Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

নীরব থেকে আলিয়ার প্রতিবাদ

নীরব থেকে আলিয়ার প্রতিবাদ
আলিয়া ভাট
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

ঠাণ্ডা যুদ্ধ চলছে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত ও আলিয়া ভাটের মধ্যে। কিছুদিন আগে এতে শামিল হয়েছেন কঙ্গনার বোন রঙ্গলি চান্দেল ও আলিয়ার মা সোনি রাজদানও।

কিন্তু কোনো ঝামেলায় জড়াতে চান না আলিয়া, তাই বিষয়টি নিয়ে কখনও কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি তাকে।

রোববার (২১ এপ্রিল) ‘ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’-এ হাজির হয়েছিলেন আলিয়া ভাট। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা কঙ্গনার প্রসঙ্গে আলিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- ‘আপনারা ভালো করেই জানেন আমি এসব ঝামেলার মধ্যে একদম পড়তে চাই না। আমি শুধু চাই সুখে থাকতে, কঠোর পরিশ্রম করতে এবং নিজেকে প্রতিদিন একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। লোকে কী বললো না বললো সেদিকে নজর দিতে চাই না। প্রত্যেকের বলার অধিকার আছে। যার যা ইচ্ছে তাই বলুক। আমি শুধু চুপ থেকে সব শুনবো। আর এটি হবে আমার প্রতিবাদ।’

‘মনিকর্নিকা’ ছবির পক্ষে দাঁড়াননি বলে আলিয়া ভাটের ওপর চটেছেন কঙ্গনা রনৌত। অন্যদিকে, কঙ্গনার মনে কোনো কষ্ট দিয়ে থাকলে তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন আলিয়া ভাট। কিন্তু তাতেও মন গলেনি কঙ্গনার। এরপর থেকেই শুরু হয় বলিউডের এই দুই অভিনেত্রীর দ্বৈরথ।

আপনার মতামত লিখুন :

আবারও গানে গানে প্রশ্ন রেখেছেন ‘গাল্লিবয়’ রানা

আবারও গানে গানে প্রশ্ন রেখেছেন ‘গাল্লিবয়’ রানা
ইউটিউবে গাইছেন রানা, ছবি: সংগৃহীত

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম ‘গাল্লিবয়’ নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর থেকে 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল। খবরের শিরোনাম হয়েছে বিবিসি থেকে আল জাজিরার।

‘গাল্লিবয়’, ‘গাল্লিবয় পার্ট-২’র পর আবারও সেই রান গতকাল (২৪ আগস্ট) ‘গাল্লিবয় পার্ট-৩’ শিরোনামের গান গেয়েছেন। যেখানে গানে গানে পথ শিশুদের স্কুল ও বাজেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রানা। গানে সমাধানও দিয়েছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

মাহমুদ হাসান তবীব নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন গানটি। বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566716982720.jpg

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

জয়ার আতিথেয়তায় মুগ্ধ শ্রীজাত

জয়ার আতিথেয়তায় মুগ্ধ শ্রীজাত
জয়া ও শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলায় তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী বাংলাদেশের জয়া আহসান। সম্প্রতি এই অভিনেত্রী ‘ভূতপরী’ সিনেমার কাজে কলকাতায় অবস্থান করেছেন।

আরও পড়ুন: এবার কলকাতার ভৌতিক সিনেমায় জয়া

কলকাতায় নিয়মিত কাজের ফলে জয়া যোধপুর পার্কের পাশেই বাড়ি ভাড়া করে থাকেন। সেখানে আড্ডার আমন্ত্রণ পান জয়ার কলকাতার বন্ধুরা। সম্প্রতি সেই আড্ডার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলা ভাষার আধুনিক যুগের কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ার বাসায় এসে আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন শ্রীজাত। সেই গল্প জানিয়েছেন নিজের ফেসবুকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566714637410.jpg

শ্রীজাত জয়ার সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে লিখেছেন, আমি তাকে চিনি পর্দার মাধ্যমে, সে আমাকে চেনে দু’মলাটের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে। আর সেই চেনাটাই যে সবচাইতে জরুরি চেনা, সে-কথা বুঝতে পারি, যখন আমাদের আলাপ হয় মুখোমুখি। দেখা অবশ্য হয়েছিল প্রথমবার, শহর ম্যানহাটন-এর এক পাঁচতারা হোটেলের ঘরোয়া জমায়েতে, দু’একখানা বাক্য ছাড়া কোনও বিনিময় হয়নি। কিন্তু এটুকু বুঝেছিলাম, জয়া আপাদমস্তক একজন শিল্পী, যে তার শিল্পের কাছে সমর্পিত।

