Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সত্যজিৎ রায়: কিশোরগঞ্জ থেকে অস্কারে

সত্যজিৎ রায়: কিশোরগঞ্জ থেকে অস্কারে
সত্যজিৎ রায়, ছবি: সংগৃহীত
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাত্র দুই বছর পরেই পালিত হবে তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী। কিশোরগঞ্জের রায় পরিবারের এই রত্নের নাম সারা দুনিয়া জানে। সত্যজিৎ রায়- চলচ্চিত্রের এক বিস্ময়কর প্রতিভা তিনি।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার মসুয়া গ্রামে ছিল রায় পরিবারের বসতি। পুরনো ব্রহ্মপুত্রের তীরে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সর্বদক্ষিণের এই গ্রামটির অপর তীরেই বৃহত্তর ঢাকা জেলা, যা অধুনা নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলাভুক্ত।

ঔপনিবেশিক অবিভক্ত বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারায় রায় পরিবারও নানা উত্থান-পতন, বিকাশ-ক্ষয়ের মধ্য দিয়ে চলেছে। ক্ষুদ্র পরিবার থেকে বংশ বাড়িয়েছে, অপুত্রক হলে সন্তান দত্তক নিয়েছে।

এমনই বহু ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রবহমান রায় পরিবারে যুক্ত হন এক সদস্য, তাকে নতুন নাম দেওয়া হয় উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী। সত্যজিতের পিতামহ তিনি।

উপেন্দ্র কিশোর কিশোরগঞ্জ থেকে কলকাতায় গমন করেন ব্রিটিশ শাসনের আদি যুগে। তখন চলছে হিন্দু ধর্মীয় সংস্কার ও কলকাতা কেন্দ্রিক ইংরেজি শিক্ষা আর সংস্কৃতির বিকাশ, যাতে অগ্রণী ছিলেন রামমোহন রায় প্রবর্তিত ব্রাহ্ম সমাজের সদস্যগণ।

উপেন্দ্র কিশোর আত্মীয়তা করেন কিশোরগঞ্জের আরেক মেধাবী আনন্দমমোহন বসুর সঙ্গে, পরে যিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি। উপেন্দ্র ছাপাখানা, প্রকাশনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। তার পরিবারের অপরাপর সদস্যরাও নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হন। বিশেষত তার পুত্র সুকুমার রায় ছড়া সাহিত্যে নাম করেন, যার পুত্র সত্যজিৎ রায় ১৯২১ সালের ২ মে কলকাতায় জন্ম নেন।

প্রসঙ্গত, শুধু সত্যজিৎ নন, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের মুখোজ্জ্বলকারী তিন প্রতিভার আদি ভিত্তি পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশ, বাকী দুজন হলেন ফরিদপুরের মৃণাল সেন আর ঢাকা-মুন্সীগঞ্জের ঋত্বিক ঘটক।

সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট ও বহুমুখী। ঘটনা ও চিত্রাবলীকে শৈল্পিকভাবে উপস্থাপনে পারঙ্গম। ক্যামেরার কাজ, দৃশ্য বিন্যাস, রূপসজ্জা, সঙ্গীত ইত্যাদির সুসমন্বয়ে তিনি নির্মাণ করেছে অনবদ্য ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/02/1556786244642.jpg
১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে ‘পথের পাঁচালী’

 

সাহিত্যকে সিনেমায় রূপায়িত করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫) ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে। এর মধ্যে অন্যতম ১৯৫৬ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া ‘শ্রেষ্ঠ মানব দলিল’ পুরস্কার। ‘পথের পাঁচালী’, ‘অপরাজিত’ (১৯৫৬) ও ‘অপুর সংসার’ (১৯৫৯), এই তিনটি একত্রে অপু ত্রয়ী নামে পরিচিত এবং এই চলচ্চিত্র সত্যজিতের জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে স্বীকৃত।

চলচ্চিত্র নির্মাণের বাইরে তিনি ছিলেন একাধারে গোয়েন্দা ও কল্পকাহিনী লেখক, প্রকাশক, চিত্রকর, গ্রাফিক্স নকশাবিদ ও চলচ্চিত্র সমালোচক। বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যে তালিকায় ১৯৯২ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কার (অস্কার) অন্যতম। এছাড়াও ৩২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

