশাদ পুত্র সাদসহ পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

একজনতো মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন। পরিবার থেকে মনোনয়ন দৌড়ে থাকা প্রার্থীরা হলেন- এরশাদ পুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ, ভাতিজা (ছোট ভাইয়ের ছেলে) সাবেক এমপি আসিফ শাহরিয়ার, ভাতিজা (মামাতো ভাইয়ের ছেলে) মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ভাগনি (মেরিনা রহমানের মেয়ে) মেহেজেবুন্নেছা রহমান টুম্পা।

পরিবারের বাইরে থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এসএম ফখর-উজ-জামান ও রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির।

এদিকে, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা এসএম ইয়াসিরকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়ে আসছে।

জাতীয় পার্টির দুর্গখ্যত এই আসনে মনোনয়ন পেলেই বিজয়ী হবেন এমনটা ধরে নিয়ে লবিং-তদবীর বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রার্থীরা। অনেকেই পার্টির চেয়ারম্যান মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।

মনোনয়ন দৌড়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন এরশাদ পুত্র সাদ। তার জন্য লবিং করছেন তার মা সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ। বিগত নির্বাচনে তাকে কুড়িগ্রাম সদর আসনে প্রার্থী করার চেষ্টা করেছিলেন। রওশন চাইছেন এরশাদের উত্তরাধিকারী হিসেবে ছেলে সাদ রংপুরে প্রার্থী হোক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র