Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মানবতার রং, পর্তুগালে বাংলাদেশি শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম

মানবতার রং, পর্তুগালে বাংলাদেশি শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম
ছবি: বার্তা২৪
নাঈম হাসান পাভেল
লিসবন
পর্তুগাল থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

পর্তুগালের রাজধানী মেট্রোপলিটান লিসবনের ব্যস্ততম এলাকা আলমিরান্তে রেইস। লিসবন মিউনিসিপ্যালিটির বৃহৎ দু’টি ওয়ার্ড সান্তা মারিয়া মাইওর এবং অ্যারিওস। পুরনো সব স্থাপত্য এবং পৃথীবির প্রায় ৭৯ দেশের ভিন্ন ভিন্ন মানুষদের বসবাস এই এলাকাগুলোতে। এই এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় পর্তুগিজ কমিউনিটি, ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষ আর ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির অভিবাসীরা মিলে এই এলাকা মাল্টিকালচারাল মানুষদের এলাকা হিসেবে পরিচিত।

লিসবনের এই জোনটি সবচেয়ে বেশি মাল্টিকালচারাল এবং ভিন্ন ভিন্ন মানুষদের বসবাসের কারণে শহরের এই এলাকাটি খানিকটা ভিন্ন। ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতির মিশ্রণে অনেকটাই রঙিন। সব সময়ই বিশেষ এই একটি এলাকায় উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। যেখানে স্থানীয় পর্তুগিজদের সাথে সমানতালে অভিবাসী সম্প্রদায়ও সংযুক্ত থাকেন।

এবার তাই লিসবন মিউনিসিপ্যালিটি ও লারগো রেসিডেন্সিয়াসের সহযোগিতায় গাবীব আলমিরান্তে রেইস নামের স্থানীয় একটি অ্যাসোসিয়েশন ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়েছে। ৭৯ ভিন্ন দেশের অভিবাসীদের নিয়ে অন্যরকম আয়োজন প্রজেক্ট ‘নেক্সট স্টপ’ বা ‘পরবর্তী গন্তব্য’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003808921.jpg

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো- অভিবাসী বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান শিল্পীদের খুঁজে বের করা এবং তাদের মধ্য থেকে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। দীর্ঘ বাছাইয়ের পর স্থানীয় শিল্পীসহ ৬০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে গান, চিত্রকর্ম, থিয়েটার, পাপেট শো, নাচ ইত্যাদির শিল্পী।

প্রকল্পের চমক বা ভিন্নতা যেটি রয়েছে সেটি হলো- সম্পূর্ণ প্রকল্পটি যেমন শিল্পীদের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, নাচ, গান পরিবেশন, সব কিছুই লিসবন মাল্টিকালচারাল জোনের চারটি মেট্রো স্টেশনের (মার্তৃম-মুনিজ, ইন্তেন্দেন্তে, আন্জুস, অ্যারিওস) ভেতরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা ও বাছাইয়ের মাধ্যমে ফেস্টিভালে ১৫ দেশের প্রায় ৬০ জন শিল্পী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এরমধ্যে দুইজন বাংলাদেশি শিল্পী অংশগ্রহণ করছেন। চিত্রকর্মে শারমিন মৌ এবং গানে কে এম মোস্তফা আনোয়ার।

গত ২৮ মার্চ তিনদিনের এই ফেস্টিভাল শুরু হয়। সেদিন আয়োজক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারগণ ছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003793041.jpg

বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের একজন শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম দু’টি স্টেশনে উদ্ধোধনের দিন থেকে চার মাসের জন্য প্রদর্শিত হবে। চিত্রকর্মের নাম ‘মানবতার রং’; মূল বিষয় মানুষের ভেতরের রং।

শারমিন মৌ জানান, মানুষকে বাইরে আমরা ভিন্ন রূপে দেখলেও প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরে লুকানো একটি মানুষ থাকে, লুকানো একটি ছবি থাকে, যেটি বাইরের রূপের সাথে অনেক সময় মেলে না। সমাজের মানুষের ভেতরের আসল রূপ ভিন্ন হয়, হিংস্র হয়; অনেক সময় কোমল হয়। এসব রুপ চিত্রকর্মে তুলে ধরতে চেয়েছি।

