Alexa

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

নোয়াখালীতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচারণা

নোয়াখালীতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচারণা

উপজেলা নির্বাচন, ছবি: বার্তা২৪

শেষ মূহুর্তের প্রচারণায় জমে উঠেছে নোয়াখালীর ৭টি উপজেলা পরিষদের মধ্যে ৬টি উপজেলার চতুর্থ ধাপের নির্বাচন। ৩১ মার্চের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের কাছে ছুটছেন প্রার্থীরা। আর যোগ্য প্রার্থী বেছে নেয়ার পাশাপাশি নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ চান ভোটাররা।

এদিকে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সমর্থকরা। নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার স্বতন্ত্র ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুজ্জামান রিপনের প্রধান সমন্বয়কারী আওয়ামীলীগ নেতা জসিম উদ্দিন আরমানকে হত্যার হুমকি দিয়েছে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকরা। এর প্রতিবাদে বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেলে সোনাইমূড়ীর চাষীর হাট এলাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলন জসিম উদ্দিন আরমান ও রিপনের সমর্থকরা।

নোয়াখালীর ৭টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এ উপজেলায় কোন ভোট হচ্ছে না। এ ছাড়াও ৬টি উপজেলার মধ্যে সুর্বণচর, সোনাইমড়ী ও সেনবাগ উপজেলায় শুধু চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় বাকী ৩টি উপজেলা বেগমগঞ্জ, চাটখিল ও কবিরহাট উপজেলায় ৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী, ১৭ ভাইস চেয়ারম্যান ও ১৯ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

চাটখিল উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির আওয়ামী লীগের প্রার্থী। তার সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল চৌধুরী।

বেগমগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক বাদশা। তার সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি মোহাম্মদ উল্যাহ।

কবিরহাট উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলি। তার সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও জেলা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করা সদস্য আলা বক্স তাহের টিটু ও কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য খাদেমা আক্তার রোজি।

এই উপজেলায় জমজমাট লড়াইয়ের শেষ সময়ে সংঘাত ও সহিংসতার কারণে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন থেকে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রবিউল আলম।

যদিও নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রবিউল আলম।

৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের ভোট গ্রহণ। ৬টি উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৭১জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৯৭ ও নারী ভোটার ৬ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৭৪জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৫০৬টি।

 

আপনার মতামত লিখুন :