Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কে হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের প্রথম চেয়ারম্যান?

কে হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের প্রথম চেয়ারম্যান?
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থীরা, ছবি: বার্তা২৪
কাজল সরকার
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হবিগঞ্জের নবগঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। প্রথম নির্বাচন হওয়ায় প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। ভোটারা এখন অপেক্ষা করছেন নিজেদের প্রথম উপজেলার কান্ডারীকে নির্বাচিত করতে।

সর্বত্র আলোচনা চলছে- কে হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান? শুধু চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়েই নয়, সমানভাবে আলোচনায় রয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়েও। তবে কোনো আবেগ নয়, যোগ্য প্রার্থীকেই নির্বাচিত করা হবে বলে দাবি ভোটারদের।

জানা যায়, দেশের ৪৯২তম এবং সর্বশেষ প্রতিষ্ঠিত উপজেলা হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে ৪৯২তম উপজেলা হিসেবে শায়েস্তাগঞ্জকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর এক জনসভায় হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শায়েস্তাগঞ্জকে উপজেলায় রূপান্তরির করার ঘোষণা দেন।

হবিগঞ্জের নয়টি উপজেলার মধ্যে ইতোমধ্যে আটটি উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর মঙ্গলবার (১৮ জুন) পঞ্চম ধাপে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, হবিগঞ্জে প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত আটটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে তেমন আগ্রহ না থাকলেও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ক্ষেত্রে ভিন্ন। প্রথম বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় আগ্রহ দেখা গেছে ভোটারদের মধ্যে। প্রচার প্রচারণা চালাতে গিয়ে প্রার্থীদের মধ্য থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হওয়ার আশা প্রকাশ করেছে নির্বাচক বিশ্লেষকরা।

ইতোমধ্যে রোববার (১৬ জুন) রাত ১২টার পর সব ধরনের প্রচার প্রচারণার সমাপ্তি ঘটেছে। প্রার্থী-সমর্থকদের মধ্যে এখন শুধু উৎকণ্ঠা। তবে ভোটারদের মধ্যে উৎসবের আমেজ। বহু কাঙ্ক্ষি উপজেলার প্রথম কান্ডারি নির্বাচিত করতে ভোটাররা অপেক্ষা করছেন ভোট প্রয়োগ করার।

ভোটাররা মনে করেন, উপজেলা হওয়ার পর এটিই প্রথম নির্বাচন। তাই উপজেলার উন্নয়নের প্রথম নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তাই এ ভোটে যোগ্য ও সৎ প্রার্থী নির্বাচনের বিকল্প নেই।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা নূরপুর ইউনিয়নে পাঁচবারের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল (আনারস মার্কা) এবং আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমেদ খান (ঘোড়া)।

ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন করে মোট ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তাঁরা হলেন- খন্দকার শফিক সরদার (তালা), গাজিউর রহমান এমরান (মাইক), সৈয়দ তানভীর আহমেদ জুয়েল (চশমা), আব্দুল মতিন মাস্টার (বই), বদরুল আলম দীপন (টিউবওয়েল), সাবেরা সুলতানা হ্যাপি (কলস), মমতাজ বেগম ডলি (প্রজাপতি), মুক্তা বেগম (পদ্ম ফুল), রুবিনা আক্তার (ফুটবল) ও পারভীন আক্তার (হাঁস)।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ উন্নয়নের সরকার। তারা উন্নয়নে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগ আমার প্রতি আস্থা রেখে মনোনয়ন দিয়েছে, এখন জনগণ আমার ওপর আস্থা রাখলে আমি তাদের বিশ্বাসের মূল্যয়ন করতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল বলেন, ‘এলাকার জনগণ আমাকে ভালোবাসে। কারণ আমি এর আগে ইউনিয়নে পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছি। আমার প্রতি জনগণের বিশ্বাস আছে। তাই নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমার জয় কেই আটকাতে পারবে না।’

একই দাবি করলেন- আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্তী আলী আহমেদ খানও।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন জানান, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) কেন্দ্রগুলোতে সব ধরনের সরঞ্জাম পাঠানো হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সোমবার রাত থেকেই কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।

উল্লেখ্য, তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৫ হাজার ৬৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২২ হাজার ৬২১ এবং নারী ভোটার ২৩ হাজার ৪৫ জন। ১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ছবি: বার্তা২৪.কম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ছয় মাস পার হলেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এদের মধ্যে আট দলকে জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। আর এ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন প্রায় এক হাজার ৮৫০ জন। ভোটের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের এবং ৯০ দিনের মধ্যে দলের নির্বাচনী খরচের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেই হিসাবে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আর দলের ক্ষেত্রে সেই সময় শেষ হয় এপ্রিলে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট সময়ে দলীয় হিসাব ইসিতে জমা দেয়। বাকি ৩৮টি দলকে ৯ জুনের মধ্যে হিসাব জমা দিতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয় ইসি। ওই চিঠির পর ৩০টি দল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে তা না দিলে দলগুলোকে সতর্ক করে এক মাসের মধ্যে হিসাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়।

সবমিলিয়ে আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাব জমা দেয়নি।

এদিকে নোটিশের পরও হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আট দলকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৪৪ সিসিসি (৫) অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দলগুলোকে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে কমিশন সচিবালয়। দলগুলো হচ্ছে- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব দল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি তাদের আমরা নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও অনেকে হিসাব জমা দেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।'

আর নির্বাচনে ব্যক্তিগত ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় ৩৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। আর নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় চাওয়ায় তাদের একমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দেননি। তাদের মধ্যে দুইজন প্রার্থী সময় চেয়ে আবেদন করায় তাদের এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।'

এছাড়াও নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে চিঠি দিয়েছে কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা জানান, ২০১৮ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই করিয়ে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র