Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়ন করব: আতিকুল

ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়ন করব: আতিকুল
অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানন্ত্রী শেখা হাসিনা ঢাকাকে নিয়ে যে ভিশন দেখছেন, তা বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত ঢাকা উওর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। ঢাকা মহানগর উওর আওয়ামী লীগ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

সভায় আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন মঙ্গা, বিদ্যুৎ সমস্যা, ছিটমহল সমস্যা এবং জ্বালাও-পোড়াও দূর হয়েছে। তাহলে এ দেশের ঢাকা শহরের মানুষ এখন কী চায়? তারা চায় একটি দখলমুক্ত ফুটপাত, খেলার মাঠ, জলজট-যানযট মুক্ত ও মশামুক্ত একটি শহর। এগুলো তাদের যৌক্তিক দাবি। আমরা যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি তাহলে এই সমস্যা আমর দূর করতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘কথা বলা সহজ, কিন্তু করা কঠিন। সেই কঠিনই আবার কঠিন না, যদি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করি। আমার বাবা মা শিখিয়েছে কিভাবে সততার সঙ্গে কাজ করতে হয়। তাই আমি কথা দিতে চাই আমার সততা এবং সাহস দিয়ে ঢাকাকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/17/1550400752439.jpg

এ সময় ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উওর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ আতিকুল ইসলামের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘আতিকুল ইসলাম ভাল এবং যোগ্য লোক। তাকে নির্বাচিত করার লক্ষে আপনারা সবাই কাজ করবেন।’

আতিকুল ইসলামকে নির্বাচনে জয়ী করতে হবে জানিয়ে ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উওর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আতিকুল ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তাই আমাদের দায়িত্ব হবে তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করা এবং আমরা সবাই তার পাশে আছি।’

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য কর্নেল ফারুক খানসহ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র