Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মেঘপাহাড়ের ডাক-৪

মেঘের সঙ্গে মিতালি

মেঘের সঙ্গে মিতালি
ছবি: বার্তা২৪
মাহমুদ হাফিজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যাত্রা হলো শুরু মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের দিকে। ডাউকি-শিলং সড়ক ক্রমশ পাহাড় বেয়ে ওপরের দিকে উঠে যাচ্ছে। মাঝে মাঝেই আমরা পেরিয়ে যাচ্ছি বিপজ্জনক সব বাঁক। তবে রাস্তা হালে বেশ চওড়া করা হয়েছে, রাস্তার অবস্থাও ভালো। ডানে বা বাঁয়ে কখনো পাহাড় আসছে কখনো গভীর গিরিখাদ। আমরা গাড়ির মধ্যে রক্ত হিম করে বাইরে তাকিয়ে আছি। একটু অসাবধানতায় ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া মুহূর্তের ব্যাপার।

চালক দেরমান সাংমার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সে স্বাভাবিকভাবেই কাজটি করে চলেছে। পাহাড়ি পথে নিত্য গাড়ি চালিয়ে অভ্যস্থ এখানকার বাঙালি, গারো, খাসি, জৈন্তা গাড়িচালকরা। পাহাড়ি রাস্তায় দ্রুত ছুটে চলা চলার সম্ভাব্য বিপদ আমলে না নিয়ে এ মুহূর্তে মেঘের দিকে মনোনিবেশ করে সৃষ্টির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। জীবনের প্রতি পদে পদেই তো কতো রিস্ক।

Meghalay

কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা আরও উঁচু উঁচু পাহাড় ডিঙিয়ে যেতে থাকি। কখনো পাহাড়ের ভাঁজে, উপত্যকায়, পাহাড়ের শীর্ষ দিয়ে রাস্তাটি চলে গেছে শিলং পর্যন্ত। আমরা উঠছি তো, উঠছিই। সমুদ্র সমতল থেকে ছয় হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত শিলং।

রাস্তায় কখনো কখনো হুশহাশ করে গাড়ি অতিক্রম করে যাচ্ছে। কখনো ঘনজঙ্গল, কখনো হাতে গোনা বসতি। কদাচিৎ দুয়েকজন খাসি উপজাতিকে জঙ্গল জীবনযাত্রায় দেখা যায়। দূরে কাছে সবুজ পাহাড়ের কোলে তুলোর পেঁজার মতো সাদা সাদা মেঘ ভেসে রয়েছে। মেঘকে আমরা নিচে থেকে আকাশের দিকে তাকিয়ে এরকম দেখি, বিমান থেকে আরেক রকম দেখা যায়, ছোঁয়া যায় না। কিন্তু মেঘালয় মেঘের আলয়, মেঘের বাড়ি, সেখানে এর সঙ্গে মিতালি করা যায়। মেঘের ওপর থেকে মেঘ দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন কৌণিকে। কখনো ছুটে চলা যায় মেঘের সমান্তরালে।

Meghalay

কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢুকে পড়ি এক অপার্থিব অপার সৌন্দর্যের পরাবাস্তব জগতে। যেখানে শুধু মেঘেরই ভেলা, মেঘ হাতছানি দেয় না, রীতিমতো সমস্ত বাহু বাড়িয়ে আলিঙ্গন করতে আসে। গাড়ির জানালা দিয়ে অদূরের পাহাড়ি উপত্যকা বা পাহাড়ের কোলে যে মেঘদলকে ভেসে থাকতে দেখেছি- তা এখন আমাদের ছুঁতে কাছে ছুটে এসেছে। কিংবা বলা যায়, আমরা ছুটতে ছুটতে ঢুকে পড়েছি মেঘদলের ভেতর। আবছা আঁধারের মমতা বেষ্টন করে রেখেছে আমাদের। আমি বাস্তবের মধ্যে পরাবাস্তবতা অনুভব করছি। সে অবস্থাটি চাক্ষুষ দেখে হৃদয় দিয়ে অনুভব করেই কেবল বোঝা যায়, বর্ণনাবহুল রচনা দিয়ে অন্যকে বোঝানো অসম্ভব।

