Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জনপ্রিয়তার কারণেই উপজেলার চেয়ারম্যান হতে চান মাসুদ

জনপ্রিয়তার কারণেই উপজেলার চেয়ারম্যান হতে চান মাসুদ
মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
রংপুর
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রংপুরের পীরগাছাতে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে এখন মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ। সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে উপজেলার সর্বত্রই চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠন এর নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাসুদের ছবি দিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের পোস্টার দিয়ে চেয়ারম্যান পদে সকলের কাছে দোয়া চাইছেন।

ইতোমধ্যে পীরগাছা উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার আগ্রহ প্রকাশ করে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক বরাবর চিঠিও দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)। জেলা আওয়ামী লীগ থেকে ইতোমধ্যে তার নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পীরগাছা উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি হাট-বাজার ও গ্রামে গ্রামে তার পক্ষে চলছে ব্যাপক গণসংযোগ।

দলের কাছে পরিচ্ছন্ন ছাত্র রাজনীতির আদর্শ হিসেবে পরিচিত মাসুদের যেমন সাংগঠনিক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তেমনি তিনি পরোপকারী, দরদি ও দক্ষ সংগঠক হিসেবেও বেশ পরিচিত। নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও রয়েছেন সমান জনপ্রিয়তা। একারণে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তারুণ্যের প্রতিনিধি হিসেবে মাসুদকেই দলীয় প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় ভোটাররা।

এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে মাসুদের মত প্রার্থীর প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তরুণরা। এব্যাপারে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সরকার বলেন, ‘১/১১ এর সেনা সমর্থিত অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শেখ হাসিনার কারামুক্তি আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ছিলেন মাসুদ ভাই। তার মতো পরীক্ষিত মুজিব সৈনিকদের মূল্যায়ন করা উচিত’।

অন্যদিকে, তাম্বুলপুর ইউনিয়নের নেকমামুদ এলাকার নতুন ভোটার ইসরাত জেসমিন জুঁই বলেন, ‘এখন তরুণদেরকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত। সবখানেই তারুণ্যের জয়। তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। সে কারণে পীরগাছা মাসুদ ভাইয়ের মত একজন প্রার্থী এখন সময়ের দাবি’।

পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের পাওটানা বাজারের কাছে কথা হয় আবুল হোসেন নামে এক বয়স্ক ব্যক্তির সাথে। তিনি বলেন, ‘হামার চ্যাংড়া (যুবক) ছাওয়াক দরকার। মাসুদ হামার জাগার ছাওয়া। তার কোনো অহংকার নাই। হামরা চাই জাগার ছাওয়া দায়িত্ব পাউক’।

ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছেন মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ১/১১ তে নেত্রী মুক্তি আন্দোলনসহ বিরোধী দলের আন্দোলন সংগ্রামে সোচ্চার থেকেছি। পীরগাছা উপজেলায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করে গেছি। আমাকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হলে সরকারের উন্নয়নকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দিতে কাজ করবো। পীরগাছাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি মডেল উপজেলায় হিসেবে গড়তে কাজ করবো’।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র