Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অমৃতের স্বাদ পেয়েছি, জীবনে এতো ভাল খাইনি

অমৃতের স্বাদ পেয়েছি, জীবনে এতো ভাল খাইনি
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

জেলখানার ডায়েরি। পাঁচদিনের এ জেলজীবন আসিফ আকবরের বিপ্লবী জীবনে নিশ্চয়ই নতুন সংযোজন। নতুন অভিজ্ঞতা। পথচলার খোরাক।
কারাগারে ঢোকার দিন থেকে মুক্তি পাওয়া- আসিফের লেখায় উঠে আসছে সে অভিজ্ঞতা-অনুভূতির বিস্তারিত। থাকছে দ্বিতীয় পর্ব

 

/uploads/files/O60phrXNmEquqDE8s6O5pR57lielLmfzRm76li3n.jpegদু’টুকরো মুরগীর মাংস আর ভাত দেয়া হলো খাবারে। ভুনা মাংসে ঝোল নেই, আমি আবার শুকনো খাবার খেতে পারি না।

 

শাওনকে ডালের কথা বলবো কীভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।

পরে কাঁচা লবন চেয়ে নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম।

 

প্রতি লোকমা ভাত চিবিয়ে যাচ্ছি অনন্তকাল, গিলতেই পারছি না।

হঠাৎ করে মনে হল পানি তো আছে। লজ্জায় ঠান্ডা পানিও চাইতে পারছিলাম না।

 

পরে পানি দিয়ে গপাগপ খেয়ে ফেললাম। মাংসের প্রতিটি অংশই অনেক এক্সপেন্সিভ মনে হচ্ছিলো।

খাওয়া শেষে সাবান পাইনা হাত ধোবার, সর্বকনিষ্ঠ বন্দী মাহবুব নিয়ে এলো হ্যান্ড-ওয়াস।

 

এদিকে পাঞ্জাবী আর প্যান্টও ধোয়া দরকার, ভাবলাম পানিতে ভিজিয়ে রাখি পরে ধুয়ে নিবো।

ছোট মাহবুব তা হতে দিলো না, সে কাপড়গুলো ধুয়ে ফেললো।

এবার আর শরীর চলে না।

 

খাওয়ার পর অন্তত বিশ মিনিট হাঁটি, সেটা আর সম্ভব হল না, পড়ে গেলাম বিছানায়, শরীর জুড়ে ক্লান্তি আর ক্লান্তি।


বালিশটা প্রথমে বানানো হয়েছিল শিমুল তুলো দিয়েই। মাথা রেখে মনে হলো গ্রানাইট পাথরের সঙ্গে বাড়ি খেয়েছি, পিঠের নীচে বেডশিটটা স্যাঁতস্যাঁতে লাগছিলো। এতোকিছু কে দেখে! চোখজুড়ে ঘুমের সীমাহীন আক্রমণ। কোলবালিশ আর কাঁথা আমার নিত্যসঙ্গী, ভাবার সময় নেই। মশাদের সান্নিধ্যে ভ্যাপসা গরমে ঘুমালাম প্রায় দু’ঘন্টা।


আমার রুটিন এখানে চলবে না, তাই ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করে রাতের খাবার খেয়ে নিলাম ঝটপট, নইলে আবার অভুক্ত থাকতে হবে, তেলাপিয়া মাছের দো পেঁয়াজা খুব টেস্টি ছিলো।

 

অমৃতের স্বাদ পেয়েছি, জীবনে এতো ভাল খাইনি।

 

খাওয়া শেষে রুমের প্যাসেজে হাঁটা শুরু, একজন ডাকলেন, ও গায়ক সাব এইহানে একটু বইয়া একটা বিড়ি খান, আমনে তো মেশিনের লাহান খানা আর আডা শুরু করসেন।

 

বরিশালের মূলাদীর মানুষ তিনি। পাশে গিয়ে বসলাম, আস্তে আস্তে সবাই আসা শুরু করলেন, আমিও ফর্মে ফেরার সিগন্যাল পেলাম।


রাত জাগা আমার অভ্যাস। জেলে বাতি বন্ধ হয় না, একটু কমানো হয়। দুটো শুটিং মিস হল এই কারাবাসে, অনুতপ্ত বোধ করছি। নানান ভাবনা মনে, নানান ফ্ল্যাশব্যাক চোখে। একা একা শুয়ে হাসি আর রণ-রুদ্র’র কথা ভাবি। ওরা মাত্র ক্লাস সিক্সে, হোষ্টেলে ঠিক এমনই পরিস্থিতিতে ছিলো, ওরাও নিশ্চয়ই বাসায় শুয়ে আমার জন্যও ভাবছে। আজ দু’রাত ছেলেদের চুমু দেই না। ওরা জানে ওদের বাবা একা একা ভয় পায়, একা থাকতে পারে না।


ফজরের শেষে ঘুম জড়িয়ে এলো চোখে, ঠিক সকাল সাড়ে সাতটায় ডাক, হাজিরায় যেতে হবে স্বাক্ষর করার জন্য।

 

মেজাজ খিচড়ে গেলো, সামলে নিলাম পরক্ষণেই, এখানে আমি আগন্তুক, নিয়ম মেনে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ…

 

 

প্রথম পর্ব
* আমি কয়েদী নাম্বার ২৫০২৭

আপনার মতামত লিখুন :

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল
মঞ্চে গান গাইছেন নোবেল, ছবি বার্তাটোয়ন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সানগ্লো মিউজিক্যাল ফেস্ট। শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রী হলে এ ফেস্ট অনুষ্ঠি হয়।

