Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

রংপুর-৪ আসন: তিন ব্যবসায়ীর ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

রংপুর-৪ আসন: তিন ব্যবসায়ীর ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
রংপুর-৪ আসন: তিন ব্যবসায়ীর ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস, ছবি: বার্তা২৪.কম
ফরহাদুজ্জামান ফারুক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল। এ নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন সাটানোর পাশাপাশি চলছে গণসংযোগ। টেলিভিশনের টক-শো থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার চায়ের টেবিল পর্যন্ত নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াচ্ছেন বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। তরুণ-বৃদ্ধ, নবীন-প্রবীণ সবার মুখেই এখন ভোটের আলাপ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-৪ আসন।

এরশাদের জাতীয় পার্টি ২০০১ সালে এই আসনটিতে জয় পেলেও হাতছাড়া হয়ে যায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ওই নির্বাচনের পর থেকে এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে। ২০০১ সালের নির্বাচনে এ আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির করিম উদ্দিন ভরসা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন তারই আপন ভাই বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা। এখন সিনিয়র ভরসার সন্তানরা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির হয়ে রাজনীতিতে নেমেছেন। বিএনপি থেকে এমদাদুল হক ভরসা ও জাতীয় পার্টি থেকে সিরাজুল ইসলাম ভরসা স্বপ্ন বুনছেন লাঙ্গল ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে যুদ্ধে মাঠে নামার জন্য।

রংপুর-৪ আসনে এবার নৌকা, লাঙ্গল ও ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট তিন ব্যবসায়ীর নাম। যাদের একজন বর্তমান সংসদ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি। নৌকা প্রতীক নিয়ে পরপর দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সুযোগ পেলেই নিজের নির্বাচনী এলাকায় আসেন। ছুটে যান সাধারণ মানুষের কাছে। দলের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব থাকা টিপু মুনশির বিকল্প আওয়ামী লীগ নেতা এখানে নেই বললেই চলে। এ কারণে টিপু মুনশির বিকল্প কাউকে খুঁজছে না স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

এদিকে এক যুগ ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি রাজনীতিতে উজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা করলেও মাঠে নামতে পারছেন না গ্রেফতার আর মামলা ভীতিতে। আর জাতীয় পার্টি মুমূর্ষু অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে সাংগঠনিকভাবে নিজেদের শক্তি জানান দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীদের।

নির্বাচনকে ঘিরে রংপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির মধ্যে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও আওয়ামী লীগে রয়েছেন শুধু একজন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি। তাকে ঘিরে নেই জোড়ালো কোনো অভিযোগ। দলীয় নেতা-কর্মীদের দাবি, রংপুর-৪ আসনে টিপু মুনশির বিকল্প নেই।

রংপুর-৪ আসনের কাউনিয়ায় হারাগাছ বিড়িশিল্প এলাকা। এখানকার বেশিরভাগ ভোটারই কোনো না কোনোভাবে বিড়িশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদেরই কয়েকজন আবুল মিয়া, মিজানুর, খয়রাত ও আইনুল ইসলাম।

এই বিড়ি শ্রমিকরা জানান, ভোট এলেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েন এখানকার ভোটাররা। কারণ বেশিরভাগ ভোটার বিড়ি শ্রমিক হওয়ায় মালিকপক্ষের গ্রিন সিগন্যালের ওপর নির্ভর করতে হয় তাদের। বেশিরভাগই ভোটার প্রভাবিত হন মালিকের কথায়।

এই হারাগাছে রয়েছে ভরসা গ্রুপের মালিক বিএনপির প্রবীণ নেতা শিল্পপতি রহিম উদ্দিন ভরসা। তার ছেলে রংপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শিল্পপতি এমদাদুল হক ভরসা এবার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে উন্মুখ। সংসদে নতুন মুখ দেখতে তাকে ঘিরে এখানকার অনেক ভোটারও স্বপ্ন দেখছেন। তবে এখানে আওয়ামী লীগেরও কিছু নির্ধারিত ভোট রয়েছে। কারণ হারাগাছ পৌরসভার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন।

এই আসনে বিএনপি থেকে এমদাদুল হক ভরসা ছাড়াও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন- জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম রাঙা ও জেলা বিএনপির সদস্য কর্নেল আবদুল বাতেন (অব.)। তবে প্রার্থী হওয়ার দৌঁড়ে এখন পর্যন্ত শিল্পপতি এমদাদুল হক ভরসাই এগিয়ে আছেন।

অন্যদিকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হলেও প্রচারণা থেকে পিছিয়ে নেই এরশাদের জাতীয় পার্টি। এখানে এক সময় জাতীয় পার্টির বেশ জনপ্রিয়তা ছিলো। কিন্তু এখন তা নেই বললেই চলে। আর এরশাদ প্রীতি দিনদিন কমছে। এ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, সাবেক এমপি করিম উদ্দিন ভরসার ছেলে শিল্পপতি সিরাজুল ইসলাম ভরসা এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুর রহমান। তবে এরশাদের আগাম সিগন্যাল পাওয়ায় নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে মোস্তফা সেলিম বেঙ্গলকে দেখা যেতে পারে।

এ আসনে বিএনপির অবস্থানও কিছুটা ভালো। ২০ দলীয় জোটের শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর একটি বিরাট সংখ্যক সমর্থক বা ভোটার রয়েছে এখানে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি আর জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা। শেষ পর্যন্ত কোন ব্যবসায়ীর গলায় উঠবে বিজয়ের মালা, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র