পরাবাস্তবতার মধ্যেই বাস্তবতাটি হলো আমাদের ছুটে চলা। গাড়ির সামনে ভিজিবিলিটি কমে গেছে। তবু দক্ষ চালক সমান গতিতেই মেঘের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। আমাদের ভ্রমণদলে আমরা যারা এ পথে নতুন, তাদের অনেকে জানালা দিয়ে হাত বের করে মেঘ ছুঁয়ে মুখে ঠেকাচ্ছে, কেউ বাইরে হাত দিয়ে মেঘের স্পর্শ নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারও মোবাইল ক্যামেরায় চলছে ছবি তোলা।

Meghalay

কী আশ্চর্য, মেঘের মায়া কাটিয়ে আমরা যখন বেরিয়ে আসছি মাঝে মাঝে, তখন দেখা দিচ্ছে উঁচু পাহাড়ের সৌন্দর্য। কোথাও ঘন জঙ্গলের বেষ্টনী, কোথায় টিলা-মালভূমি। মুহুর্তেই অদূরে পাহাড়ি উপত্যকায় দেখা মিলছে রৌদ্দকরোজ্জ্বল দিনের। আরেক দিকে কালোমেঘ, বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টি তো, এই রোদ, এই পরিস্কার তো এই আধারে ছাওয়া। কখনো সামান্য উষ্ণতা তো পরক্ষণেই শীতলতা। আবহাওয়া ও মেঘ রোদ্রের এই্ খেলা মনোরম, প্রাণ জুড়ানো। ‘মেঘ রোদ্র গরম ঠাণ্ডার প্রসঙ্গ উঠতেই বাখিয়ামন বললো, ডাউকি থেকে শিলং আসতে চারটি ঋতু- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীতের সৌন্দর্য-বৈচিত্র্য অনুভব করা যায়।

একই দিনে চার ঋতুর অনুভব অপূর্ব বটে।

Meghalay

এই অপার সৃষ্টি বৈভবের মধ্যে কদাচিৎ বিচ্যুতিও ঘটেছে সৌন্দর্যের। পাথুরে পাহাড় কেটে পাথর সংগ্রহ করা হয়েছে কোথাও। রাস্তার পাশেই এর দেখা মেলে। সবুজের মধ্যে কাটা পাহাড় সাদা শরীরে লাজুক ভঙ্গিতে বিসদৃশ হয়ে দণ্ডায়মান। আমরা মনে পড়লো পবিত্র কোরআনের অমর বানী- ‘জাহারাল ফাসাদে ফিল বার্রি ওয়াল বাহরি বিমা কাসাবা আইদিন নাস’- জলে স্থলে যে অনাসৃষ্টি তা মানুষের হাতেই সৃষ্টি। আমাদের ভ্রমণ গাইড কাম হোস্ট স্ট্রিমলেট জানালেন, পাথর সংগ্রহ করে বাংলাদেশে রফতানি করা হয়। আয়ের এক অপার উৎস এই প্রকৃতি।