শারমিন দীর্ঘ সময় ধরে পর্তুগালে বসবাস করছেন। তিনি পর্তুগালে বাংলাদেশকে তার রং তুলিতে তুলে ধরছেন প্রতিনিয়তই। স্থানীয় পর্তুগিজদের সাথে সমান তালে তার মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। পাশাপাশি তুলে ধরছেন নিজের দেশীয় সংস্কৃতি ও চিত্রকর্ম। পর্তুগালে বাংলাদেশি পোশাকে শারমিন মৌয়ের ফ্যাশন শো স্থানীয় কমিউনিটিতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003774207.jpg

ফেস্টিভালে অংশগ্রহণকারী আরেক গর্বিত বাংলাদেশি গবেষণারত শিল্পী কে এম মোস্তফা আনোয়ার। ‘নেক্সট স্টপ’ ফেস্টিভালে ‘মোস্তফা ও বন্ধুরা’ শিরোনামে একটি কনসার্ট করেছেন তিনি। এছাড়াও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অডিওতে বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বাংলাদেশের নানা তথ্যমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পর্তুগালে বাংলাদেশের সংগীত সংস্কৃতি তুলে ধরছেন এই সাধক। বাংলা গান এবং দেশীয় সংস্কৃতিকে পরিচিত করাতে দীর্ঘ সময় ধরে পর্তুগালের ফেস্টিভ্যালগুলোতে তিনি পরিবেশনা করে থাকেন। ভিন্ন ভিন্ন ভাষা দক্ষতায় তিনি বাংলা গানের অনুবাদ করেও পরিবেশন করেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ ছাড়াও পর্তুগালের স্থানীয় অনেক ভক্ত, অনুরাগী রয়েছে মোস্তফা আনোয়ারের।

প্রকল্পটির অন্যতম পরিচালক মার্তা সিলভা বলেন, লিসবনের অ্যারিওস ওয়ার্ডের আলমিরান্তে রেইস এলাকাটি সবচেয়ে বেশি মাল্টিকালচারাল। ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতির মানুষদের মিশ্রণে এই এলাকা অনেকটাই রঙিন। সব সময়ই এই এলাকায় উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। যা ভিন্ন একটি পরিবেশ তৈরি করে। আমাদের এই প্রকল্পটির একই রকম উদ্দেশ্য নিয়ে করা। যাতে করে স্থানীয় মানুষদের সাথে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের সংস্কৃতির বিনিময়ের মাধ্যমে রঙিন একটি শহর হবে লিসবন। আমাদের প্রকল্পটি সম্পূর্ণ মেট্রোর ভেতরে এখানে শুধু স্থানীয় মানুষেরা আসেন না! অনেক বিদেশিও আছেন বিশেষ করে তাদের কাছেও তুলে ধরা যে, সুন্দর মাল্টিকালচারাল পরিবেশ আমাদের এখানে আছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ হাইকমিশন সিঙ্গাপুরে শোক দিবস পালন

বাংলাদেশ হাইকমিশন সিঙ্গাপুরে শোক দিবস পালন
জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বাংলাদেশ হাইকমিশন সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৪-তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বাংলাদেশ হাই কমিশন, সিঙ্গাপুরের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪-তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/15/1565877828212.jpg

দিনব্যাপী কর্মসূচীর শুরুতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকদের বুলেটে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা ও দেশের সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/15/1565877840539.jpg

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বঙ্গবন্ধুর জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সরকারের কর্মকাণ্ডের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দর্শন এর উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। আলোচনা সভায় সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনারসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অসামান্য ভুমিকা এবং দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের কথা শ্রদ্ধাচিত্তে স্মরণ করেন। তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের বর্বর হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

হাই কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তার বক্তৃতায় বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

তিনি বঙ্গবন্ধুর ত্যাগী ও  সংগ্রামী জীবনাদর্শ হতে শিক্ষা গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহবান জানান।

গুজরাটের বন্যায় পানিবন্দী তিনদিন

গুজরাটের বন্যায় পানিবন্দী তিনদিন
অলঙ্করণ কাব্য কারিম

৩১ জুলাই, ১ এবং ২ আগস্ট—এ তিনদিন আমি পানিবন্দী হয়ে আমার হোস্টেলে বসে ছিলাম। হঠাৎ টানা তিনদিনের প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে বরোদা শহরের অধিকাংশ জায়গা পানির নিচে। ৮ ঘণ্টার বৃষ্টিতে ৭/৮ ফুট পানিতে শহর ডুবে গেছে। এই শহরে ১৯২৭ সালে এমন বন্যা হয়েছিল তখন ৯০ ইঞ্চি বৃষ্টি হয়েছিল সেই বন্যার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ঘোড়াপুর’—কারণ বন্যার জল ঘোড়ার ভাস্কর্যের পা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। এত বছর পর আবার বন্যা হলো। আকস্মিকভাবে বন্যা হওয়ার পরও সরকারের তৎপরতা ছিল দেখার মতো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/05/1565003940481.jpg

