Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

‘আমি আবার এমপি হলে ফুল মন্ত্রী হবো’

‘আমি আবার এমপি হলে ফুল মন্ত্রী হবো’
ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত রাঙা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

এবার নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারলে প্রতিমন্ত্রী নয় পূর্ণ মর্যাদা সম্পন্ন মন্ত্রী হবেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বর্তমান সরকারের এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙা।

বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তার নির্বাচনী এলাকায় গঙ্গাচড়ার বেতগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাঠে এক পথসভায় একথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী রাঙা বলেন, ভোটের আগে আমাকে এত ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিলে, ভোটের পরে কি দিয়ে বরণ করবেন। ভোটের পরের জন্য কিছু মালা রাখেন। তিনি বলেন, আমি এখানে হাসপাতালের বিল্ডিং, মুক্তিযোদ্ধা ভবন ও কমপ্লেক্স, নতুন নতুন রাস্তা-ঘাটের অনেক উন্নয়ন করেছি। এবার বাড়ি যাওয়ার রাস্তা পাকা করে দেব।

জাপা মহাসচিব বলেন, আমি আবার এমপি হলে ফুল মন্ত্রী হবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এরশাদ সাহেব আমাকে খুব আদর করেন। তারা আমাকে মহাজোটের পক্ষে মনোনয়ন দিয়েছেন। গঙ্গাচড়াতে মহাজোটের মার্কা লাঙ্গল। বিগত সময়ের এমপিদের চেয়ে আমি অনেক বেশি উন্নয়ন করেছি। আমার চাইতে অন্য কেউ গঙ্গাচড়ায় বেশি কাজ আনতে পারবে না। আর কেউ এখানে এমপি হলে মন্ত্রী হতে পারবে না।

এদিকে জাপার নতুন মহাসচিবের দায়িত্ব নেয়ার পর বুধবারই ছিল রাঙার প্রথম রংপুর আগমন। তাই নতুন মহাসচিবকে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ভালোবাসার ফুলে ফুলে বরণ করে নিয়েছেন।

বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দর পৌঁছলে প্রতিমন্ত্রী রাঙাকে সেখানে ফুলের শুভেচ্ছা সিক্ত করেন রংপুর জেলা ও মহানগর জাপার নেতৃবৃন্দ। সেখান থেকে নির্বাচনী এলাকা গঙ্গাচড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে পাগলাপীরের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সংলগ্ন সড়কের দু’পাশে দাড়িয়ে থাকা শত শত নারী পুরুষ তাকে অভিনন্দন জানান।

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বর্তমান সাংসদ মসিউর রহমান রাঙা দুপুর বারোটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৫টি পয়েন্টের অনুষ্ঠিত পথসভায় উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে লাঙলে ভোট চেয়ে বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র