Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের অবৈধ ফার্মেসি বন্ধের নির্দেশ

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের অবৈধ ফার্মেসি বন্ধের নির্দেশ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ চিকিৎসক / ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের দ্বারা পরিচালিত অবৈধ ফার্মেসি এবং চিকিৎসকদের চেম্বার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এসব অবৈধ চেম্বার এবং ফার্মেসিগুলোর অধিকাংশই বাংলাদেশিদের দ্বারা পরিচালিত।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালয়েশিয়ান মেডিকেল কাউন্সিলের নিবন্ধন না থাকলে কেউ ফার্মেসি বা ক্লিনিক পরিচালনা করতে পারবে না।

শনিবার সাংবাদিকদের দেশটির স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. লি বুন চে বলেছেন, ‘দেশের ওষুধনীতি ১৯৫২ অনুযায়ী অপরাধীদের ২৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা করা হবে বা অনাদায়ে ৩ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হবে। শিগগিরই এসব ক্লিনিক এবং চিকিৎসকদের ধরতে অভিযান চলবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558869023493.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘এই চিকিৎসকদের মধ্যে যদিও কারও নিজ দেশ থেকে প্র্যাকটিসের সার্টিফিকেট থাকে, তবুও মালয়েশিয়ায় প্র্যাকটিসের সনদ নেওয়া প্রয়োজন।’

এর আগে মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় দৈনিক স্টারে কুয়ালালামপুরের কোতারায়ার জালান সিলাংয়ে বাংলাদেশিদের দ্বারা পরিচালিত অবৈধ ফার্মেসি এবং চেম্বার নিয়ে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চিকিৎসক নামধারী বাংলাদেশিরা নিজ দেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বিক্রি করেন। জালান সিলাংয়ে এই ধরনের মোট পাঁচটি ক্লিনিক এবং ডাক্তারের চেম্বার রয়েছে। তবে তারা বাংলাদেশি ছাড়া স্থানীয়দের সেবা দেন না বা ওষুধ বিক্রি করেন না। কারণ, ধরা পড়ার ভয় থাকে।

আপনার মতামত লিখুন :

ঈর্ষণীয় বর্ষাগুলো বাংলাদেশের

ঈর্ষণীয় বর্ষাগুলো বাংলাদেশের
অলঙ্করণ কাব্য কারিম

এক বন্ধুর বাসায় বেড়াতে এসে টিভির চ্যানেল ঘোরাতে ঘোরাতে হঠাৎ একটা চ্যানেলে হিন্দি সিনেমা ‘গুজারিশ’ চলতে থাকায় থামলাম। সিনেমাটা আগেও দেখেছি কিন্তু আজকে একটা দৃশ্যে চোখ আটকে গেল। এই সিনেমায় নায়ক হৃত্বিক রোশন একজন প্যারালাইজড ম্যাজিশিয়ানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দৃশ্যটা এমন—রাতে বৃষ্টি হচ্ছে ছাদ থেকে পানি টপ টপ করে প্যারালাইজড ম্যাজিশিয়ানের কপালে পড়ছে। কিন্তু সে কিছুই করতে পারছে না। সবাইকে চিৎকার করে শুধু ডাকছে কিন্তু বাড়িতে থাকা দুটি মানুষের কেউ-ই ঝড় বৃষ্টির শব্দের কারণে তার সেই চিৎকার শুনতে পাচ্ছে না। সারারাতভর বৃষ্টির জলের ফোঁটা তার কপালে পড়তেই থাকল। আমাদের সবার জীবনে কখনো কখনো বোধহয় এমন অনেক বৃষ্টি আসে যেখান থেকে আমরা আমাদের মাথাটা সরাতে পারি না। টিপ টিপ বৃষ্টির জল পড়তে থাকে আর আমাদের সহ্য করে যেতেই হয়। এত গেল জীবন বোধের বৃষ্টির ভাবনা। কিন্তু এখানে সত্যিকারের বৃষ্টিটা বড্ড ভাবায়। কে বলবে এখন বর্ষকাল! খাঁ খাঁ রোদে এখানে জীবন অতীষ্ট। গুজরাট মানে বরোদা-জীবনে আমি একটা ভোগান্তি কখনো ভুলব না, তা হলো গরম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623556920.jpg

যেখানে বাংলাদেশে বৃষ্টির জলে রাস্তায় নৌকা চলার অবস্থা আর সেখানে আমি প্রচণ্ড গরমে মাঝরাতে উঠে বসে থাকে। আর মনে মনে কল্পনা করতে থাকি এই বুঝি ঝুম বৃষ্টি শুরু হবে আর শান্তিতে পাতলা একটা কাঁথামুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়ব। কল্পনা করতে করতে কখন আবার দু-চোখ জুড়ে গরমের ক্লান্তিতে ঘুম চলে আসে সেটাও টের পাই না। এখানে বৃষ্টি একদমই হয় না, তেমনটা না। হয় পাঁচ দশ মিনিটের বৃষ্টি। সারাদিনে দু-তিনবারও হয়। কিন্তু তেমন বৃষ্টি দেখে মনে হয় এখানকার মানুষদের যদি আমি আমার গ্রামের মাঠঘাট উপচে পড়া ঝুম বৃষ্টি দেখাতে পারতাম! বা বৃষ্টিতে টিএসসি, দোয়েল চত্বরে নিয়ে যেতে পারতাম তাহলে বৃষ্টির আসল রূপ দেখাতে পারতাম। বৃষ্টির কত যে স্মৃতি মাথায় এসে ভিড় করে।

