Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কিশোরগঞ্জ-৪: তৌফিকে ঐক্যবদ্ধ আ.লীগ, দ্বন্দ্বে বিএনপি

কিশোরগঞ্জ-৪: তৌফিকে ঐক্যবদ্ধ আ.লীগ, দ্বন্দ্বে বিএনপি
কিশোরগঞ্জ-৪: তৌফিকে ঐক্যবদ্ধ আ.লীগ, দ্বন্দ্বে বিএনপি, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে মজবুত ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় আছে হাওরাঞ্চলীয় ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা অধ্যুষিত কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে। একক ও ঐক্যের প্রার্থী প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মেদ তৌফিক সাংগঠনিক যোগ্যতা ও নেতৃত্বের দক্ষতায় পুরো দলকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলের সর্বত্র শক্তিশালী জনসমর্থন গড়ে তুলেছেন। তুলনায় বিএনপি দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জর্জরিত।’

আসন্ন নির্বাচনের হাল-হকিকত সম্পর্কে বলতে গিয়ে বার্তা২৪.কমকে জানান বেসরকারি স্কুল শিক্ষিকা সাবেরি আলম। তিনি বলেন, ‘তার পিতা বর্তমান রাষ্ট্রপতি এ আসনের সাত বারের এমপি। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রকৌশলী তৌফিক একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে উন্নয়ন ও সংগঠন গড়ার মাধ্যমে এলাকার প্রতিটি বাড়ি-মহল্লা চষে বেড়িয়েছেন। নিজের হাতে তিনি নতুন প্রজন্মকে আওয়ামী রাজনীতিতে সংযুক্ত করে পিতার রক্ত ও রাজনীতির যোগ্য উত্তরাধিকার হিসেবে মানুষের সঙ্গে মিশে আছেন। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে নৌকার মাঝি হিসাবে তার কোনো বিকল্প নেই।’

‘সততা, পরিশ্রম ও নীতিই হলো- প্রকৌশলী তৌফিকের প্রধান শক্তি। এলাকার প্রতিটি উন্নয়ন কাজে নিজে তদারকি করে তিনি অন্যায়, অপচয় ও দুর্নীতি প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন। বিনয়, ভদ্রতা ও সৌজন্যের মাধ্যমে তিনি সর্বস্তরের মানুষকে আপন করে নিয়েছেন।’ বললেন অষ্টগ্রামের আবদুল্লাহপুরের ব্যবসায়ী ইন্নাস আলী। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পুত্র বলে নয়, এলাকার সন্তান ও জননেতা হিসাবে সকল মানুষের জন্য তার দরজা খোলা। বাংলাদেশের আর কোনো সংসদ সদস্য এতো বেশি দিন ও সময় এলাকায় থাকে বলেও আমার মনে হয় না। বিপদে-আপদে মানুষ তাকে সব সময়ই হাতের কাছে পায়।’

সাধারণ মানুষের মতো আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেন, এলাকার জন্য কঠোর পরিশ্রমের ফল প্রকৌশলী তৌফিক পেয়েছেন। তাকে ছাড়া আর কাউকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা প্রার্থী হিসাবে কল্পনাও করে না। তিনি শক্তিশালী সংগঠন ও দৃঢ় জনভিত্তির মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একজন বিশ্বস্ত, জনপ্রিয় ও অবিচল রাজনৈতিক যোদ্ধা।

‘অবহেলিত হাওরাঞ্চলে যুগান্তকারী উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনের মাধ্যমে প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মেদ তৌফিক দল ও জনমনে আশার মশাল হয়ে জ্বলজ্বল করছেন। বৃহত্তর হাওরকে শিক্ষা, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের পথে চালিত করে আগামীর সমৃদ্ধ ভবিষ্যতে দিকে নিয়ে যাওয়ার কাণ্ডারী তিনি। হাওর ও হাওরবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য তার যোগ্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি’- জানান স্থানীয় সমাজসেবক ধ্রুব নারায়ণ রায় চৌধুরী।

জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক ও শক্তিশালী প্রার্থী প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মেদ তৌফিকের প্রধান প্রতিপক্ষ হবে বিএনপি। কিন্তু সাংগঠনিকভাবে দলটি দ্বন্দ্ব-সংঘাতে আকীর্ণ। বিএনপি নির্বাচনে প্রার্থী নির্ধারণেও ঐক্যবদ্ধ নয়। দলীয় সূত্রে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান ও তরুণ উদীয়মান নেতা সৈয়দ অসীমের নাম উচ্চারিত হচ্ছে। একদা ছাত্রলীগ, বাকশাল, কৃষক জনতা লীগ হয়ে বিএনপিতে আসা প্রবীণ ফজলুর রহমান মূলত ঢাকাতেই থাকেন এবং এলাকার সঙ্গে ক্ষীণ যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তদুপরি বিভিন্ন সময়ে দলবদলের কারণে আস্থা ও ইমেজ সঙ্কটের একটি সমস্যাও তাকে ঘিরে রয়েছে। তুলনায় বিএনপির নবীন নেতা সৈয়দ অসীম জনসংযোগ ও দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের নিরিখে বেশ এগিয়ে।