এদিকে গাড়ির ভেতর চলছে বাংলা, ইংরেজি, খাসি ভাষায় নানা আলাপচারিতা। সাইডটকে বাংলা বা খাসি ভাষা ব্যবহার হচ্ছে। স্ট্রিমলেট, বাখিয়ামন, ইভানিশা ও গাড়ি চালক খাসিতে আলাপ করছে। চালক দেরমান সাংমার ভাষা গারো হলেও খাসি ভাষা জানে পুরো দস্তুর। আমি, জলি, কবি কামরুল, তুসু বলছি বাংলায়। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলা কথা হচ্ছে ইংরেজিতে। চলন্ত গাড়িটি যেন হয়ে উঠেছে বহু ভাষাভাষীর এক পাঠশালা। কারণ আমরা ইতোমধ্যে আমাদের মেজবানদের কাছ থেকে শিখতে শুরু করেছি খাসি ভাষার নানা শব্দ। যেমন-‘খুবলেই’ হচ্ছে খাসি ভাষার স্বাগত জানানো বা ধন্যবাদ জ্ঞাপনের শব্দ। বাম অর্থ খাওয়া। নাম জিজ্ঞেস করলে বলতে হবে, কেরতেয়াং ইউ য়া, ইত্যাদি।

Meghalay

অবলোকন, আলাপ আলোচনার মধ্যই ইতোমধ্যে কেটে গেছে ঘণ্টা তিনেক। পাহাড় মেঘ পেরিয়ে এসেছি পড়েছি খাসি, বাঙালি, গারোদের কোলাহল মুখর এক ছোট্ট শৈল শহরে। মেঘের রাজ্য মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে। করতে চাই দিনকয়েকের শৈলবাস।

আরও পড়ুন: শৈলতলে ঝরনার কলধ্বনি-লিভিং রুট ব্রিজ

আপনার মতামত লিখুন :

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ
পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে মানুষ ওড়ালো বিজয় পতাকা, ছবি: সংগৃহীত

এবার নতুন জুটি হিসেবে হিলারি-তেনজিংরা প্রস্তুত। পরিবেশ ও পরিস্থিতিও আজ অনেক অনুকূল। সুন্দর ঝকমকে সকাল। রোদের ঝিলিকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতো চকচক করছে হিমালয় শীর্ষের বরফখণ্ড। দলনেতার ইঙ্গিত পেলেই শুরু হবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গের দিকে শতাব্দীর সেরা অভিযান। শুধু সঠিক ও যুৎসই সময়ের অপেক্ষা। তখনই আবার ঘটলো বিপত্তি।

প্রস্তুত হয়ে তাবুর বাইরে বেরিয়েই হিলারির মাথায় বাজ পড়ল। তিনি আবিষ্কার করলেন, তার চামড়ার বুটজোড়া বরফে জমে গিয়েছে। ভুলবশত আগের দিন বিকেলে বাইরে শুকাতে দিয়ে জুতাজোড়া ভিতরে আনতে ভুলে গিয়েছিলেন। সারা রাতের তুষার-বরফে লোহার মতো শক্ত হয়ে গেছে পর্বতারোহণের জুতা। চিন্তায় পড়লেন তিনি, ‘তা হলে কি আজ আর এগোনো হবে না?’

এবারও অদম্য রইলেই এই অভিযাত্রীদল। প্রায় দু’তিন ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে ভিজা জুতায় পা গলানো গেল। এরপর বাকিটা ইতিহাস। সামনে এগিয়ে চলার ইতিবৃত্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489441312.jpg

ছবি ২: ১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। এভারেস্ট চুড় স্পর্শ করলো মানুষ, ছবি: সংগৃহীত 

 

১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। প্রমবারের মত এভারেস্ট চুড়ো স্পর্শ করলেন দুই অভিযাত্রী: স্যার এডমন্ড হিলারি আর তেনজিং নোরগে।

প্রথমে শীর্ষভূমিতে পা রাখলেন এডমন্ড হিলারি। ঠিক তার পেছনেই তেনজিং নোরগে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে এই প্রথম মানুষের পদচিহ্ন অঙ্কিত হলো। ২৯ মে, ১৯৫৩।

অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময়ে পৃথিবী বদলেছে অনেক। বদলেছে পর্বতাভিযানের নিয়ম-কানুনও। সাজ-সরঞ্জামও অনেক আরামদায়ক ও সুলভ হয়েছে। অথচ প্রথম বিজয়ের দিনগুলো ছিল অনেক বিরূপ। আত্মজীবনীতে সেসব কথা বলে গেছেন তেনজিং।

