Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রাজশাহীতে ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ বিএনপির পাঁচ নেতা

রাজশাহীতে ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ বিএনপির পাঁচ নেতা
বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেট
রাজশাহী
বার্তা২৪.কম  


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর আট উপজেলার মধ্যে তিনটি উপজেলায় ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির পাঁচজন নেতা। এদের মধ্যে তিনজন চেয়ারম্যান পদে, একজন ভাইস-চেয়ারম্যান এবং একজন নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন।

গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে কারচুপি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে আসন্ন উপজেলা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। তবে রাজশাহীর ৮টি উপজেলার তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এ নেতারা। তবে অন্য ৫টি উপজেলায় বিএনপির কোনো নেতা প্রার্থী হননি।

জানা যায়, বাঘা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন। গত উপজেলা ভোটে তিনি উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন।

এছাড়া বাঘা উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. মখলেছুর রহমান মুকুল। আর নারী ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী ফারহানা দিল আফরোজ।

বাগমারা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যার পদে ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদেও আছেন।

এছাড়াও পুঠিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা মোখলেসুর রহমান। তিনি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি।

জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, দলীয়ভাবে বিএনপি আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। দল থেকে নেতাকর্মীদের সব ধরনের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কেউ যদি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়, তবে দলের হাইকমান্ড এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রে জানাবো।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র