Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পরলোকে কমেডিয়ান চিন্ময় রায়

পরলোকে কমেডিয়ান চিন্ময় রায়
কমেডিয়ান চিন্ময় রায়/ ছবি: সংগৃহীত
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

তার জন্ম বাংলাদেশের কুমিল্লায় ১৯৪০ সালের ১৬ জানুয়ারি। শৈশবেই পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান। জীবন সংগ্রামের পথে বেছে নেন অভিনয়। প্রমিত ও পূর্ববঙ্গে ভাষাশৈলীতে রূপালি পর্দায় কমেডিয়ান চরিত্রে ছিলেন তুমুল জনপ্রিয় তিনি। 

বলছিলাম চিন্ময় রায়ের কথা। ৭৯ বছর বয়সে দক্ষিণ কলকাতার নিজের ফ্ল্যাটে রোববার (১৭ মার্চ) রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। 

দীর্ঘ দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন তিনি। অনুপস্থিত ছিলেন অভিনয়েও। বছরখানেক আগে নিজের বাসার কাছ থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেই সময়ই তার মাথা, হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। তারপর থেকেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে বার্ধক্যজনিত কারণেও ভুগছিলেন। অবশেষে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে।

স্ত্রী, অভিনেত্রী জুঁই বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পরই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন চিন্ময় রায়। তদুপরি দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। একাকীত্ব, অসুস্থতা ও বার্ধক্যের কারণে মৃত্যুর আগের কয়েক বছর 'হাসির রাজা' নামে খ্যাত এই কৌতুক অভিনেতার ভালো কাটেনি।

চিন্ময় রায়কে গণ্য করা হয় কলকাতার সিনেমার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ানদের একজন হিসেবে। নবদ্বীপ হালদার, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় বা তুলসী চক্রবর্তীর মতো কিংবদন্তি অভিনেতাদের উত্তরসূরী বলা হতো তাকে। সমকালের কলকাতার বাংলা ছবিতে কমেডিয়ানের ভূমিকায় রবি ঘোষ বা অনুপ কুমারের সঙ্গেও তিনি পাল্লা দিয়েছেন সমান তালে।

চিন্ময় রায়ের অভিনয়ের শুরু থিয়েটারের মঞ্চে। 'নান্দীকার'-এর মতো নামকরা গ্রুপ থিয়েটারে অভিনয়ের দীক্ষা নিয়েছেন তিনি। দলে। অথচ কখনও ভাবেননি অভিনয় জগতে পা রাখবেন। ম্যাট্রিকে থার্ড ডিভিশনে পাশ করায় ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে তার। চাকরির পথ হয় রুদ্ধ। পূর্ববঙ্গের রিফিউজি পরিবারের সন্তান হিসেবে ব্যবসা করার মূলধনও তার ছিল না।

অগত্যা বেছে নেন অভিনয়। মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্রে এসে দেখা পান সৌভাগ্যের। ঘুরে যায় ভাগ্যের চাকা। সিনেমা ও টিভি পর্দায় দাপিয়ে অভিনয় করেন তিনি। হয়ে উঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম সারির কমেডিয়ান। 

চিম্ময় রায় অভিনিত প্রথম ছবি ‘গল্প হলেও সত্যি’। তপন সিংহের পরিচালনায় প্রথম ছবিতেই দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। তারপর আর থেমে থাকেননি। ‘বসন্ত বিলাপ’, ‘চারমূর্তি’, 'মৌচাক,‘ 'হাটে বাজারে’, ‘ঠগিণী’, ‘ফুলেশ্বরী ’, 'সূবর্ণ গোলক’, ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ ইত্যাদি ছবিতে তিনি মাতিয়েছেন চলচ্চিত্র দর্শকদের।

তবে চিন্ময় রায়ের অন্যতম অভিনয় সাফল্য হলো সত্যজিৎ রায়ের ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ছবিতে কাজ করা। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য অনেকগুলো পুরস্কার ও সম্মাননাও লাভ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

সজল-অপর্ণার গল্প থাকবে আজ

সজল-অপর্ণার গল্প থাকবে আজ
সজল ও অর্ষা, ছবি: সংগৃহীত

তিশা, মায়া ও নাইম তিন বন্ধু। হঠাৎ করেই তারা প্ল্যান করে নেপালে আসবে। মায়া ও নাইমের কোন ঝামেলা না থাকলেও তিশা পারিবারিক বাঁধার সম্মুখীন হয়। তিশার পরিবার বেশ রক্ষণশীল। বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে ঢাকার বাইরে যেতে দিতেই তারা নারাজ।

সেখানে দেশের বাইরে যেতে দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এদিকে তিশার বিয়ে ঠিক হয়েছে। তাই তিশা ও মায়া মিলে তিশার বাবাকে কনভিন্স করে যাওয়ার জন্যে। কারণ বিয়ের পরে তো আর বন্ধুদের সঙ্গে এভাবে কোথাও যাওয়া হবে না। পরে তিশার বাবা যাওয়ার অনুমতি দেন।

