Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

ত্রিশালে নৌকাকে জেতাতে একাট্টা তৃণমূল, বিদ্রোহীকে সতর্কবার্তা

ত্রিশালে নৌকাকে জেতাতে একাট্টা তৃণমূল, বিদ্রোহীকে সতর্কবার্তা
সমাবেশে বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন / ছবি: বার্তা২৪
উবায়দুল হক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন স্থগিত হলেও রীতিমতো উত্তাপ ছড়াচ্ছে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সঙ্গে আছেন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারাও।

আর দলীয় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিন সরকারের আনারস প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের গুটি কয়েক নেতা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা।

রোববার (৭ এপ্রিল) বিকেল থেকে রাত অবধি স্থানীয় নজরুল ডিগ্রি কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইকবাল হোসেনকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বিশাল কর্মী সমাবেশে দলটির নেতাকর্মীরা শোডাউন করেছেন। আর এ শোডাউনের মধ্য দিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে দলের প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থানকারী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের।

দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে একাট্টা না হলে তাদের প্রথমে শোকজ ও পরবর্তীতে আরও বড় ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।

জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে লড়ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন। এই নৌকার মনোনয়ন পেতে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকারসহ আরও বেশ কয়েকজন লবিং করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইকবালের হাতেই নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554693250088.jpg

আর এ ঘটনায় রীতিমত বেঁকে বসেছেন মতিন সরকার। তাকে ভোটের মাঠে সক্রিয় করতে ‘আদাজল খেয়ে’ মাঠে নেমে পড়েন সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আলী, ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান সবুজ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শোভা মিয়া আকন্দসহ গুটি কয়েক নেতা।

জেলার দায়িত্বশীল নেতারা তাদের বারবার বারণ করলেও তারা মতিন সরকারের আনারস প্রতীকের পক্ষেই নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ফলে ত্রিশালে নৌকার শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এসব নেতারা। আর এসব নিয়ে দুপক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে চলেছে নিয়মিত। ইকবালের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদ জাহান শামীম ও এম এ কুদ্দুসসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।

তারা বেশ কয়েকবার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইকবালের পক্ষে সোচ্চার হয়ে নৌকার প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন এবং তাকে বিজয়ী করতে স্থানীয় ভোটারদের কাছে আহ্বানও জানিয়েছেন।

অপরদিকে মতিন সরকারের পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের আরেকটি পক্ষের নেতারা অবস্থান নিয়েছেন। তারা মতিন সরকারকে মুরুব্বি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত আওয়ামী লীগের দাবি করে তাকে বিজয়ী করতে ভোটারদের দুয়ারে কড়া নাড়ছেন। এমন প্রেক্ষাপটে স্থগিত হয়ে যায় চতুর্থ ধাপের ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।

জানা গেছে, ছেলের ব্যাংক ঋণের জামিনদার হয়েছিলেন মতিন সরকার। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পরিশোধিত না হওয়ায় ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে গত ২০ মার্চ উচ্চ আদালতে রিট করেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন। সেই রিটে মতিন সরকারের প্রার্থিতা বাতিল ও চেয়ারম্যান পদে ৬ মাসের জন্য নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন উচ্চ আদালত। পরে আদালতের রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে গত ২৮ মার্চ আব্দুল মতিন সরকার চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে গত ৪ এপ্রিল দু’পক্ষের শুনানি শেষে মতিন সরকারকে বৈধ ঘোষণা করে। ফলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বাঁধা কেটে যায়। ত্রিশাল উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠি হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেওয়ান সারওয়ার জাহান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আদালতের রায়ের পর ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আর কোনো বাঁধা নেই। নির্বাচন কমিশন সুবিধা মতো সময়ে স্থগিত হওয়া এ উপজেলায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554693278630.jpg

এদিকে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেষ হাসি কে হাসবেন, ইকবাল নাকি মতিন সরকার। এমন বাস্তবতা যখন মুখোমুখি তখন বড় রকমের শোডাউন করে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন।

স্থানীয় ডিগ্রি কলেজ মাঠে রোববার তাকে বিজয়ী করতে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা একত্রিত হন। এ সময় কয়েক ঘণ্টার জন্য স্থবির হয়ে পড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাস চলাচল। সমাবেশস্থলে তিল ধারণের ঠাঁই না থাকায় মূলত দলীয় নেতাকর্মীরা সামনের ওভার ব্রিজ এবং মহাসড়কের বাইরে অবস্থান নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নৌকার ওই বিরোধীতাকারী নেতাদের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘এখনো সময় আছে নৌকার পক্ষে এসে দাঁড়ানোর। অন্যথায় আপনাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সমাবেশে নৌকার প্রার্থী ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ত্রিশালবাসী হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীর মতো যোগ্য সংসদ সদস্য পেয়েছে। এই ত্রিশাল ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত এক জনপদ। মাত্র তিন মাসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ৮০ কিলোমিটার সড়ক অনুমোদন করেছেন। আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে মডেল ত্রিশাল উপজেলা উপহার দেব। আমি গত ৭ বছরে ত্রিশালের প্রায় তিন হাজার মসজিদ-মাদরাসা ও এতিমখানায় রেকর্ড সহায়তা করেছি। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে আমি চেয়ারম্যানের ভাতাও আপনাদের মাঝে বিলিয়ে দিব।’

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র