যদিও অনুষ্ঠানের প্রধান চমক ‘আশিকি ২’ সিনেমার 'শুন রাহা হ্যায়' খ্যাত শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারি উপস্থিত ছিলেন না মিউজিক্যাল ফেস্টে। তাই সন্ধ্যা ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ৮ টার প‌রে শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গান পরিবেশন করেন রাত্রি চৌধুরী। এরপর সা‌ড়ে ৯টার দিকে মঞ্চে আসেন তাস‌নিম আনিকা। আনিকা বাপ্পা মজুমদা‌রের 'বায়ান্না তাস', আইয়ুব বাচ্চুর 'সেই তু‌মি', রুনা লায়লার 'দমাদম মাস্ত কালান্দার' ছাড়াও নি‌জের গাওয়া নোলক সি‌নেমার 'জলে ভাসা ফুল'সহ বেশ কিছু গান গে‌য়ে শোনান।

এরপর মঞ্চে ওঠেন ভারতীয় সানা খান। কয়েকটি হি‌ন্দি গা‌নের স‌ঙ্গে পারফর্ম ক‌রেন ৫ মিনিটের মতো। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষা। প্রায় ৩০ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন নো‌বেল। মঞ্চে উঠতে বিলম্বের কারণ না জানা গেলেও মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তু‌মি’ গান দি‌য়ে শুরু করেন নোবেল। এরপর 'হাস‌তে দে‌খো গাই‌তে দে‌খো', ‌জেম‌সের 'তারায় তারায়', 'বাবা' গান দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন নোবেল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563569374752.jpg

নোবেলের গান গাওয়া শেষে এটিএন ইভেন্টসের ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান, সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্টের ডিরেক্টর (ইভেন্টস) মির্জা সাজিদ অনুষ্ঠানের প্রধান চমক অঙ্কিত তিওয়ারি অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ার দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।

এ সময় মাসুদার রহমান বলেন, ‘অঙ্কিতের সঙ্গে সব কথা বার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। আমরা তার সম্মানিও পরিশোধ করেছি। হঠাৎ করেই মুড ভালো নেই বলে উনি আমাদের শো ক্যান্সেল করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন উনি ফ্লাইট মিস করেছেন। উনার তিনজন মিউজিসিয়ানও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। কলকাতাতেও উনার কিছু মিউজিসিয়ান অবস্থান করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আমরা চমৎকার একটি আয়োজন উপহার দিতে চেয়েছিলাম। যেহেতু অঙ্গিত আসার কথা বলেও আসেননি। টিকিটে আমাদের অফিসের ফোন নাম্বার দেওয়া আছে। কেউ টিকিটের মূল্য ফেরত চাইলে, আমরা সেটা ফেরত দিব।’

কনসার্টে সিলভারের জন্য ২ হাজার টাকা, গোল্ডের জন্য ৫ হাজার এবং ভিআইপি টিকিটের জন্য ১৫ হাজার টাকা মূল্য রাখা হয়েছিল।

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!
‘মিশন মঙ্গল’ ও ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির পোস্টার

গত বছরের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘রোবট’ ছবির সিক্যুয়েল ‘টু পয়েন্ট জিরো’। ৫শ’ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার ও অ্যামি জ্যাকসন। বক্স অফিসে বাজিমাত মতে ছবিটি সারা বিশ্বব্যাপী আয় করে নেয় ৮শ’ কোটি রুপি।

এখন অক্ষয় কুমারের ব্যস্ত সময় কাটছে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবির কাজ নিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এই অভিনেতার ১৫০তম ছবি। এ কারণে ভীষণ আনন্দিত অক্ষয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। এ কারণে আয়োজন করা হয়েছিল এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। সেখানেই অক্ষয় জানালেন রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

আরও পড়ুন: অক্ষয়ের মুখে নারী বিজ্ঞানীদের জয়গান

এ প্রসঙ্গে অক্ষয়ের ভাষ্য, “ছবিটির শুটিং শুরুর আগে মার্স অরবিটার মিশন (মম) নিয়ে আমাদের কারও তেমন কোন ধারনা ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। নাসা ৬ হাজার কোটি রুপির একটি স্ট্যাটেলাইট মঙ্গলে পাঠিয়েছিল। আর ইসরো সেটি সাড়ে ৪শ’ কোটিতে করে দেখিয়েছে। মজার বিষয় হলো, আমার অভিনীত ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির বাজেট ছিল ৫শ’ কোটি রুপি। তবে এই ছবিটি নির্মাণে তার চাইতেও অনেক কম অর্থ খরচ হয়েছে। তাই আমরা গর্বিত।”

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও নারীদের জয়গান গেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘এই ছবিটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। আর এটি সবসময় তাদের জন্যই থাকবে।’

মজা করে অক্ষয় আরও বলেন, ‘একটি ছবিতে পাঁচ জন নারীর সঙ্গে কাজ অনেক কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটি করে দেখিয়েছি।’

২০১৩ সালে ভারতের ‘মঙ্গলযান’ মিশনের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। এতে অক্ষয় কুমারকে দেখা যাবে ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) সিনিয়র বিজ্ঞানী রাকেশের চরিত্রে। এছাড়া ইসরো’র পাঁচজন নারী বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন, তাপসী পান্নু, সোনাক্ষী সিনহা, কৃতি কুলহারি ও নিত্যিয়া মেনন।

সবশেষ ‘কেসারি’তে দেখা গেছে অক্ষয় কুমারকে। এতে বলিউডের এই অভিনেতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন পরিণীতি চোপড়া। এটিও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র