আমরা সবাই যখন ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আমাদের হোস্টেলের নিচের তলাতে জল চলে আসছে তখন আমরা অস্থির হয়ে উঠেছিলাম। কারণ সবার আগে আমার মাথায় এসেছিল আমার রুমে চাল আছে কিনা। কিন্ত দুর্ভাগ্যবশত তার আগের দিন রাতেই আমার চাল শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমাদের ফরেন হোস্টেলটা মেইন হোস্টেল থেকে আলাদা। আমাদের হোস্টেলে আমরা নিজেরা রান্না করে খাই তাই চিন্তাটা বাড়ছিল। কাজের দিদিটাও এত বৃষ্টির কারণে আসতে পারেনি। আমার রুমমেট বলল তার কাছে চাল আছে। আমি ভাবলাম ঠিক আছে দেখা যাক কী হয়! কিন্তু আমার চিন্তাকে ভেদ করে ওই সময় আমাদের আইসিসিআর-এর ডিরেক্টর জিগার ইনামদার নিজে এসে হাজির হলো আমাদের সাহায্য করার জন্য। কী লাগবে, কখন কী দরকার সব কিছুর জন্য পুরোটা সময় আমাদের খোঁজ নিয়েছেন।

জিগার ইনামদার আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট এবং সিন্ডিকেট সদস্য। তার পুরো টিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরোদা শহরের অধিকাংশ এলাকার জন্য কাজ করেছেন। আমাদের তিনবেলার খাবার, জল , দুধ এবং ওষুধ দিয়ে গেছেন নিজে এসে। আমি শুধু ভেবেছি তার নিজে আসার কিন্তু দরকার ছিল না কিন্তু উনি এসে বারবার সাহস দিয়েছেন। আবারও প্রমাণ করেছেন গুজরাটের আতিথেয়তা। আমি মুন্ধ হয়েছিলাম এমন নেতা দেখে। ভদ্রলোক নিজে দুদিন যাবত নিজের বাড়িতে যায়নি। ছেলেদের হোস্টেলে হেল্প সেন্টার খুলেছিল। এখানে তার টিম নিজের রান্না করেছে আমাদের সবার জন্য। আরো একটা ব্যাপার তখন ঘটেছিল সেটা হলো এখানে প্রচুর কুমির আছে আশে পাশের নদীতে। বন্যা হবার কারণে সব কুমির শহরে ঢুকে পড়েছিল এই অবস্থাতে নিচে জলে পা রাখার কথা ভাবতে পারছিলাম না, কিন্তু সেই অবস্থায় তারা জলের মধ্যে হেঁটে এসে সাহায্য করে গেছে।

ঈর্ষণীয় বর্ষাগুলো বাংলাদেশের

এখানে অনেকের বাড়িতে কুমির উঠে গিয়েছিল কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন? কুমিরগুলোকে কেউ মারেনি। ফরেস্ট অফিসাররা এত তৎপর ছিল যে তারা এসে ধরে নিয়ে গেছে। আমাদের হোস্টেলের পেছনেও কুমির পাওয়া গেছিল। এখানে এসে আমার শুধু একটা কথাই মনে হয়েছিল যে, আমাদের দেশে হলে আমরা কুমিরগুলোকে এতটা সুরক্ষা দিতে পারতাম কিনা। আমার নিজস্ব উপলব্ধির কথা বললাম। গুজরাট (পুরো ভারতের কথা জানি না) প্রকৃতিকে সংরক্ষণের চেষ্টা করছে আর আমরা গাছ কেটে বন উজাড় করে বেড়াচ্ছি।

বন্যায় তিনদিনে এদের ক্ষতি হয়েছে ৫০০০ কোটি রুপি। এখনো অনেক জায়গায় বন্যা আছে। শহরের পানি কমে গেছে। এত কিছুর পর আমার মাথায় শুধু একটা কথাই ঘুরছে—আমার দেশ সেই কবে থেকে বন্যার কবলে, কত হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী, চলছে ডেঙ্গুর মাহামারি। আমার দেশেও এরকম কার্যকর তৎপরতা, সঠিক পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র