Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

উপজেলা নির্বাচন

ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
রংপুরের একটি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে, ছবি: বার্তা২৪
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ১১৭টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনার কাজ।

রোববার (২৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে শুরু হলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে এ ভোট গ্রহণ। সকালে ভোট গ্রহণের শুরুতে ভোটারের উপস্থিতি কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারের সংখ্যাটা কিছুটা বাড়তে থাকে। বরিশাল, রংপুর, লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন উপজেলায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।

তবে চট্টগ্রামের একটি কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। এদিকে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জনের মতো আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া ভোটের নিরাপত্তায় মাঠে করা নিরাপত্তায় ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেড় লক্ষাধিক সদস্য।

এবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো রংপুর সদর, গোপালগঞ্জ সদর, মানিকগঞ্জ সদর, মেহেরপুর সদরে ইভিএমে ভোট হয়েছে। এতে ব্যাপক আনন্দের সাথে এ অঞ্চলের মানুষদের ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে দেখা গেছে।

ট্যাবের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করে এসব উপজেলার ভোট সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। ভোটের জন্য সকল নির্বাচনী এলাকায় আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে রংপুর, বরিশালসহ ২৫ জেলার ১১৭টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ হয়েছে। ১১৭ উপজেলায় ৯ হাজার ২৯৮টি ভোটকেন্দ্র ছিলো। আর ভোটার ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫১ জন।

এতে চেয়ারম্যান পদে ৩৪০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৮৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে, চেয়ারম্যান পদে ৩৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ছয়টি উপজেলার সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেগুলোতে ভোট হবে না। সেগুলো হলো- বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া, মাদারীপুরের শিবচর, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ, নরসিংদীর পলাশ এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা।

তৃতীয় ধাপে নির্বাচনের উপজেলাগুলোর মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফও রয়েছে। ভোট সামনে রেখে এখানে আশ্রয় পাওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের চৌহদ্দির বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

এদিকে, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় প্রার্থিতা বাতিল হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রতীক ব্যালটে ছাপানোয় নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ভোট আগামী ৩১ মার্চ এবং পঞ্চম ধাপের ভোট হবে ১৮ জুন।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র