Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দুটিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে স্বতন্ত্র জয়ী

দুটিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে স্বতন্ত্র জয়ী
ছবি: বাম থেকে কাজী এমদাদুল হক, আব্দুল মজিদ শিকদার বাচ্চু ও মোঃ বেলায়েত হোসেন ঢালী।
স্টাফ করেসপেন্ডন্ট
বরিশাল
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল জেলার ৯ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে তিনটি উপজেলায়। বাকি ছয়টি উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। 

ভোটের ফলাফল অনুযায়ী জেলার বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং হিজলা উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (২৪ মার্চ) রাতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ভোটের ফলাফল অনুযায়ী উজিরপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আব্দুল মজিদ শিকদার বাচ্চু ৯২ হাজার ১৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ হাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৬৭ ভোট।

বাবুগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কাজী এমদাদুল হক ৩০ হাজার ৪৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল হক ফিরোজ পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৯৯ ভোট।

অপরদিকে হিজলা উপজেলায় আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ বেলায়েত হোসেন ঢালী ২৫ হাজার ২০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রাথী সুলতান মাহমুদ পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৯২ ভোট।

এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ছয় উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, বরিশাল সদর উপজেলায় সাইদুর রহমান রিন্টু, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় শামসুল আলম চুন্নু, বানারীপাড়া উপজেলায় গোলাম ফারুক, গৌরনদী উপজেলায় সৈয়দা মনিরুন্নাহার মেরী, আগৈলঝারা উপজেলায় আবদুর রইচ সেরনিয়াবাত এবং মুলাদী উপজেলায় তরিকুল হাসান খান মিঠু।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র