Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

নিরাপদ সড়কের প্রত্যাশায় যা বলছেন তারা

নিরাপদ সড়কের প্রত্যাশায় যা বলছেন তারা
মাহবুবুর রহমান সজীব


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর প্রতিবাদে ৯ দফা দাবিতে সারাদেশে চলছে ছাত্র আন্দোলন। আন্দোলনের চতুর্থ দিনেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে এসেছেন বিভিন্ন মাধ্যমের শিল্পীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও কথা বলছেন অনেকেই।


আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ এবং মেহরিন মাহমুদ; এই তিন তারকা সংগীতশিল্পীও সচেতন এই বিষয়ে।


নিরাপদ সড়কের প্রত্যাশায় পরিবহন সেক্টরের সামগ্রিক অবস্থা এবং চলমান ছাত্র আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে বার্তা২৪-কে নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা জানিয়েছেন তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/03/1533309769514.jpg


আইয়ুব বাচ্চু


আমি নিজেও তো মাঝেমধ্যে রাস্তায় থাকি, এরকমও বলতে শুনছি বাসওয়ালাকে, হেল্পারকে যে ‘বায়ে প্লাস্টিক’। আমার ছোট্ট গাড়িটিও কিন্তু নিজের কষ্টে কেনা গাড়ি। এখন যদি আমি প্লাস্টিক হয়ে যাই তাদের কাছে, এটা চিন্তার ব্যাপার। আমরা কি প্লাস্টিক নাকি? মানুষ না?

এই দুঃসাহসিকতা এই উদ্ধতা বাড়তে বাড়তে এমন এক পর্যায়ে চলে গেছে, মানুষের গায়ে এখন গাড়ি তুলে দেওয়াও কোনো ব্যাপার না। যেহেতু ওদের কোনো শাস্তির বিধান নেই। আমার বিশ্বাস, এখন নিশ্চয়ই উপরের থেকে সুন্দর একটা নিয়ম করা হবে, একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং নিশ্চয়ই এগুলো কমে আসবে।

 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/03/1533309065346.jpg


কুমার বিশ্বজিৎ


দায়িত্ববান লোকজন যদি তাদের দায়িত্ব পালন না করে, সেই খেসারত যদি পুরো দেশবাসি এবং সরকারকে দিতে হয়; এটা তো খুবই দুঃখজনক। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি, নাবালক চালক, লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি; রোডের মধ্যে দৃশ্যমান, এটা তো নতুন কিছু না! একটা বাসের কোনো রং নাই, হেডলাইট নাই; এটা তো হতে পারে না! এটা কেন হবে? এই আন্দোলনটা তো অসম্ভব যৌক্তিক একটা আন্দোলন। আন্দোলনেও যাবে কেন? এটা তো মৌলিক চাহিদা সবার! একজন নাগরিক হিসেবে আমি সুস্থভাবে চলাফেরা করবো, জীবন যাপন করবো, আমার ভবিষ্যত প্রজন্ম নিরাপদে চলবে; সেটার জন্য আমাকে তো কারো কাছে চিৎকার করার দরকার নাই! নৌপরিবহনমন্ত্রী, ওনার তো উচিৎ ছিলো এ্যটলিস্ট প্রত্যেকটা মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়া। উনি যেভাবে তাচ্ছিল্যভাবে নিজেকে শো করেছে, এদেশের একজন মন্ত্রী হিসেবে এটা খুবই দুঃখজনক এবং এজন্য সরকারকে লজ্জায় পড়তে হয়েছে।

 

 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/03/1533309169574.jpg


মেহরিন মাহমুদ


যখনই আমি ঢাকার রাস্তায় নামি, তখন পাশ দিয়ে ভাঙা ভাঙা বাসগুলো যেভাবে যায়; আমার মনে হয় যে ওনারা নরমাল না, নরমাল হলে এভাবে কেউ গাড়ি চালাতে পারে না। আমাদের হাইওয়েগুলোর দুইপাশের চিত্র এতো মনোমুগ্ধকর, অথচ চলতে ভয় লাগে শুধু এই কমিউনিটিটার জন্য। এবং আমার ধারণা যে এনারা সাধারণ মানুষ নন। এনারা কোনো না কোনো ভাবে প্রভাবিত। কোনো একটা নেগেটিভ ইনফ্লুয়েন্সে এনারা চলেন, এটা এক। দুই হলো, আমি শুনেছি যে যতো তাড়াতাড়ি যাত্রী পার করতে পারেন, ততো ওনাদের লাভ। এই ব্যাপারটাও হয়তো ওনাদের মাথায় কাজ করে। কিন্তু ওনারা ভুলে যান যে, ওনাদেরই ভাই হয়তো ওনার গাড়ির সামনে পড়তে পারে; এমনকী নিজের সন্তানও। এটা আমার প্রতিদিনকার একটা বিস্ময় যে, এরা কারা!