তিশা ও মায়ার সঙ্গে বাজি ধরে নাইম বিদেশি এক তরুণীর সঙ্গে খাতির জমিয়ে ফেলে। তা দেখে মায়া মজা পেলেও তিশা রেগে যায়। নাইম কেন বিদেশি মেয়েদের সঙ্গে ফ্ল্যার্ট করে? নাইমের অকপট জবাব, সে বিদেশি মেয়ে বিয়ে করে বিদেশে চলে যাবে। ধনী হবে। তিশার তখন পাল্টা প্রশ্ন ধনী হয়ে কি হবে? নিজের উপার্জনে ধনী হলে সুখ পাওয়া যায়। অন্যের ধনে পোদ্দারি করে সুখ আসে না।

এদিকে তিশাকে সারপ্রাইজ দিতে আসে হবু বর জনি। তাকে দেখে তিশা অবাক হয়। একইসঙ্গে রেগে যায়। কারণ সে জনিকে এখানে আশা করেনি। তাই একটু মিসবিহেভও করে। সে এসময়টা বন্ধুদের সঙ্গে কাটাতে এসেছিলো এটা জনি বুঝতে পেরে অপমানিত হয়ে চলে যায়।

এমনই গল্পে আজ শনিবার (২০ জুলাই) রাত ৮:৩০ মিনিটে মাছরাঙা টিভিতে প্রচারিত হবে টেলিফিল্ম 'সবার একটা গল্প থাকে'। নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। পরিচালনা করেছেন দীপু হাজরা। অভিনয়ে সজল, অপর্না, কল্যান কোরাইয়া, মাহা ও একটি বিশেষ চরিত্রে অর্ষা।

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল
মঞ্চে গান গাইছেন নোবেল, ছবি বার্তাটোয়ন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সানগ্লো মিউজিক্যাল ফেস্ট। শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রী হলে এ ফেস্ট অনুষ্ঠি হয়।

যদিও অনুষ্ঠানের প্রধান চমক ‘আশিকি ২’ সিনেমার 'শুন রাহা হ্যায়' খ্যাত শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারি উপস্থিত ছিলেন না মিউজিক্যাল ফেস্টে। তাই সন্ধ্যা ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ৮ টার প‌রে শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গান পরিবেশন করেন রাত্রি চৌধুরী। এরপর সা‌ড়ে ৯টার দিকে মঞ্চে আসেন তাস‌নিম আনিকা। আনিকা বাপ্পা মজুমদা‌রের 'বায়ান্না তাস', আইয়ুব বাচ্চুর 'সেই তু‌মি', রুনা লায়লার 'দমাদম মাস্ত কালান্দার' ছাড়াও নি‌জের গাওয়া নোলক সি‌নেমার 'জলে ভাসা ফুল'সহ বেশ কিছু গান গে‌য়ে শোনান।

এরপর মঞ্চে ওঠেন ভারতীয় সানা খান। কয়েকটি হি‌ন্দি গা‌নের স‌ঙ্গে পারফর্ম ক‌রেন ৫ মিনিটের মতো। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষা। প্রায় ৩০ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন নো‌বেল। মঞ্চে উঠতে বিলম্বের কারণ না জানা গেলেও মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তু‌মি’ গান দি‌য়ে শুরু করেন নোবেল। এরপর 'হাস‌তে দে‌খো গাই‌তে দে‌খো', ‌জেম‌সের 'তারায় তারায়', 'বাবা' গান দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন নোবেল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563569374752.jpg

নোবেলের গান গাওয়া শেষে এটিএন ইভেন্টসের ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান, সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্টের ডিরেক্টর (ইভেন্টস) মির্জা সাজিদ অনুষ্ঠানের প্রধান চমক অঙ্কিত তিওয়ারি অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ার দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।

এ সময় মাসুদার রহমান বলেন, ‘অঙ্কিতের সঙ্গে সব কথা বার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। আমরা তার সম্মানিও পরিশোধ করেছি। হঠাৎ করেই মুড ভালো নেই বলে উনি আমাদের শো ক্যান্সেল করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন উনি ফ্লাইট মিস করেছেন। উনার তিনজন মিউজিসিয়ানও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। কলকাতাতেও উনার কিছু মিউজিসিয়ান অবস্থান করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আমরা চমৎকার একটি আয়োজন উপহার দিতে চেয়েছিলাম। যেহেতু অঙ্গিত আসার কথা বলেও আসেননি। টিকিটে আমাদের অফিসের ফোন নাম্বার দেওয়া আছে। কেউ টিকিটের মূল্য ফেরত চাইলে, আমরা সেটা ফেরত দিব।’

কনসার্টে সিলভারের জন্য ২ হাজার টাকা, গোল্ডের জন্য ৫ হাজার এবং ভিআইপি টিকিটের জন্য ১৫ হাজার টাকা মূল্য রাখা হয়েছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র