Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বরিশাল-১: নৌকার প্রার্থী হাসানাত, ধানের শীষে একাধিক

বরিশাল-১: নৌকার প্রার্থী হাসানাত, ধানের শীষে একাধিক
বরিশাল-১ আসন। ছবি: বার্তা২৪.কম
সিদ্দিকুর রহমান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি বিজয় গুপ্ত ও প্রসিদ্ধ দধির জন্য সারাদেশ জুড়ে পরিচিত বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলা। আর এই দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসন। প্রায় ৩১৮ বর্গ কিলোমিটারের এই আসনে মোট জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ২২০ জন।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এই আসনটির পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইতোমধ্যে দুই উপজেলায় বেশ কয়েকটি দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা করতে দেখা গেছে।

তবে এই আসনটিতে প্রধান দুটি দলের শরিকদের কোনো আধিপত্য নেই। এখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ বিএনপি। দেশ স্বাধীনের পর বরিশাল-১ আসন (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) থেকে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুর বোন জামাতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত।

নব্বই-পরবর্তী গণতান্ত্রিক যাত্রার শুরুতে ৯১’ ৯৬-এর নির্বাচনে ওই আসনটিতে জয়ী হন শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ওই পরিবারের প্রভাব দীর্ঘদিনের। আর হাসানাতেই ভরসা স্থানীয় আওয়ামী লীগের। তাই দলে আর কেউ মনোনয়নও চাইছেন না।

সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘আমাদের অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। শুধু এই আসন নয়, পুরো দক্ষিণাঞ্চলে তাকে ঘিরেই আওয়ামী লীগের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে। এছাড়াও এই আসনে তিনিই আমাদের একক প্রার্থী।’

বর্তমানে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ।

অপরদিকে এক সময়ের শক্ত ঘাঁটি গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার বিএনপি এখন কোণঠাসা। একে তো মামলা তার ওপর রয়েছে দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

আগামীর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আছেন উত্তর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল। এছাড়াও মনোনয়ন চাইবেন সংস্কার পন্থী হিসেবে বিএনপি দলের বিরুদ্ধে ঘুড়ে দাঁড়ানো এবং ফের দলে ফিরিয়ে আনা সাবেক সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপন।

বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ জানান, বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। প্রার্থীরা দলের নেত্রীকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাছাড়া এই আসনে অন্য যেকোনো দলের চেয়ে ভোটার ও জনসমর্থনে বিএনপি এগিয়ে। তাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপির জয় নিশ্চিত।

দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রসঙ্গে তিনি জানান, বড় দল হিসেবে একটু মতভেদ থাকতেই পারে। তবে এতে ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না। ভোটের আগে সব মতভেদ দূর হয়ে যাবে।

এদিকে সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এই আসনটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি মাঠে সক্রিয় আছে জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের মনোনয়ন প্রার্থীরা।

বরিশাল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এমপি প্রার্থী মো. রাসেল সরদার মেহেদী। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি। ইতোমধ্যে তার অস্তিত্ব জানান দিতে সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। পাশাপাশি করেছেন মোটরসাইকেল শো-ডাউনও।

এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করলে এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন- জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ঢাকা দক্ষিণ শাখার সদস্য অ্যাডভোকেট সেকেন্দার আলী, জাপার কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম রহমান পারভেজসহ আরও কয়েকজন। আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) বরিশাল জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল।

পরিসংখ্যান মতে, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী গোলাম মাহবুবকে পরাজিত করে এমপি হন আওয়ামী লীগের আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তবে ২০০১ সালের নির্বাচনে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে পরাজিত করে এমপি হন বিএনপির প্রার্থী দলের তৎকালীন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এম জহিরউদ্দিন স্বপন। গত ২৮ বছরে এটিই ছিল হাসানাতের দুর্গে বিএনপির প্রথম সফল হানা।

এদিকে ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র অনুপস্থিতিতে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহানকে হারিয়ে এমপি হন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

বরিশাল সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে, একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসনে সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ২২০ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৭ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ২০৩ জন। এছাড়াও এই আসনটির সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১৫টি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই আসনে ভোটার সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮০ জন। এই আসনে ভোটার বেড়েছে ৩৩ হাজার ৪০ জন।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র