আমি চাই যে- ভাল বাস আসুক, পরিচ্ছন্ন বাস আসুক, লক্ষী বাস আসুক, লক্ষী চালক আসুক। যেহেতু আমরাও সবদিক দিয়েই উচ্চমার্গের দিকে এগুচ্ছি, বাসের চেহারা এবং বাসের কর্মকর্তাবৃন্দ-চালকবৃন্দের মধ্যেও পরিবর্তন আসুক। ওনাদের শুভাশিষ আমাদের ভীষণ প্রয়োজন। আমরা কড়জারে ওনাদের কাছে বলছি- আপনারা আমাদের ভাইটি ছিলেন, ভাইটি থাকুন এবং ভাইটি আবারও হয়ে যান যদি কোনো কারণে পথভ্রষ্ট হয়ে থাকেন। কারণ যেভাবে ওনারা গাড়ি চালান, আমাদের মনে হয় না ওনারা আমাদের ভাইটি আছেন।

ওনাদের সামনে একটা ছোট্ট গাড়ি পড়লে, ছোট্ট একটা সিএনজি পড়লে, ছোট্ট একটা মানুষও পড়লে সেটাকে ভ্রুক্ষেপ করেননা। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশেপাশে থাকি। ওইখানে পর্যন্ত ওনাদের যে বেপরোয়া গতি, এটা আমাদের দেশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট না। ওনাদেরকে আমার ভীষণরকমভাবে আবেদন, ওনারা যেন দেশের মহানুভবতা মেন্টেন করে চলেন। এই যে এত কিছু ঘটছে, ওনাদের কোনো বিকার হচ্ছে না। তার মানে ওনারা ভ্রষ্ট। মাইন্ড ইজ নট ওয়ার্কিং ইন দ্য প্রপার ডিরেকশন, মাইন্ড ইজ নট প্রপার্লি ওয়াকিং। একটা সাধারণ মানুষের মাইন্ড ওনাদের না।

আরও পড়ুনঃ

আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন তারা

শুটিং বন্ধ রেখে তারাও আন্দোলনে

ফুলেশ্বরী নাম তার

আপনার মতামত লিখুন :

ছবি মুক্তির আগের দিন কী করেন প্রভাস?

ছবি মুক্তির আগের দিন কী করেন প্রভাস?
প্রভাস

‘বাহুবলী’ ও ‘বাহুবলী টু’ ব্লকবাস্টার ছবি দুটি উপহার দেওয়ার দুই বছর পর রূপালি পর্দায় ফিরছেন প্রভাস। এক সপ্তাহ পরই মুক্তি পাবে দক্ষিণের জনপ্রিয় এই তারকার অভিনীত ‘সাহো’। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে দেখা যাবে শ্রদ্ধা কাপুরকে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566662403590.jpg

‘সাহো’র প্রচারণা নিয়েই এখন ব্যস্ত সময় কাটে প্রভাসের। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে হাজির হতে দেখা যাচ্ছে তাকে। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, নিজের অভিনীত ছবি মুক্তির একদিন আগে তিনি কী করেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566662419793.jpg

প্রভাস জানান, নিজের ছবি মুক্তি আগের দিন শুধু ঘুমিয়ে থাকার চেষ্টা করেন। যদিও বা টেনশন ও অস্থিরতার কারণে ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না। তবুও সে দিনটি তার ঘুমিয়েই কাটে।

৫০০ কোটির ‘রামায়ণ’-এ হৃতিক-দীপিকা!

৫০০ কোটির ‘রামায়ণ’-এ হৃতিক-দীপিকা!
হৃতিক রোশন ও দীপিকা পাড়ুকোন

আপাতত যে যার কাজ নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন হৃতিক রোশন ও দীপিকা পাড়ুকোন। এরইমধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে- নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘রামায়ণ’-এ সীতা চরিত্রে দীপিকা এবং রাম চরিত্রে পাওয়া যাবে হৃতিককে।

‘রামায়ণ’-এ হৃতিক ও দীপিকাকে নেওয়া প্রসঙ্গে সম্প্রতি নীতেশকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা সিরিজটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছি। তবে এতে কে বা কারা অভিনয় করবেন তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আমরা বর্তমানে এর চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছি। বাকি ঘোষণা সময় আসলে দেওয়া হবে।’

গত মাসে ‘রামায়ণ’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন নীতেশ তিওয়ারি। সিরিজটির তিনটি কিস্তি নির্মিত হবে। নীতেশের পাশাপাশি যৌথভাবে সিরিজটি পরিচালনা করবেন রবি উদ্দিওয়ার।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566657903657.jpg

জানা গেছে- ‘রামায়ণ’র নির্মাণের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি। কেননা এই সিরিজটির তিনটি কিস্তিই নির্মিত হবে থ্রিডি ফর্মে। হিন্দি, তামিল ও তেলেগু ভাষায় তৈরি হবে এটি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র