Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপস করা হবে: মেয়রপ্রার্থী আতিক

নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপস করা হবে: মেয়রপ্রার্থী আতিক
বক্তব্য রাখছেন মেয়রপ্রার্থী আতিক (ফাইল ফটো), ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হলে নগরবাসীদের জন্য নগর অ্যাপস করে অটোমেশনের মাধ্যমে নগরবাসীকে সেবা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপসের ব্যবস্থা করব। কেননা এখন সবার হাতে মোবাইল ফোন। বিএনপি আমলে যে ফোন ছিল লাখ টাকা সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে এক হাজার টাকায় পাওয়া যায়। এই ফোন দিয়ে আপনারা যেমন সেলফি তোলেন ঠিক তেমনি কোথাও ম্যানহোলের ঢাকনা খোলা থাকলে, কোথাও অনিয়ম দেখলে কষ্ট করে ছবি তু্লে নগর অ্যাপসে পাঠাবেন। আমি কথা দিচ্ছি,  ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আমি সমস্যা সমাধান করব।’

বাংলাদেশ কৃষক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত মত বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জীবনে সততার সাথে চলার শিক্ষা বাবা মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৬১ সালে রিটায়ার্ড করেছেন। আমরা ১১ ভাইবোন, আমি সবার ছোট।
আমার মা অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছেন আমাদের। বালিশের তলায় জামা রেখে দিতেন, যাতে ইস্ত্রী করতে না হয়। আজকে সেখান থেকে আমি এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছি।
আমি যে সততা জানি,আপনাদের সাথে নিয়ে একটা সুন্দর নগর গড়ব।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে সিটি কর্পোরেশনের সকল ধরনের সার্টিফিকেট অটোমেশনের মাধ্যমে অনলাইনে দেওয়া হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘নগরপিতার কাছে মানুষ চায় ফুটপাত দখলমুক্ত ঢাকা শহর, নতুন প্রজন্ম চায় খেলার মাঠ, বোনেরা চায় নিরাপদ বাস, প্রবণীরা চায় উন্মুক্ত আধুনিক পার্ক। এগুলো আমি মনে করি তাদের দাবি নয়, সেগুলা তাদের অধিকার।’

বিজিএমইএ সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘আমি বলে কিছু নেই, আমরা মিলে সবাই। আমরা যদি একসাথে হই তাহলে অবশ্যই একটি সুন্দর নগর উপহার দিতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে মেয়রপ্রার্থী আতিক আরও বলেন, ‘নৌকার কোন ব্যক গিয়ার নাই। নৌকার গিয়ার একটাই ফ্রন্ট গিয়ার।’

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তেরও ঘোষণা দেন তিনি।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘যেখানেই যাই সেখানে মেয়রপ্রার্থী আতিকের প্রশংসা শুনি। সবাই বলছেন তিনি প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের যোগ্য উত্তরসুরি হতে পারবেন।’

হানিফ বলেন, ‘জনগন এখন উন্নয়নের পক্ষে, শান্তির পক্ষে। নৌকার প্রার্থী আতিকুল ইসলামের বিজয় নিয়ে তাই ভাবনার কোন কারণ নেই।’

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। সরকারের মধ্যে সরকার গঠন করে তারা কমিশন বাণিজ্য করত।’

কৃষকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হালিম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লাসহ অনেকে। 

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র