Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফুটবলার হতে না পেরে নাট্যকার হলেন বৃন্দাবন দাস

ফুটবলার হতে না পেরে নাট্যকার হলেন বৃন্দাবন দাস
নাট্যকার বৃন্দাবন দাস/ ছবি: সংগৃহীত
নজরুল ইসলাম তোফা


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। তবে সফলতার সীমা পরিসীমা নেই। যে যার মতো সফল হয়ে তুষ্ট থাকেন। আবার কেউ সফলতার সীমানা নির্ধারণ করতে পারেন না, অসন্তুষ্টি নিয়ে তারা সারা জীবন পার করেন। প্রকৃত ও যথার্থ পরিশ্রম একটি মানুষের জীবনে ‘সৌভাগ্যের লক্ষ্মী’ ডেকে আনে। বলতে চাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী নাট্যকারের কথা।

ভালো ফুটবল খেলতেন। তার স্বপ্নও ছিল তিনি সেরা ফুটবলার হবেন। কিন্তু দেশসেরা ফুটবলার তিনি হতে পারেননি। হয়তো বা সেই সফলতার জায়গা তার জন্য নয়। তার জায়গা হলো- নাটক লেখা, নাটক করা আবার তা পরিচালনা করা। তিনি হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও পরিচালক পাবনা জেলার কৃতী সন্তান বৃন্দাবন দাস। দেশসেরা ফুটবলার হতে না পারলেও দেশসেরা নাট্যকার হলেন বৃন্দাবন।

তার ইচ্ছা ছিল ফুটবলে জাতীয় দল তথা আবাহনীর হয়ে আকাশি-নীল রঙের জার্সি গায়ে দিয়ে খেলবেন। ১৯৮১ সালে এই স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে বাড়ি থেকে পালিয়ে অচেনা শহর ঢাকায় এলেন। আবাহনী ক্লাবে হাজির হয়ে স্বপ্নের সেই কথাগুলো জানান কিংবদন্তিতূল্য ফুটবলার অমলেশ সেনের কাছে।

কিন্তু মনোবাসনার কথা জানানোর পর সেখান থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন পাবনার চাটমোহরে। অমলেশ সেন তাকে বুঝে উঠতে না পারলেও তিনি ১৯৮৪ সাল হতে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত চাটমোহর সবুজ সংঘের এক অন্যতম সংগঠক ও কৃতী ফুটবল খেলোয়াড় হয়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561049201040.jpg
যমজ দুই সন্তানের সাথে বৃন্দাবন দাস/ ছবি: সংগৃহীত

 

পাবনা জেলা যুব ফুটবল দলসহ পাবনা মোহামেডান ক্লাব ও পাবনা ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে অংশগ্রহণসহ ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লীগের সিটি ক্লাব, আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব ও আদমজি জুট মিলস এর অন্যতম খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছিলেন।

কিন্তু অনুশীলনের সময় আহত হয়ে অনেক দিন মাঠের বাইরে থাকতে হয় বৃন্দাবন দাসকে। বিভিন্ন জেলায় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে বেশ কয়েকটিতে শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮৪-৮৬ সাল পর্যন্ত পর পর তিন বছর চাটমোহর উপজেলার বর্ষসেরা ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে সবুজ-পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

পাবনায় ফুটবল খেলার মাঠের পাশেই ছিল চাটমোহর সাংস্কৃতিক পরিষদ। নাটক করা যায় কিনা! যথারীতি সেখানে তিনি উপস্থিতও হয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালের কথা। সাংস্কৃতিক পরিষদের পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ ফারুককে ঠাট্টা করে বলেছিলেন, ‘নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দিতে হবে।’ এ কথা শুনে গোলাম মোহাম্মদ ফারুক তাকে সালাম সাকলায়েন রচিত 'চোর’ নাটকে ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দেন। সেখান থেকেই তার সৃষ্টিশীলতার শুরু।

এরপর সেখানেই বাংলাদেশ মুক্ত-নাটক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। সেই সুবাদে ‘আরণ্যক নাট্যদল’-এর কর্ণধার- মামুনুর রশীদের সঙ্গে পরিচয় এবং ঢাকার আরণ্যক নাট্যদলের সদস্য পদ লাভ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় মামুনুর রশীদের সহকারী হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561048993690.jpg
স্ত্রী শাহনাজ ফেরদৌস খুশি ও দুই ছেলের সাথে বৃন্দাবন দাস/ ছবি: সংগৃহীত

 

তারপর ১৯৯৪ সালে বৃন্দাবন দাস বেশ কিছুদিন অবশ্য কাজ করেছিলেন ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে জুনিয়র অফিসার পদে। ১৯৯৭ সালে আরণ্যক ছেড়ে তিনি ‘প্রাচ্যনা্ট’ গঠন করেন। তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘কেয়ার বাংলাদেশে’ কাজ করেন ২০০৬ সাল পর্যন্ত।

