Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ঝিনাইদহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

ঝিনাইদহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা
ছবি: উপরে বাঁ থেকে অ্যাড. আব্দুর রশিদ, শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনা, জাহাঙ্গীর হোসাইন, জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী ঠান্ডু।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ঝিনাইদহ
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচনে ৪টি উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২টি নৌকা ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছে।

চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীরা হলেন- সদরে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. আব্দুর রশিদ, হরিণাকুন্ডুতে মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন, শৈলকুপায় আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনা ও কালীগঞ্জে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর সিদ্দিকি ঠান্ডু।

কালীগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান পদে শিবলী নোমানী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শাহানাজ পারভীন নির্বাচিত হয়েছেন। শৈলকুপায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাহিদুন্নবী কালু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিলুফার ইয়াছমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাশিদুর রহমান রাসেল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরতী দত্ত নির্বাচিত হয়েছেন।

হরিণাকুন্ডুতে ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শিলু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রেশমা খাতুন নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে ৪টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

এবারে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোট চলাকালে কালীগঞ্জ উপজেলার ঈশ্বরবা দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে কতিপয় দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে জোর পূর্বক ৪৭৩টি ব্যালট পেপারে সিল দিয়ে বাক্সে ভরে দেয়। ফলে ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে কেন্দ্রটির নির্বাচন স্থগতি করা হয়েছে। এছাড়াও সকালে শৈলকুপা উপজেলার উত্তর মির্জাপুর ভোট কেন্দ্রের বাইরে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র