Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভেবেছিলাম পহেলা বৈশাখের র‌্যালি, পরে বুঝেছি নির্বাচনী প্রচারণা: ফেরদৌস

ভেবেছিলাম পহেলা বৈশাখের র‌্যালি, পরে বুঝেছি নির্বাচনী প্রচারণা: ফেরদৌস
ফেরদৌস
বিনোদন ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চিত্রনায়ক ফেরদৌস কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তার পরিবারও পাড়ি দিচ্ছে দুঃসময়। একটি ভুলে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই তারকার নাম ঢুকে গেছে ভারতের কালো তালিকায়। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন তিনি। এর তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিজেপি। কিন্তু কী ঘটেছিলো সেদিন? সেদিনের ঘটনা ও পরের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সংবাদ সংস্থা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফেরদৌস। বার্তা২৪.কম-এর পাঠকদের জন্য ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারটির বাংলা সংস্করণ রইলো এখানে।

রায়গঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারণায় কিভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন?
ফেরদৌস: আমি কখনও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারণার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার চেনা একজন প্রযোজক রায়গঞ্জে থাকেন। তিনি যখনই ঢাকায় আসেন, আমরা সবসময় দেখা-সাক্ষাৎ করি। আমিও পশ্চিমবঙ্গে গেলে তার সঙ্গে দেখা করি। আমাদের সম্পর্ক বন্ধুর মতো। বছর তিনেক আগে তার প্রযোজিত ‘ছেড়ে যাস নে’ ছবিতে অভিনয় করেছিলাম। ছবিটির ডিজিটাল স্বত্ব নিয়ে আলোচনা করতেই এবার গিয়েছিলাম। আমরা একটি নতুন ছবির পরিকল্পনাও করেছি। সেদিন ছিলো ১৪ এপ্রিল। আমার কয়েকজন সহকর্মী এসে বললেন, পহেলা বৈশাখের একটি র‌্যালি হবে যাবে নাকি। অঙ্কুশ আর পায়েল সরকারও থাকবে। আমি বললাম- চলো যাই, মজা হবে। বাংলাদেশে বৈশাখ অনেক বড় পরিসরে উদযাপন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে দিনটিতে কেমন আমেজ থাকে তা জানার আগ্রহ থেকে সেখানে গিয়েছিলাম। এটি পূর্বনির্ধারিত কিংবা কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের প্রদর্শনী ছিল না। আমি সব রাজনৈতিক দল, নেতা ও ভারতের সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

বিষয়টি সম্পর্কে আপনি কখন জানতে পারলেন?
ফেরদৌস: সমাবেশ করে আমার প্রযোজক বন্ধুর বাড়িতে নৈশভোজ করেছি। এরপরই একের পর এক বার্তা পেতে শুরু করি আমি। এরপর বুঝতে পারি কী ঘটেছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555677985068.jpg

আপনি কি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগারওয়ালকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন?
ফেরদৌস: না, আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। এখনকার মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব সক্রিয়, তাই র‌্যালিতে আমার ছবিগুলো মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন কলকাতায় যাই ও সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসি। কারণ কলকাতায় পৌঁছানোর পরই বুঝতে পারি বিষয়টি খুব জটিল আকার ধারণ করেছে।

একজন শিল্পী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত হওয়া ও বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা কতোটা কঠিন ছিল?
ফেরদৌস: ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওপার বাংলায় কাজ করে যাচ্ছি। ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিতে অভিনয়ের পর দুই বাংলায় নিয়মিত কাজ করে আসছি। ওপার বাংলায় আমার অনেক ভালো বন্ধু আছে। বেশকিছু উৎসবেও অংশ নিয়েছি। কিন্তু কখনও নিজেকে বিদেশি হিসেবে বিবেচনা করিনি। ভারত আমার সেকেন্ড হোম। বলার অপেক্ষা রাখে না, যে ভিসায় ভারতে আসি তার কয়েকটি শর্ত আমাকে পালন করতে হবে। আমার বোকামির কারণে এই বিতর্কের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। একজন বাংলাদেশি হিসেবে সব ভিসার শর্ত আমার জানা থাকতে হবে।

বাড়ি ফেরার পরের অনুভূতি কী?
ফেরদৌস: আগেই উল্লেখ করেছি, দর্শক ও ভক্তদের প্রতি আমার ভালোবাসা অবিরাম। তাদের জন্য এই আবেগ ধরে রাখতে চাই। বুঝতে পেরেছি, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারণায় অংশ নেওয়া আমার অনেক বড় একটি ভুল ছিলো। বাংলাদেশি হয়ে আরেক জাতির নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের মনে আঘাত লেগেছে। এটি আমার ভুল ছিলো। আমি এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তা চাই না। ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হয়েছি, এটি আমার কাজের শাস্তি হিসেবে দেখছি। আমি মনে করি, সময়ের সঙ্গে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555678002584.jpg