বৃন্দাবন দাস জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৬৩ সালে ৭ ডিসেম্বর- পাবনা জেলার চাট মোহর উপজেলার সাঁরোড়া গ্রামে। বৃন্দাবন দাসের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চাটমোহরে। ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ার চিন্তা এখনো তিনি নাটকেই যেন ব্যবহার করেন। তিনি পড়াশোনাতেও খুব মনোযোগী ছিলেন। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করার পরে চাটমোহর রাজা চন্দ্রনাথ ও বাবু সম্ভুনাথ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি আর চাটমোহর ডিগ্রি কলেজ অর্থাৎ বর্তমানে চাটমোহর সরকারি কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পাস করেন।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে জগন্নাথ কলেজও পড়াশোনা করেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএসএস (সম্মান) ও এম এস এস ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৪ সালে চাটমোহরের মেয়ে শাহনাজ ফেরদৌস খুশির সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। খুশিও একজন প্রখ্যাত অভিনেত্রী। তাদের 'যমজ পুত্র সন্তান দিব্য জ্যোতি আর সৌম্য জ্যোতি এখন অধ্যয়নরত এব উভয়েই অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত। সুতরাং এখন পুরো পরিবার মিডিয়া জগতের সঙ্গে যুক্ত।

বৃন্দাবন দাসের গুণাবলির মূল উত্তরসূরি তার বাবা স্বর্গীয় দয়াল কৃষ্ণ দাস। তিনি ১৯২৫ সাল হতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একজন প্রখ্যাত কীর্তন শিল্পী; পদাবলী কীর্তন এবং সাহিত্যে যেন 'অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী' ছিলেন। দয়াল কৃষ্ণ দাস প্রায় ৫০ বছর কীর্তন গেয়ে ছিলেন। তার মাতা ময়নারানী, তিনিও সংস্কৃতিমনা ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561049161788.jpg

প্রাচ্যনাটের প্রয়োজনে ছোট একটি মঞ্চ নাটক 'কাঁদতে মানা' লিখেছিলেন বৃন্দাবন। মূলত এ নাটকটি মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে প্রাচ্যনাটের শুভ যাত্রা হয়। এরপর প্রখ্যাত নাট্য-পরিচালক সাইদুল আনাম টুটুলের পরিচালনায় নির্মিত হলো বৃন্দাবন দাসের লেখা প্রথম টেলিভিশন ধারাবাহিক-নাটক ‘বন্ধুবরেষু’। নাটকটি ১৯৯৯ সালে একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত ও দর্শকনন্দিত হয়।

পাবনার আঞ্চলিক ভাষাকে বৃন্দাবন তার নাটকে শক্তিশালী এক বৃহৎ স্থান করে দিয়েছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটক: বন্ধুবরেষু, মানিক চোর, বিয়ের ফুল, ঘরকুটুম, পাত্রী চাই, হাড় কিপটে, গরু চোর, আলতা সুন্দরী, সার্ভিস হোল্ডার, ভালোবাসার তিন কাল, সাকিন সারি সুরি, লেখক শ্রীনারায়ণ চন্দ্রদাস, কতা দিল্যেমতো, মোহর শেখ, ওয়ারেন, টক শো, পত্র মিতালী, ফিরে পাওয়া ঠিকানা, সম্পত্তি, সম্পর্ক, উঁট, ডায়রী, কাসু দালাল ও তিন গেদাসহ প্রায় দুই শতাধিক নাটক রচনা করেছেন। তার লেখা মঞ্চ নাটক : কাঁদতে মানা, দড়ির খেলা, অরণ্য সংবাদ, কন্যা ইত্যাদি।

নাটকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ 'বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি' ও 'বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন' কর্তৃক সেরা নাট্যকারের পুরস্কার পেয়েছেন বৃন্দাবন দাস। তাছাড়া তিনি বিনোদন বিচিত্রা, টেনাশিনাস, ট্যাব, আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড, প্রতিবিম্ব (অস্ট্রেলিয়া) সহ বহু সম্মাননা ও পুরস্কার লাভ করেন।

লেখক: নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও প্রভাষক।

আপনার মতামত লিখুন :

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল
মঞ্চে গান গাইছেন নোবেল, ছবি বার্তাটোয়ন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সানগ্লো মিউজিক্যাল ফেস্ট। শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রী হলে এ ফেস্ট অনুষ্ঠি হয়।

যদিও অনুষ্ঠানের প্রধান চমক ‘আশিকি ২’ সিনেমার 'শুন রাহা হ্যায়' খ্যাত শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারি উপস্থিত ছিলেন না মিউজিক্যাল ফেস্টে। তাই সন্ধ্যা ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ৮ টার প‌রে শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গান পরিবেশন করেন রাত্রি চৌধুরী। এরপর সা‌ড়ে ৯টার দিকে মঞ্চে আসেন তাস‌নিম আনিকা। আনিকা বাপ্পা মজুমদা‌রের 'বায়ান্না তাস', আইয়ুব বাচ্চুর 'সেই তু‌মি', রুনা লায়লার 'দমাদম মাস্ত কালান্দার' ছাড়াও নি‌জের গাওয়া নোলক সি‌নেমার 'জলে ভাসা ফুল'সহ বেশ কিছু গান গে‌য়ে শোনান।

