Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

স্মার্ট ঢাকার মেয়র হবেন নাগরিকরা: আতিক

স্মার্ট ঢাকার মেয়র হবেন নাগরিকরা: আতিক
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোশনকে ‘স্মার্ট ঢাকা’ করতে চান। আর নাগরিকরাই এই স্মার্ট ঢাকার মেয়রের কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম আতিক।

বিজিএমই-এর সাবেক সভাপতি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ঢাকাকে ডিজিটাল নগর আপসের মাধ্যমে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চান। সেই আপসের মাধ্যমে ঢাকাবাসী ছবি তুলে পাঠিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মেয়রের ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হবেন।’

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি স্মার্ট ঢাকা চাই। আর এই স্মার্ট ঢাকার জন্য আমাদের হাতে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ‘নগর‘ অ্যাপস ব্যবহার করে ঢাকাবাসী ছবি তুলে পাঠাবেন। বাকি কাজ হচ্ছে ডিএনসিসির। সাত দিনের মধ্যে যদি না করে, তাহলে তখন মেয়রকে জবাবদিহিতা করতে হবে।‘

উদাহরণ হিসাবে তিনি বলেন, ‘ময়লায় স্তুপের ছবি তুলে দেবেন; লাইটবিহীন ল্যাম্পোস্ট থাকলে ছবি তুলে দেবেন, ম্যানহোলের ঢাকনা না থাকলে ম্যানহোলের ছবি তুলে দেবেন- এই ছবি পাঠিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে রেস্পেক্টিভ ডেস্কে (প্রত্যাশাপূরণ দপ্তর) যাবে।’

‘যদি প্রত্যাশাপূরণ দপ্তর সাত দিনের মধ্যে কাজ না করে, তখন স্বয়ংক্রীয়ভাবে মেয়রের নজরে আসবে। দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে জবাবদিহিতা চাইবে মেয়র।’

এভাবে নাগরিকরা মেয়রের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ছবি পাঠিয়ে দিলেই আপনারা মেয়রের অবস্থানে কাজ করবেন। আপনারা কিন্তু কাজ করবেন কাউন্সিলর হিসেবেও।’

নির্বাচিত হলে ডিএনসিসিকে অটোমেশনের আওতায় আনতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরুন কারো ডেড সার্টিফির্কেট আনতে গেলে আমরা নিজেরাই ‘যেতে আসতে, যেতে আসতে‘ ডেড হয়ে যাই।’

‘যতো বেশি আমরা যাবো, রাস্তায় ততোবেশি ট্রাফিক জ্যাম হবে। সুতরাং ডেড সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট লাগতে পারে; অন্যান্য সার্টিফিকেট লাগতে পারে; অটোমেশনের মাধ্যমে হয়ে যাবে। শুধু একদিন গিয়ে সার্টিফির্কেটি নিয়ে আসতে হবে।‘

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদুর রহমান খান ইমরান ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র