কলকাতায় আপনার অসমাপ্ত কাজগুলোর কী হবে?
ফেরদৌস: সন্তানদের সময় দিতে কয়েক বছর ধরে ওপার বাংলার চলচ্চিত্রে কাজ কম করছি। ‘সাধের জোনাকি’ ও ‘তুই যদি আমার হতিস’ মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এছাড়া ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বিপরীতে ‘দত্ত’র শুটিং করছি। আমার কারণে একজন প্রযোজক কোনও পরিস্থিতিতে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন তা নিশ্চয়ই আমি চাই না। এরই মধ্যে ক্ষমা চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছি গণমাধ্যমে। চলচ্চিত্রে এতোটা বছর নিজেকে নিবেদিত রেখেছি, আশা করছি সবাই বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন।

টলিউড থেকে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন?
ফেরদৌস: গত কয়েকদিন ধরে খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। আমার বন্ধু ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও রচনা ব্যানার্জি এই ঘটনায় হতাশ হয়েছে জানি। র‌্যালির একদিন আগেও ঋতুর সঙ্গে ‘দত্ত’র শুটিং করেছি। এমনকি র‌্যালিতে আমার সঙ্গে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তারাও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তবে তারা সবসময় আমার সঙ্গে ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে তো অনেক ফোন কল পেয়েছেন?
ফেরদৌস: হ্যাঁ। আমার পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অনেকেই আমাকে ফোন করেছেন। এতোটা সময় ধরে কাজ করছি, কখনও কোনো বিতর্কে জড়াইনি। ওপার বাংলায় গিয়ে শুটিং করেছি, ছবি দেখেছি, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে আবারও ফিরে এসেছি। আমার যারা চেনেন তারা জানেন, কখনও কাউকে কষ্ট দিয়ে কিছু করিনি। আমার মা, ভাই-বোন, স্ত্রী ও সন্তানেরা এখন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, সময়ের সঙ্গে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমার এমন কর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আশা করছি, সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555678023497.jpg

আপনার মতামত লিখুন :

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!
‘মিশন মঙ্গল’ ও ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির পোস্টার

গত বছরের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘রোবট’ ছবির সিক্যুয়েল ‘টু পয়েন্ট জিরো’। ৫শ’ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার ও অ্যামি জ্যাকসন। বক্স অফিসে বাজিমাত মতে ছবিটি সারা বিশ্বব্যাপী আয় করে নেয় ৮শ’ কোটি রুপি।

এখন অক্ষয় কুমারের ব্যস্ত সময় কাটছে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবির কাজ নিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এই অভিনেতার ১৫০তম ছবি। এ কারণে ভীষণ আনন্দিত অক্ষয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। এ কারণে আয়োজন করা হয়েছিল এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। সেখানেই অক্ষয় জানালেন রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

আরও পড়ুন: অক্ষয়ের মুখে নারী বিজ্ঞানীদের জয়গান

এ প্রসঙ্গে অক্ষয়ের ভাষ্য, “ছবিটির শুটিং শুরুর আগে মার্স অরবিটার মিশন (মম) নিয়ে আমাদের কারও তেমন কোন ধারনা ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। নাসা ৬ হাজার কোটি রুপির একটি স্ট্যাটেলাইট মঙ্গলে পাঠিয়েছিল। আর ইসরো সেটি সাড়ে ৪শ’ কোটিতে করে দেখিয়েছে। মজার বিষয় হলো, আমার অভিনীত ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির বাজেট ছিল ৫শ’ কোটি রুপি। তবে এই ছবিটি নির্মাণে তার চাইতেও অনেক কম অর্থ খরচ হয়েছে। তাই আমরা গর্বিত।”

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও নারীদের জয়গান গেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘এই ছবিটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। আর এটি সবসময় তাদের জন্যই থাকবে।’

মজা করে অক্ষয় আরও বলেন, ‘একটি ছবিতে পাঁচ জন নারীর সঙ্গে কাজ অনেক কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটি করে দেখিয়েছি।’

২০১৩ সালে ভারতের ‘মঙ্গলযান’ মিশনের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। এতে অক্ষয় কুমারকে দেখা যাবে ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) সিনিয়র বিজ্ঞানী রাকেশের চরিত্রে। এছাড়া ইসরো’র পাঁচজন নারী বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন, তাপসী পান্নু, সোনাক্ষী সিনহা, কৃতি কুলহারি ও নিত্যিয়া মেনন।

সবশেষ ‘কেসারি’তে দেখা গেছে অক্ষয় কুমারকে। এতে বলিউডের এই অভিনেতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন পরিণীতি চোপড়া। এটিও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

নাক সার্জারির কারণে প্রথম ছবি হারাতে বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা!