২৩ এপ্রিল ১৯৯২ সালে তিনি পরলোকগমন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বরুণের বিয়েতে পিছিয়ে যাচ্ছে ‘স্ট্রিট ড্যান্সার থ্রিডি’

বরুণের বিয়েতে পিছিয়ে যাচ্ছে ‘স্ট্রিট ড্যান্সার থ্রিডি’
বরুণ ধাওয়ান ও নাতাশা দালাল

গুঞ্জন সত্যি হলো, অবশেষে আগামী ডিসেম্বরেই দীর্ঘদিনের প্রেমিকা নাতাশা দালালের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান। এ কারণে নিজের পরবর্তী ছবির কাজ থেকে কিছুদিনের বিরতি নিতে চাইছেন বলিউডের এই অভিনেতা।

বর্তমানে ‘স্ট্রিট ড্যান্সার থ্রিডি’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান। তবে জানা গেছে, নির্মাতাদের ছবির শুটিংয়ের দিনক্ষণ বদল করার অনুরোধ করেছেন এই অভিনেতা। এমনকি ছবিটির পরিচালক রেমো ডি’সুজার সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। ডিসেম্বরে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরই নাকি ক্যামেরার সামনে আবার দাঁড়াতে চান চান বরুণ।

জানা গেছে- হিন্দু রীতিতে সম্পন্ন হবে বরুণ-নাতাশার বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা। চলবে টানা তিন দিন। এর মধ্যে থাকবে হলুদ, মেহেদী ও সংগীত অনুষ্ঠান।

চমকপ্রদ তথ্য হলো- প্রিয়াঙ্কা এবং নিক জোনাসের বিয়ের ওয়েডিং প্ল্যানারকেই নাকি বিয়ের আসর সাজানোর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই তারকা দম্পতির মতোই যোধপুরে চারহাত এক হতে পারে বরুণ-নাতাশার। এরইমধ্যে নাকি রাজস্থানের একটি প্যালেসও ঠিক করে ফেলেন বরুণের বাবা-মা।

ভেঙে গেলো টাইগার-দিশার প্রেম

ভেঙে গেলো টাইগার-দিশার প্রেম
দিশা পাতানি ও টাইগার শ্রফ

দীর্ঘদিন ধরেই মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল অভিনেতা টাইগার শ্রফ ও অভিনেত্রী দিশা পাতানির। প্রায় সময় বিভিন্ন জায়গায় হাতে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতেও দেখা গেছে তাদের। এমনকি যখনই সুযোগ পেয়েছেন দু’জনে মিলে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশ।

এই তারকা জুটির দারুণ রসায়ন দেখে সকলেই ধরে নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে হাজার গুঞ্জন ছড়ালেও কখনও এটি নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি টাইগার-দিশাকে। বরং টাইগার-দিশা সবসময়ই বলে এসেছেন তারা দু’জন শুধুমাত্র ভালো বন্ধু।

এতোদিন টাইগার-দিশার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেলেও এখন শোনা যাচ্ছে, এই তারকা জুটি নাকি তাদের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টাইগার-দিশার এক ঘনিষ্ঠসূত্র জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো এই তারকার জুটির প্রেমের সম্পর্ক। অবশেষে তারা সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561410776525.jpgটাইগার-দিশা তাদের বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ওই সূত্র আরও জানান, টাইগার শ্রফ ও দিশা পাতানি কখনও তাদের প্রেমের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেননি। আপনাদের কী মনে হয় তারা তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন? তবে তাদের মধ্যে যাই হয়েছে না কেনো তারা আগের মতোই ভালো বন্ধু হয়ে থাকবেন। শুধু এখন পার্থক্য এইটুকুই থাকবে যে, তাদের মধ্যে আর কোনো প্রেমের সম্পর্ক থাকবে না।

‘বেফিকরে’ শিরোনামের একটি মিউজিক ভিডিওতে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিলো টাইগার শ্রফ ও দিশা পাতানিকে। এরপর তারা জুটি বেঁধে কাজ করেছিলেন ‘বাঘি’ ছবির সিক্যুয়েল ‘বাঘি টু’তে।

সবশেষ সালমান খানের ‘ভারত’-এ দেখা গেছে দিশাকে। অন্যদিকে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য’-এ সবশেষ অভিনয় করেছেন টাইগার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র