জানি দেশে বৃষ্টিতে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে, এমনকি তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি, কিন্তু আমার মতো মানুষের জন্য দেশ থেকে কয়েকশো মাইল দূরে বসে বৃষ্টি কতটা আকাঙ্ক্ষার বস্তু তা যেন বোঝানো সম্ভব না। জীবনে যা থাকে না সেটাই হয়তো মুখ্য হয়ে ওঠে, বোধহয় এটাই জীবন।

প্রিয়তমেষু বাংলাদেশ

গুজরাটের বৃষ্টিতে গাছপালা খুব সুন্দর হয়ে যায়। এখানকার গাছের পাতাগুলো শুধুমাত্র বর্ষার সময়ই আমার দেশের গাছের পাতার মতো চির সবুজ হয়ে ওঠে। চোখ জুড়িয়ে যায়। বছরের বাকিটা সময় খুব মলিন লাগে, যেমনটা আসলে শুষ্ক অঞ্চলের হয়েই থাকে। বরোদা খুব পরিছন্ন শহর। এখানে ধুলাতে গাছের পাতা ধুলাময় হয় না যেমনটা আমাদের হয়। কিন্তু এত কিছু পরও যেন এই পাতাগুলোতে আমার দেশের গন্ধ নেই। মন কেমন করে ওঠে ছোট সবুজ পাতার জন্য। বর্ষা শুরু হলে আমার বেলীফুল আর দোলনচাঁপার জন্য মন কেমন করে। এখানে বেলীফুল আছে কিন্তু বেলীফুলের মালা নেই। এখানে কেউ হাতে চুলে বেলীফুলের মালা পরে ঘুরে বেড়ায় না। যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের মানুষের বৃষ্টিমাখা পোস্টগুলো দেখি তখন আমার মনে হয় টাঙ্গাইলের তাঁতের একটা শাড়ি পরে চুলে ও হাত ভরে বেলীফুলের মালা জড়িয়ে টিএসসিতে চলে যাই। কিন্তু বাস্তবতা বলে অন্য কথা। সময় তার আপন গতিতে চলে। মনে মনে শুধু বলার থাকে ঈর্ষণীয় বর্ষাগুলো বাংলাদেশেই থাকে।

স্পেনে ফরিদপুর কল্যাণ সমিতির বনভোজন

স্পেনে ফরিদপুর কল্যাণ সমিতির বনভোজন
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রবাসী ফরিদপুর বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির বার্ষিক বনভোজন। গত বুধবার (১৭ জুলাই) মাদ্রিদের অদূরে মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পিচ্ছিনা ভুইতরাগোত পার্কে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।

বনভোজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংগঠনটির সভাপতি হেমায়েত খান। তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রবাসী ফরিদপুরবাসীর মধ্যে সেতু বন্ধনের উদ্দেশ্যে এই আয়োজন।’

তিনি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের কৃষ্টি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করানোর গুরুত্বারোপ করে দেশ ও প্রবাসে দেশের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য আহ্বান জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563580792614.jpg

দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দর, কমিউনিটি নেতা মোজাম্মেল হোসেন মনু, নূর হোসেন পাটওয়ারী, বৃহত্তর ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি এম এইচ সোহেল ভুইয়া, বিক্রমপুর-মুন্সিগঞ্জ সমিতির সভাপতি মমিনুল ইসলাম স্বাধীন, গ্রেটার সিলেট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি লুতফুর রহমান, রাজনীতিবিদ একরামুজ্জামান কিরণ, ব্যাবসায়ী ইসমাইল হোসেন, এফ এম ফারুক পাভেল, আবু জাফর রাসেল, আলমগীর শেখ প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563580814461.jpg

বনভোজনে বড় ও ছোটদের জন্য ছিল বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন। যুবনেতা আওয়াল খান ও জহিরুল ইসলাম রানার যৌথ পরিচালনায় নানা ধরনের খেলায় অংশ নেন অতিথিরা। ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‌্যাফেল ড্রয়ের আয়োজন।

অনুষ্ঠানে আলোক কুঞ্জের ব্যানারে হানিফ মিয়াজী, সোহেল রানা ও হোসাইন ইকবাল এতে মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করেন।

পুরো আয়োজনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন ফরিদপুর বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির সভাপতি হেমায়েত খান ও সাধারণ সম্পাদক তুতা কাজী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563580837331.jpg

বাদ জোহর পর সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি আক্কাস শেখ ও টিপু সুলতান খানের তত্ত্বাবধানে বাঙালী রকমারী সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়। এ পর্বে সংগঠনের উপদেষ্টা রিজভী আলম, আক্তারুজ্জামান, কবির শেখ, ইকবাল হোসেন, রুবেল খানসহ সংগঠনের অন্য নেতা ও সদস্যরা সহযোগিতা করেন। শেষ পর্বে খেলাধুলা ও র‌্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

দিন শেষে সমিতির সভাপতি হেমায়েত খান উপস্থিত অতিথি, সদস্য ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র