শিখর জয়ের জন্য সেদিন ২৭,৯০০ ফুট উচ্চতায় ৯ নম্বর শিবির থেকে ভোর সাড়ে ছ’টায় রওনা হয়েছিলেন হিলারি-তেনজিং জুটি। এখন তিন-চারটে শিবির যথেষ্ট। দিনে নয়, অ্যাডভান্সড ক্যাম্প থেকে সন্ধ্যায় বের হয়ে পরদিন সকালে শিখর ছোঁয়াই নিয়ম।

তেনজিংদের জয়ের খবর দুনিয়াকে জানাতে নিকটবর্তী নামচে বাজারের পোস্ট অফিসে টেলিগ্রাম করতে ছুটেছিল রানার। দিনে দিনে এতো বড় বিজয়ের খবর পায়নি পৃথিবীর মানুষ।

আর এখন? স্যাটেলাইট ফোনে এভারেস্ট-শীর্ষ থেকেই কথা বলা যায়।

কিছু ইতিহাস কিন্তু অটুট। যেমন খুম্বু অঞ্চলের হতদরিদ্র শেরপা সম্প্রদায়, যেখান থেকে তেনজিং উঠে এসেছিলেন। তাদের ভাষায় লিখিত বর্ণমালা নেই, পাহাড়ে মালপত্র বয়ে আর ইয়াক চরিয়ে জীবন কাটাতে হয় তাদের। বিংশ শতাব্দীতে তেনজিং-ই প্রথম এশিয়া থেকে উঠে-আসা নিম্নবর্গের নায়ক। তাঁর আগে কোন এশীয় বীর এত নিচু স্তর থেকে উঠে আসেননি।

সেই তেনজিং আরেকটি কাজ করলেন। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে পৃথিবীর মানুষের বিজয় পতাকা উত্তোলন করে দু’জনে শিখরে কাটালেন মিনিট পনেরো। আবেগপ্রবণ তেনজিং বহু ব্যর্থতার পর বিজয় পেয়ে নিজের জীবনের এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489484360.jpg

ছবি ৩: মাউন্ট এভারেস্ট, ছবি: সংগৃহীত

 

তেনজিং শৈশব থেকে নিজের জন্মের তারিখটা পর্যন্ত সঠিক জানতেন না। যে পশ্চাৎপদ সমাজে তিনি জন্ম নিয়েছিলেন, সেখানে লেখালেখি বা ইতিহাস রক্ষার কোনও রেওয়াজই ছিল না। এভারেস্ট জয়ের পর ২৯ মে তারিখটাকেই তিনি জন্মদিন হিসেবে গ্রহণ করতেন।

এই অভিযানের পর সত্যিই তো এক নতুন তেনজিংয়ের জন্ম হয়েছিল পৃথিবীর বুকে। তাকেই বোধহয় মনে মনে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তেনজিং। এভারেস্ট বিজয়কে নিজের জীবনের অংশ করে রেখেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ১৬ বার ব্যর্থ হয়েছিলেন তেনজিং!

আরও পড়ুন: ইভেন-বরিলিয়ান আউট, হিলারি-তেনজিং ইন

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব
হাইকোর্ট

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এই তিনজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ জলুাই তাদের শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন না করায় একটি সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ তলবের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্ট তিতাসের কর্মচারী নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূরক আবেদন করেন। আদালতের আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিতাসে ৭৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত ফলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে মো. রেজাউল করিমসহ ৮ জন ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ৬৩ জনকে নিয়োগ দেয় তিতাস। গত ২ এপ্রিল আরো ১৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ক্ষুব্ধ রিট আবেদকারীরা হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন।

এই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে তিতাসের আইনজীবী জানান, ৩০ শতাংশ  কোটা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটের আইনজীবীরা তার এই বক্তব্যে আপত্তি জানান। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র