Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইউটিউবে পাশাপাশি

ইউটিউবে পাশাপাশি
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

বিজয় মামুন ও লুশা মির্জার কণ্ঠে পাশাপাশি গানের মিউজিক ভিডিও এসেছে ইউটিউবে।


গতকাল (জুন ১২, ২০১৮) গানটি প্রকাশ করে ই-নেটওয়ার্ক।

বরাবরই ক্লাসিক গানের শিল্পী লুশা মির্জা। বাপ্পা মজুমদারের সংগীতায়োজনে নিজের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে।

অন্যদিকে, বিজয় মামুন ব্যান্ডসংগীত শিল্পী। নিজের ব্যান্ড বিজয়-এর নামটি তার নামের সাথে এমনভাবে জুড়ে গেছে, যেন বিজয় আর মামুন কোন আলাদা সত্ত্বা নয়।

বিজয় মামুন নিজস্ব ঢঙেই তৈরি করেছেন পাশাপাশি গানটি। লিখেছেন তরুণ গীতিকার আমিনুল ইসলাম।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ই-মিউজিক নির্মাণ করেছে মিউজিক ভিডিও। শুটিং হয়েছে পুবাইলে। পরিচালনায় ইয়ামিন এলান। সম্পাদনায় শুভ্র।

/uploads/files/pviEAPfoSxL178Lzw662M74GOHQ7i28BwUI0pOXI.jpeg

বিজয় মামুন জানালেন,

ভালো গান করেন লুশা মির্জা। ওনার সঙ্গে প্রথম কাজ এটা। করতে পেরে ভালো লাগছে। প্রজেক্টটার জন্য ইয়ামিন এলানকে ধন্যবাদ। ওনার কাজের ভক্ত আমি আগে থেকেই। ইচ্ছে ছিল একসঙ্গে কাজ করার। শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখেই গানটি করেছি। আমিনুল ইসলাম ভালো গান লিখে। আশা করছি গান ও ভিডিওটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

লুশা মির্জা বললেন,

বিজয় মামুন চমৎকার মিউজিশিয়ান এবং খুবই আন্তরিক মানুষ। তার গানে ৯০ দশকের আমেজ থাকে। যেটি আমাকে আকৃষ্ট করেছে। কাজটি করে খুবই আনন্দ পেয়েছি। কৃতজ্ঞতা ইয়ামিন এলানের প্রতি। ধন্যবাদ ই-মিউজিক এর কলাকুশলীদের, যারা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করে এসেছেন।

ইয়ামিন এলান জানালেন,

প্রতিভাবান শিল্পী বিজয় মামুন। তার মধ্যে আমাদের হারিয়ে যাওয়া সেই ব্যান্ডের গানগুলোর রেশ পাওয়া যায়। সে কারণে ই-মিউজিক তার সাথে কাজের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবেশনার দায়িত্ব নেয় ই-নেটওয়ার্ক। 'পলাতক আমি' ও 'কথা ছিল' গানের পরেই আমরা পরিকল্পনা করি শক্তিশালী কিছু একটা করার।
ই-মিউজিকের পাওয়ার হাউজ লুশা মির্জা। যার গলার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। আমরা সিদ্ধান্ত নেই এই দুই শিল্পীকে একসঙ্গে নিয়ে কিছু একটা করার। সেই প্রচেষ্টা থেকেই পাশাপাশি গানটি। খুব অল্প সময়ে করা এই ভিডিওতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি দু’জন শিল্পীকে দর্শক শ্রোতাদের সামনে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপনের। বাকিটুকু দর্শকের হাতেই ছেড়ে দিতে চাই।

গানটি শুনতে-

আপনার মতামত লিখুন :

কড়া নিরাপত্তার মাঝেও নায়িকার ব্যাগ উধাও

কড়া নিরাপত্তার মাঝেও নায়িকার ব্যাগ উধাও
অর্জন ৭১ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা শাহনূর/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) এর এটিএন বাংলা ফ্লোরে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প নিয়ে সিনেমা 'অর্জন ৭১' এর মহরত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বিশেষ ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তাই  মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর থেকেই চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি) এর গেটে কড়া নিরাপত্তা। ভিতরে প্রবেশের জন্য অনুষ্ঠানের দাওয়াত পত্র আর সাংবাদিকদের আইডি কার্ড প্রদর্শন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এত কড়াকড়ির মাঝেও 'অর্জন ৭১' সিনেমার মহরত অনুষ্ঠান থেকে ব্যাগ চুরি গেছে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি চিত্রনায়িকা শাহনূরের।

অনুষ্ঠান শুরুর কিছু সময় পর চিত্রনায়িকা শাহনূর মঞ্চে উঠেন আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করার জন্য। মঞ্চ থেকে নেমেই নিজের ব্যাগ হারানোর কথা উপস্থিত পুলিশদের জানান শাহনূর।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে শাহনূর বলেন, 'আমি আমার সিটে ব্যাগ রেখে মঞ্চে উঠি। নেমে দেখি আমার ব্যাগ নেই। ব্যাগে আমার টাকা, আইফোনসহ প্রয়োজনীয় বেশ কিছু জিনিসপত্র ছিল।'

উপস্থিত পুলিশদের জানানো পরই শাহনূরের ব্যাগ খোঁজার তোড়জোড় শুরু করে পুলিশ। এফডিসি'র গেটে বসানো হয় চেক পোস্ট। এরপর সাংবাদিকসহ সকলের পকেট ও ব্যাগ চেক করা হয়। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহনূরের হারানো ব্যাগ উদ্ধার করতে পারিনি পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প 'অর্জন ৭১'

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প 'অর্জন ৭১'
'অর্জন ৭১' ছবি মহরত অনুষ্ঠান

 

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদান নিয়ে 'অর্জন ৭১' নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন পরিচালক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী, শতাব্দী ওয়াদুদ ও আফফান মিতুল। একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হবে সিনেমাটি। মুক্তিযুদ্ধের সময় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন আবদুল কাদের মিয়া। ১৯৭১ সালে ১ জুন তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার জীবন গল্পের উপর নির্মিত হবে 'অর্জন ৭১'। এতে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের মিয়ার চরিত্রে অভিনয় করবেন শতাব্দী ওয়াদুদ। আর তার স্ত্রী ফিরোজার চরিত্রে দেখা যাবে মৌসুমীকে।

মহরত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম ঠান্ডু। প্রধান অতিথি ছিলেন  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, ছবির পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা।

মহরত অনুষ্ঠানের জানানো হয়েছে, ঈদের পর থেকে সিনেমাটির দৃশ্য ধারণের কাজ শুরু হবে। এফডিসি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে শুটিং হবে সিনেমাটির। নির্মাণের পাশাপাশি ছবির চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন পরিচালক নিজেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র