বিএনপির সমর্থক আলী নিয়ামত খানপাঠান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে সংগঠন ও প্রার্থী ঠিক করে রেখেছে, বিএনপি তা পারেনি। ইটনা বিএনপির সেক্রেটারি স্বপন ঠাকুরসহ তরুণ নেতারা আন্দোলন-সংগ্রাম করে সংগঠন ধরে রেখেছেন। কিন্তু কেন্দ্র ও জেলা এ আসনের ব্যাপারে মনোযোগী নয়। যারা বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচন করতে চান, তারাও সক্রিয় নন। নমিনেশন পেলে তারা মাঠে নামবেন বলে অপেক্ষা করছেন। এমন অবস্থায় আওয়ামী লীগের তৈরি মাঠে তারা বিশেষ সুবিধা করতে পারবেন না।’

মিঠামইনের বিএনপি কর্মী আব্বাস মৃধা বলেন, ‘নমিনেশন নিয়ে এসে কয়েকটি ভাষণ-বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে উত্তেজিত করে কাছে টানার দিন শেষ। আবেগ, উচ্ছ্বাস বা হঠকারিতা নয়, মানুষ এখন সচেতন বিধায় জেনে-বুঝে ভোট দেন। ফলে বিএনপির উচিত প্রার্থী চাপিয়ে না দিয়ে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এই আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া।’

স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র মনে করে, কেন্দ্রে ফজলুর রহমান শক্তিশালী হলেও এলাকায় সৈয়দ অসীম জনপ্রিয় ও জনসম্পৃক্ত। বার বার দলবদল করায় এবং এই আসনের নির্বাচনে একাধিক বার পরাজিত ফজলুর রহমানের চেয়ে তরুণ ও জনপ্রিয় সৈয়দ অসীমের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্ভাবনা বেশি। সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের প্রায় ৪০% এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনের ইটনার এক প্রান্তে ফজলুর রহমানের বাড়ি ও সমর্থন। সৈয়দ অসীমের সমর্থনে রয়েছে মিটামন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা। এসব বিবেচনাও মনোনয়নের সময় সামনে রাখতে হবে।

বিএনপির প্রার্থী যেই হোক, তাকে লড়তে হবে দলীয় দ্বন্দ্ব ও অনৈক্য সামান দিয়ে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মেদ তৌফিকের বিরুদ্ধে। তদুপরি এই আসনে বিএনপির জয়ের রেকর্ড নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যগত এই আসনে সে কারণেই জনপ্রিয় প্রার্থী প্রকৌশলী তৌফিককে রাজনীতির ময়দানে আর ভোটের মাঠে টেক্কা দেওয়া বিএনপির পক্ষে খুব সহজ বিষয় হবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ছবি: বার্তা২৪.কম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ছয় মাস পার হলেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এদের মধ্যে আট দলকে জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। আর এ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন প্রায় এক হাজার ৮৫০ জন। ভোটের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের এবং ৯০ দিনের মধ্যে দলের নির্বাচনী খরচের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেই হিসাবে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আর দলের ক্ষেত্রে সেই সময় শেষ হয় এপ্রিলে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট সময়ে দলীয় হিসাব ইসিতে জমা দেয়। বাকি ৩৮টি দলকে ৯ জুনের মধ্যে হিসাব জমা দিতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয় ইসি। ওই চিঠির পর ৩০টি দল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে তা না দিলে দলগুলোকে সতর্ক করে এক মাসের মধ্যে হিসাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়।

সবমিলিয়ে আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাব জমা দেয়নি।

এদিকে নোটিশের পরও হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আট দলকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৪৪ সিসিসি (৫) অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দলগুলোকে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে কমিশন সচিবালয়। দলগুলো হচ্ছে- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব দল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি তাদের আমরা নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও অনেকে হিসাব জমা দেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।'

আর নির্বাচনে ব্যক্তিগত ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় ৩৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। আর নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় চাওয়ায় তাদের একমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দেননি। তাদের মধ্যে দুইজন প্রার্থী সময় চেয়ে আবেদন করায় তাদের এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।'

এছাড়াও নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে চিঠি দিয়েছে কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা জানান, ২০১৮ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই করিয়ে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র