তারপর হয় প্রিমিয়ার, নাহয় হাজার লোকের পার্টির ভিড়ে কুশল বিনিময় চলেছে। নিজের অনুরাগের কথা জানাতে ভুলিনি আমি, সেও, কী ভাগ্যি, আমার লেখার প্রতি তার আস্থা জাহির করেছে প্রতিবার। কিন্তু বেশ অবাক হয়েছি আমি, কেননা কাজের সূত্রে যখনই কলকাতায় এসেছে জয়া, খোঁজ নিয়েছে আমার। ফোনে বার্তা পাঠিয়ে ডাক দিয়েছে খোশগল্পের, প্রতিবারই। অবাক হয়েছি এই কথা ভেবেই যে, আমার রোজকার বন্ধু বৃত্তে যে-মানুষটা যাতায়াত করে না, যার সঙ্গে আমার কোনও কাজের সম্পর্কও নেই, সে নিজে কীভাবে টানা এতদিন ধরে নিখাদ আড্ডার আগ্রহ ধরে রাখছে? মাঝখানে সাক্ষাতের অভাবে ঢাকা’র একুশে বইমেলা থেকে একগুচ্ছ অসামান্য বই কিনে উপহার করে পাঠিয়েও দিয়েছে আমার বাড়ি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566714660965.jpg

জয়ার এমন আচরণে শ্রীজাত আরও লিখেছেন, আজ, এই মাঝবয়সে এসে মনে হয়, বন্ধু হতে গেলে সব সময়ে প্রতিদিনকার ওঠবস দরকার হয় না। দূরের কোনও একটা সুতোয় টান পড়লে যে-সাঁকো আপনি নড়ে ওঠে, তারও নাম বন্ধুত্ব। তাকে এমনি দেখা যায় না। কুয়াশা দিয়ে সে ঢাকা থাকে সারাক্ষণ।

জয়ার সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার প্রসঙ্গে শ্রীজাত জানিয়েছে, ‘অমুক দিন থেকে তমুক দিন এখানে আছি, তারপর আউটডোর। একদিন সময় হবে?’ – আন্তরিক এই আমন্ত্রণ আমার ফোনে এসেছে একাধিক সময়ে, জয়ার তরফেই। মন বারবার সাড়া দিলেও, আড্ডা দেওয়া হয়ে ওঠেনি। সে নিজে দুই বাংলার ব্যস্ততম অভিনয়শিল্পীদের একজন, আমাকেও দিনমজুরি’র ছোটাছুটি নিয়ে থাকতে হয়। তাই আড্ডার আগ্রহ থাকলেও, তারিখ কেবলই পিছিয়ে যাচ্ছিল। শেষমেশ আজ সেটা সম্ভব হল এবং আবারও, জয়ারই তোড়জোড়ে। আমার উল্টোদিকের পাড়া যোধপুর পার্কেই তার কলকাতার আস্তানা, সেখানে সন্ধে থেকে টানা অনেকক্ষণ গল্পে মেতে থাকা গেল অবশেষে। ছবি থেকে উপন্যাস, থিয়েটার থেকে কবিতা, স্বপ্ন থেকে বাস্তব, কথার সুতো বুনতে বুনতে আমরা তৈরি করছিলাম সময়ের শীতলপাটি, যা বিছিয়ে দেবার বড় একটা সুযোগ আজকের এই ব্যস্ত জীবনে বন্ধুদের হয় না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566714691676.jpg

আড্ডার পর অতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে শ্রীজাত লিখেছেন, ফেরার সময়ে যখন টিফিন বক্স হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘মায়ের ঈদের রান্না, তুমি আর দূর্বাদি খেও কিন্তু’ – আমি রূপালি পর্দার এক তারকাকে ছাপিয়ে, অসামান্য গুণী এক শিল্পীকে পেরিয়ে, নিতান্ত ও নিখাদ আটপৌরে একজন বাঙালিকে দেখতে পেলাম এক ঝলক, আয়না-জড়ানো জীবনে যার ছায়া আজও ছেড়ে যায়নি জয়াকে।

কবীর সুমন বহু আগের একখানা গানে লিখেছিলেন, ‘দূরেও রয়েছে বন্ধু মিষ্টি হেসে / হয়তো কোথাও, হয়তো অন্য দেশে’। আছেই তো। থাকেই, চিরকাল। কিন্তু সাঁকোকে ঘিরে যে-কুয়াশা, তার বোধহয় ক্ষমতা আছে, কাঁটাতারকে ঝাপসা করে মিলিয়ে দেবার। তাই না?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র