Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বৃহস্পতিবার তফসিল: আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার তফসিল: আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ
সংবাদ ব্রিফ্রিংয়ে ইসি সচিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় নির্দেশনা দেবো। ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচি অবহিত না হলেও কেউ যদি তফসিল ঘোষণায় বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।

বুধবার (০৭ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

তফসিলের পরে জনগণের অসুবিধা হয় এমন কোনো কর্মসূচি হলে কমিশন কী করবে জানতে চাইলে একথা বলেন ইসি সচিব।

তিনি বলেন, আমরা এখনও কোনো দলের কর্মসূচির বিষয়ে অবহিত নই। যখন জানব তখন আলোচনা করবো। তফসিল ঘোষণার পরই আইন শৃঙ্খলাবাহিনীও ইসির অধীনে থাকবে। তখন এ ধরনের কোনো পরিস্থিতি হলে (পরিস্থিতি মোকাবেলায়) আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

ইসি সচিব বলেন, ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণায় আমাদের পূর্ব সিদ্ধান্তে অটল থাকতে বলেছে আওয়ামী লীগ।বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের যেনো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া না হয়।

তিনি বলেন, “ইসি যেন সংবিধান ও আইন মেনে কাজ করতে পারে, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে। নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা আচরণ বিধিমালা মেনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।”

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে নাগরিক ঐক্যের ‘বাকবিতণ্ডা’কে কেন্দ্র করে অনিবন্ধিত দলের  সঙ্গে সংলাপ না করার পরামর্শ দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, “অনিবন্ধিত দলের সঙ্গে সংলাপ না করার পরামর্শ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিষয়টি আপনাদের অবহিত করলাম। কমিশন সংলাপ করছে; উনারা (আওয়ামী লীগ) পরামর্শ দিয়েছে। কার সঙ্গে সংলাপ করবে না করবে তার সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।”

তিনি বলেন, আজকের পর থেকে কমিশন যাতে কারো সঙ্গে নতুন করে সংলাপে বসা না হয় সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার ব্যাপারে আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি রয়েছে। সব দল অংশ নেবে আশা ইসির এবং সব দলের জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত রয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন করবে-সেক্ষেত্রে কোনো প্রভাব সৃষ্টি করবেন কিনা এমপিরা-জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে তাদের যারা প্রার্থী হবেন তারা আচরণ বিধি মেনে প্রচারণা চালাবেন। সব রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নেবে বলেও মনে করেন নির্বাচন কমিশন সচিব।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে অক্টোবরের শুরুতে ভোটের পরিকল্পনা

এরশাদের আসনে অক্টোবরের শুরুতে ভোটের পরিকল্পনা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শূন্য ঘোষিত রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনের জন্য অক্টোবরের প্রথম পাঁচ দিনকে পরিকল্পনায় রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনের মতোই উপ-নির্বাচনেও এই আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের কথা ভাবছে কমিশন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সচিবালয় এরশাদের আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের পর আসনটিতে উপ-নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। আজ ইসির ৫০তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শুরুতে আগস্টে ভোটের পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন দিবস উদযাপনের বিষয়টি মাথায় রেখে অক্টোবরের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে ভোট করার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নব্বই দিনের বাধ্যবাধকতা থাকায় অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শূন্য হওয়ার দিন থেকেই নব্বই দিন গণনা করা হয়। ফলে আগামী ১১ অক্টোবরের মধ্যে ওই আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা আছে।

গত ১৪ জুলাই এইচএম এরশাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ১৬ জুলাই সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ.ই.ম গোলাম কিবরিয়া আসনটি শূন্য হওয়ার গেজেট প্রকাশ করেন।

সংবিধানের ১২৩(৪) দফায় বলা হয়েছে- সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে নব্বই দিনের মধ্যে পদটি পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এ আসনে ইভিএম ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য উপ-নির্বাচনেও ইভিএমে ভোট করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইসির প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ আগস্ট ঈদু আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২৩ আগস্ট জন্মাষ্টমী এবং আগস্ট মাসরে ৮/৯ তারিখ পবিত্র হজ্জ পালন হবে। আর ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যে কোনো নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩৫-৪৫ দিন সময়ের প্রয়োজন হয়।

এসব দিক বিবেচনায় সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের সুবিধাজনক যে কোনো দিন, ১ থেকে ৩ অক্টোবরের অথবা ১০ অক্টোবর রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রথম দিকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোটের পরিকল্পনা ছিল। ৯০ দিনের বাধ্যবাধকতার জন্যই সেপ্টেম্বরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বন্যাসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে কমিশন চাইছে অক্টোবরের শুরুর দিকে ভোট করতে। সম্ভাব্য কয়েকটি তারিখ ইতোমধ্যে প্রস্তাবনায় রাখা হয়েছে। কমিশন যেদিন চাইবে সেদিনই ভোট হবে।

নিয়ম অনুযায়ী অক্টোবরে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হলে আগস্টের শেষ অথবা ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আর সেপ্টেম্বরের শেষে নির্বাচন করতে হলে ২০ আগস্টের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই আসনে ভোটের সম্ভাব্য কিছু তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগস্টে ঈদসহ বিশেষ কিছু দিবস ও অনুষ্ঠান আছে। আজকের সভায় রংপুর-৩ আসনের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই আসনে ভোটের জন্য আগস্টের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আর অক্টোবরের ৫ তারিখের মধ্যে ভোট হতে পারে।’

উল্লেখ্য, রংপুর-৩ আসনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪১ হাজার ৬৭১ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ১০৯ জন আর মহিলা ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬২ জন।

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট
রুশেমা বেগম, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুশেমা বেগমের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে উপ-নির্বাচন হবে আগামী ১৮ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৫ জুলাই, বাছাই ২৮ জুলাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট এবং ভোটগ্রহণ করা হবে ১৮ আগস্ট।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসির যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুলাই রুশেমা বেগম মারা যান। এরপর দিন ১১ জুলাই এ আসন শূন্য করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। পরে ১৬ জুলাই নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত গেজেট পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী এমপি রুশেমার মৃত্যু

আরও পড়ুন: রুশেমার মৃত্যুতে স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র