Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কমলেশ্বরের ‘মুখোমুখি’

কমলেশ্বরের ‘মুখোমুখি’
ছবি: বার্তা২৪
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

‘নিজেকে জানার মধ্য দিয়েই জ্ঞানলাভের শুরু’, বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটলের এই কথাটির মধ্যেই তাঁর নতুন সিনেমা ‘মুখোমুখি’র আত্ম কথা লুকিয়ে আছে বলে মনে করেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। লেখক বা লেখিকার কলম থেকে সৃষ্টি হয় নতুন কিছু চরিত্র বা নতুন গল্প। এমনই কয়েক জনের বাস্তব ও গল্পের-গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে কমলেশ্বরের নতুন সিনেমা ‘মুখোমুখি’। কাহিনির মধ্যে কাহিনি। পরতে পরতে লুকিয়ে আছে ক্লাইমেক্স।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে অনসূয়া ও শৌনক বিবাহিত দম্পতি। শৌনক এক স্ট্রাগলিং মিউজিশিয়ান। অনসূয়া উচ্চাকাঙ্খী। নানা কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে চলেছে। তাদের মাঝে প্রবেশ করে এক চরিত্র! এই ‘অন্য মানুষ’-এর হাত ধরেই চলে আসে নানা সামাজিক উত্থান-পতনের কথা, আসে অর্থনৈতিক মেরুকরণের কথা, আসে সাম্প্রদায়িক শত্রুতার প্রসঙ্গ, আসে কনজিউমারইজম প্রসঙ্গ, এমনকী লিঙ্গবৈষম্যের কথাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549626292393.jpg
কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়

 

কমলেশ্বর জানালেন, সম্পূর্ণ সিনেমায় শহরের নানা দৃশ্য, অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস ইত্যাদি এসব কিছুই একটি সিঙ্গেল লোকেশনে শ্যুট করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রোডাকশনটির ডিজাইনটাই এমন যে, এর কারণেই সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটি ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন দর্শক। আমরা সচরাচর যে ধরনের সিনেমা দেখে থাকি তার থেকে একদমই আলাদা। সিনেমার গান পোশাক, সবকিছুই একদম অন্যভাবে করা। পরিধির বাইরে গিয়ে একটু আলাদা ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে সিনেমাটা করা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549626326787.jpg
দর্শনা বনিক

 

অভিনেত্রী গার্গী রায় চৌধুরী জানালেন, যে কোনো ছবি করার সময় অনেক পরিশ্রম আর অনেক ভালোবাসা থাকে, এই ছবির ক্ষেত্রেও কোনো ব্যতিক্রম ঘটেনি। পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। আমি এই ধরনের চরিত্রে আগে কোনদিনও অভিনয় করিনি। সিনেমায় আমি একজন লেখিকা যার লেখা দিয়েই এক একে চরিত্রগুলো ফুটে উঠেছে।

অভিনেত্রী পায়েল সরকার জানান, ছবিতে যেমন এক্সাইটমেন্ট আছে তেমন টেনশনও আছে। ছবির ট্রেইলারটি যারা দেখেছেন তারা বুঝতেই পারছেন, এরমধ্যে একটা থিয়েটারের লুক আছে। পর্দায় থিয়েটারের মতো করে একটা ছবি দেখা সবাই কতোটা উপভোগ করবেন সেটা দেখার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549626346000.jpg
দেবজ্যোতি মিশ্র

 

‘মুখোমুখি’তে অভিনয় করেছে যিশু, পায়েল, গার্গী, রজতাভ, অঞ্জন, সাহেব, দর্শনা, ঊষসী, পদ্মনাভসহ আরও কয়েকজন। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র। কণ্ঠ দিয়েছেন রূপঙ্কর, ইমন, সায়নী ও দেবজ্যোতি নিজেও। কলকাতায় মুক্তির পর মার্চেই বাংলাদেশে মুক্তি পাবে ছবিটি।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র