Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘ফিডব্যাক’ ব্যান্ডের চার দশক

‘ফিডব্যাক’ ব্যান্ডের চার দশক
ব্যান্ড ফিডব্যাক
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড ফিডব্যাক পথচলার ৪০ বছর পেরিয়ে এলো। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ কনসার্ট। আশা করা হচ্ছে, এতে অংশ নেবেন ব্যান্ডের সাবেক সদস্য মাকসুদুল হক।

জানা গেছে, কনসার্ট হবে তিন ভাগে। প্রথম অংশে ব্যান্ডের সঙ্গে শুরুর দিকে যারা ছিলেন তারা সংগীত পরিবেশন করবেন। এরপর মঞ্চে আসবে বর্তমান লাইনআপ। এছাড়া বর্তমান সময়ের কয়েকটি ব্যান্ড ফিডব্যাকের গান পরিবেশন করবে।

ফিডব্যাকের গিটারিস্ট লাবু রহমান বলেন, ‘এতগুলো বছর আমাদের ব্যান্ড শ্রোতাদের কাছে প্রিয়, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। সবার সঙ্গে আমাদের চার দশক পূর্তির আনন্দটা ভাগাভাগি করে নিতে চাই। এজন্য আমরা একটি কনসার্টের আয়োজন করেছি। এই আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে বুধবার (২৪ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নেবেন ফিডব্যাকের সাবেক সদস্য মাকসুদ ও ফোয়াদ নাসের বাবু।

১৯৭৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর লিও ক্লাবের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সংগীত পরিবেশন করে প্রশংসিত হয় ফিডব্যাক। ১৯৮১ সালে ‘এই দিন চিরদিন’ শিরোনামে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো রেকর্ডিং হয় তাদের গান। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাদের।

ফিডব্যাকের প্রকাশিত অ্যালবামগুলো হলো উল্লাস (১৯৮৭), মেলা (১৯৯০), বঙ্গাব্দ (১৯৯৪), দেহঘড়ি (১৯৯৫), বাউলিয়ানা (১৯৯৬), আনন্দ (১৯৯৯), আয় শতাব্দীর ফিডব্যাক (২০০০), ফিডব্যাক ২ (২০০২), শূন্য ২ (২০০৪), নিষিদ্ধ (২০০৩)। ২০১৫ সালে বাজারে আসে তাদের ১১তম অ্যালবাম ‘এখন’।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র