Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কানে বিচারকদের প্রধান মেক্সিকোর ইনারিতু

কানে বিচারকদের প্রধান মেক্সিকোর ইনারিতু
আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু
বৃষ্টি শেখ খাদিজা
নিউজরুম এডিটর


  • Font increase
  • Font Decrease

কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭২তম আসরে বিচারকদের প্রধান থাকছেন ‘বার্ডম্যান’ ও ‘টোয়েন্টি ওয়ান গ্রামস’ পরিচালক আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু। এবারই প্রথম কোনও মেক্সিকান তারকা এই দায়িত্ব পালন করবেন। বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উৎসব আয়োজকরা এই ঘোষণা দিয়েছেন।

কানে ২০০৬ সালে ‘বাবেল’ ছবির জন্য সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কার পান ইনারিতু। এর গল্পে তিন মহাদেশের সাংস্কৃতিক গোঁড়ামি খুঁজে বেড়িয়েছেন ৫৫ বছর বয়সী এই নির্মাতা।

২০১৪ ও ২০১৫ সালে টানা দু’বার অস্কারে সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কার জেতেন ইনারিতু। এর মধ্যে ‘বার্ডম্যান’-এর গল্প পরাভূত অভিনেতাকে ঘিরে। আর ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ তৈরি হয়েছে কিংবদন্তি অভিযাত্রী হিউ গ্লাসের জীবন অবলম্বনে। ইনারিতুর ‘দ্য রেভেন্যান্ট’-এর মধ্য দিয়ে প্রথমবার অস্কার জেতেন হলিউড হার্টথ্রব লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

এক বিবৃতিতে কান উৎসবের সভাপতি পিয়েরে লেসকিউর বলেন, “কান সব ধরনের ছবিকে সাদরে গ্রহণ করে। ‘বাবেল’ খ্যাত এই পরিচালকের উপস্থিতির মাধ্যমে মেক্সিকান সিনেমাকে উদযাপন করা হবে এই উৎসবে।”

২০১৭ সালে অভিবাসীদের ঘিরে ইনারিতুর ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ‘ফ্লেশ অ্যান্ড স্যান্ড’ কানের অফিসিয়াল সিলেকশনে উপস্থাপন করা হয়।

৭২তম কান উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগের অন্য বিচারকদের নাম পরে জানানো হবে। আগামী ১৪ মে শুরু হয়ে উৎসব চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।

গত বছর ৭১তম কান উৎসবে বিচারকদের প্রধান ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী কেট ব্ল্যানচেট। ওই আসরে সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণ পাম জেতে জাপানের কোরি-ইদা হিরোকাজুর ‘শপলিফটারস’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/27/1551271769277.jpg
কেট ব্ল্যানচেট

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে আলাদা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা মেক্সিকান নির্মাতা ত্রয়ীর একজন ইনারিতু। বাকি দু’জনের মধ্যে আলফনসো কুয়ারন এবার ‘রোমা’র জন্য অস্কারে সেরা পরিচালক ও গুইয়ার্মো দেল তোরোর ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’ গত বছর অস্কারে সেরা ছবি হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র