এরপর মঞ্চে ওঠেন ভারতীয় সানা খান। কয়েকটি হি‌ন্দি গা‌নের স‌ঙ্গে পারফর্ম ক‌রেন ৫ মিনিটের মতো। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষা। প্রায় ৩০ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন নো‌বেল। মঞ্চে উঠতে বিলম্বের কারণ না জানা গেলেও মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তু‌মি’ গান দি‌য়ে শুরু করেন নোবেল। এরপর 'হাস‌তে দে‌খো গাই‌তে দে‌খো', ‌জেম‌সের 'তারায় তারায়', 'বাবা' গান দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন নোবেল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563569374752.jpg

নোবেলের গান গাওয়া শেষে এটিএন ইভেন্টসের ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান, সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্টের ডিরেক্টর (ইভেন্টস) মির্জা সাজিদ অনুষ্ঠানের প্রধান চমক অঙ্কিত তিওয়ারি অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ার দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।

এ সময় মাসুদার রহমান বলেন, ‘অঙ্কিতের সঙ্গে সব কথা বার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। আমরা তার সম্মানিও পরিশোধ করেছি। হঠাৎ করেই মুড ভালো নেই বলে উনি আমাদের শো ক্যান্সেল করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন উনি ফ্লাইট মিস করেছেন। উনার তিনজন মিউজিসিয়ানও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। কলকাতাতেও উনার কিছু মিউজিসিয়ান অবস্থান করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আমরা চমৎকার একটি আয়োজন উপহার দিতে চেয়েছিলাম। যেহেতু অঙ্গিত আসার কথা বলেও আসেননি। টিকিটে আমাদের অফিসের ফোন নাম্বার দেওয়া আছে। কেউ টিকিটের মূল্য ফেরত চাইলে, আমরা সেটা ফেরত দিব।’

কনসার্টে সিলভারের জন্য ২ হাজার টাকা, গোল্ডের জন্য ৫ হাজার এবং ভিআইপি টিকিটের জন্য ১৫ হাজার টাকা মূল্য রাখা হয়েছিল।

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!
‘মিশন মঙ্গল’ ও ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির পোস্টার

গত বছরের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘রোবট’ ছবির সিক্যুয়েল ‘টু পয়েন্ট জিরো’। ৫শ’ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার ও অ্যামি জ্যাকসন। বক্স অফিসে বাজিমাত মতে ছবিটি সারা বিশ্বব্যাপী আয় করে নেয় ৮শ’ কোটি রুপি।

এখন অক্ষয় কুমারের ব্যস্ত সময় কাটছে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবির কাজ নিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এই অভিনেতার ১৫০তম ছবি। এ কারণে ভীষণ আনন্দিত অক্ষয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। এ কারণে আয়োজন করা হয়েছিল এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। সেখানেই অক্ষয় জানালেন রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

আরও পড়ুন: অক্ষয়ের মুখে নারী বিজ্ঞানীদের জয়গান

এ প্রসঙ্গে অক্ষয়ের ভাষ্য, “ছবিটির শুটিং শুরুর আগে মার্স অরবিটার মিশন (মম) নিয়ে আমাদের কারও তেমন কোন ধারনা ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। নাসা ৬ হাজার কোটি রুপির একটি স্ট্যাটেলাইট মঙ্গলে পাঠিয়েছিল। আর ইসরো সেটি সাড়ে ৪শ’ কোটিতে করে দেখিয়েছে। মজার বিষয় হলো, আমার অভিনীত ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির বাজেট ছিল ৫শ’ কোটি রুপি। তবে এই ছবিটি নির্মাণে তার চাইতেও অনেক কম অর্থ খরচ হয়েছে। তাই আমরা গর্বিত।”

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও নারীদের জয়গান গেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘এই ছবিটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। আর এটি সবসময় তাদের জন্যই থাকবে।’

মজা করে অক্ষয় আরও বলেন, ‘একটি ছবিতে পাঁচ জন নারীর সঙ্গে কাজ অনেক কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটি করে দেখিয়েছি।’

২০১৩ সালে ভারতের ‘মঙ্গলযান’ মিশনের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। এতে অক্ষয় কুমারকে দেখা যাবে ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) সিনিয়র বিজ্ঞানী রাকেশের চরিত্রে। এছাড়া ইসরো’র পাঁচজন নারী বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন, তাপসী পান্নু, সোনাক্ষী সিনহা, কৃতি কুলহারি ও নিত্যিয়া মেনন।

সবশেষ ‘কেসারি’তে দেখা গেছে অক্ষয় কুমারকে। এতে বলিউডের এই অভিনেতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন পরিণীতি চোপড়া। এটিও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র