নাক সার্জারির কারণে প্রথম ছবি হারাতে বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা!
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ৩৭তম জন্মদিনের কেক কেটেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বলিউডের এই অভিনেত্রীর ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ছবিতে খুব একটা পরিবর্তন না আসলেও তার স্টাইলে এসেছে তুমুল পরিবর্তন।

২০ বছর বয়সে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জয় করে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু করেন পিসি। কিন্তু বলিউডে তার পথ চলাটা মোটেও মসৃন ছিল না।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544883536.jpgখুব বেশি সুন্দর না হওয়ায় ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে কতোটা সংঘর্ষ করতে হয়েছিল ২০১৮ সালে তা প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী ‘প্রিয়াঙ্কা চোপড়া: অ্যা ডার্ক হর্স’-এ তুলে ধরেছিলেন লেখক ভারতি এস প্রধান।

সেই আত্মজীবনীতে এটিও লেখা হয়েছিল যে, সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নাকে সার্জারি করিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। যার ফলে তিনি হারাতে বসেছিলেন তার প্রথম ছবির কাজ!
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544901602.jpgপ্রযোজক বিজয় গলানি একটি ছবির জন্য ববি দেওল ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে কাজ করবেন বলেছিলেন। যার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মহেশ মাঞ্জরেকর।

এ বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে গলানি জানিয়েছিলেন, “মহরতের শটের আয়োজন চলছিল। সব মিডিয়া হাউজ থেকে প্রতিনিধিরা এসেছেন। হঠাৎ প্রিয়াঙ্কার সেক্রেটারি প্রকাশ জুজু আমাকে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে গিয়ে দেখা করতে বলেন। পরে তার ঘরে গিয়ে দেখি তিনি মেকআপ করছেন। আর তখনই লক্ষ্য করলাম তার নাকের ব্রিজটা নেমে গেছে। পরে জানতে পারলাম তিনি লন্ডন গিয়ে নাকে সার্জারি করিয়েছেন। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না সেসময়। ফিল্ম সিটিতে ছবির কিছু অংশের শুটিংও হয়েছিল। বাকি শুটিংয়ের জন্য লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বলুন তো, নায়িকার নাকের এমন অবস্থা হলে শুটিং করব কী করে আমরা!” এরপরই ছবিটি বাতিল করে দেওয়া হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544917186.jpgগলানির ছবির কাজ হাতে থাকাকালীন অনিল শর্মার ‘হিরো: দ্য লাভ স্টোরি অব অ্যা স্পাই’-এর জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কিন্তু তার এই অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অনিলও।

এ প্রসঙ্গে অনিল এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ছবিটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর চার মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গিয়েছিলাম আমি। ফিরে এসে যখন ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ শুরু করি তখন জানতে পারি প্রিয়াঙ্কা তার ঠোঁটে ও নাকে সার্জারি করিয়েছেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544937450.jpgযোগ করে অনিল আরও বলেন, দেশে ফেরার পর শুরুতে প্রবীন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাই। আর তিনি জানান প্রিয়াঙ্কাকে তিন/চারটি ছবি থেকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বাস করছিলাম না কথাগুলো। এরপর আমি প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেই। আর তাকে দেখে তো রীতিমতো হতভম্ব হয়ে যাই।

তাকে দেখার পর একটি প্রশ্ন আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল যে, এমনটি করার প্রয়োজন কী ছিল? এসময় প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে তার মা মধু চোপড়াও ছিলেন। দু’জনই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন সেসময়। এছাড়া তিন/চারটি ছবি থেকে বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণে তারা বারেলিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং আমার চেকটিও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544953454.jpgতাদের এমন সততায় মুগ্ধ হই। এরপরই একজন বর্ষীয়ান মেকআপ আর্টিস্টকে ডেকে ওর চুল ছোট করে একটা নতুন লুক দেই। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কবির বেদীর সঙ্গে যখন প্রিয়াঙ্কার একটি শট নিয়েছিলাম দেখলাম তিনি অসাধারণ পারফরমেন্স করেছেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে যে প্রিয়াঙ্কাকে এতো সংঘর্ষ করতে হয়েছে। আজ তিনি শুধু বলিউড নয়, হলিউডেরও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। নিজেকে শুধু অভিনয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি পিসি। গায়িকা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। পাশপাশি লেখালেখি ও প্রযোজনার কাজটিও দারুণভাবে করে যাচ্ছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র