হাওর ও গ্রামপর্যটন বিস্তারে জালালপুর ইকো রিসোর্ট



মাহমুদ হাফিজ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
রিসোর্টের মূল ভবন

রিসোর্টের মূল ভবন

  • Font increase
  • Font Decrease

‘তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়’

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ‘নিমন্ত্রণ’ কবিতার মাধ্যমে শহুরে বন্ধুকে গ্রামে আসার আহবান জানিয়েছিলেন। যন্ত্রনির্ভর এযুগে গ্রামজীবনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার হাতছানি দিচ্ছেন কিশোরগঞ্জনিবাসী এক ভ্রমণপ্রিয় উদ্যোক্তা, নাম তার কিমওয়া সাদ্দাত। নিজে ব্যাংকিং পেশাদার এবং শহুরে হলেও পৈত্রিকবাস ও গ্রামজীবনকে ভোলেননি। শহরের পর্যটনপ্রিয় মানুষকে গ্রাম দেখাতে পিতৃভিটায় গড়ে তুলেছেন জালালপুর ইকো রিসোর্ট। রিসোর্টকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর ও গ্রামপর্যটন বিকশিত হচ্ছে। সম্প্রতি এ প্রতিবেদক কিশোরগঞ্জের নিকলি হাওর, বাংলার মসনদে আলা ঈসা খাঁর দুর্গ জঙ্গলবাড়িসহ জেলাশহরের পর্যটন স্পটগুলো সরজমিন ঘুরতে গিয়ে চমৎকার এই রিসোর্টের সন্ধান পান। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঢাকাসহ নানা জেলার ভ্রামণিকরা গ্রাম পর্যটনে উৎসাহিত হয়ে এখানে যেমন আসছেন, স্থানীয়রাও তেমনি দিন দিন ভ্রমণের গুরুত্ব বুঝতে পারছেন।

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী একশো কিলোমটার। খিলক্ষেত থেকে তিন থেকে সাড়ে তিনঘণ্টায় কটিয়াদী পৌঁছানো যায়। উপজেলা থেকে জালালপুর ইউনিয়ন সদর সাড়ে তিন কিলোমিটার। ইউনিয়ন পরিষদ ও হাইস্কুলের পাশেই ইকো রিসোর্ট। বিস্তীর্ণ মাঠ, প্রবহমান নদী আর সবুজসুন্দর গ্রামের মধ্যে শহুরে আধুনিক স্থাপত্য আর সুবিধাদিতে নির্মিত রিসোর্ট যেন দৃষ্টিনন্দন গ্রামের মুকুটে একখণ্ড খচিত মুক্তা। গ্রাম্য রাস্তাটি খুব ভালো না হলেও ইজিবাইক কিংবা গাড়িতে পৌঁছানো যায়। জালালপুর সড়কটিতে মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/08/1562590942711.jpg
সবুজঘেরা সুইমিং পুল

 

রিসোর্টের মূল ভবন, কটেজ, মাড হাউজ বা তাবুতে থাকা, তিনবেলা খাওয়াসহ ইজিবাইকে গ্রামপর্যটনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহুরে মানুষকে শহুরে আয়েশের সঙ্গে গ্রামীণজীবনের মিশেলে এক ফিউশান ট্যুরিজমের উদ্যোগ অনুভব করা যায় এখানে এলে। গ্রাম্য পুকুরে মাছ ধরা, লাঙল চালানো, গ্রামে হাঁটাহাঁটির গাইডেড ট্যুরসহ গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার নানা রকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে রিসোর্টটির কাছে পৌঁছতেই গেটমুখে নজর কাড়ে কাঠের ওপর খোদাই করে বানানো রিসোর্টের সাইনবোর্ড। তখনও এর আসল রূপটি ধরতে পারিনি। গ্রামে বেড়াতে এলে যেরকম গ্রাম্য জীবনের হাতছানি থাকে, প্রথমে সেটাই মনে করেছিলাম। ভেতরে গাড়ি ঢোকার পর সবুজ চত্বর পেরিয়ে মূল ভবনে ঢুকতেই কর্মীরা নিয়ে আসে ওয়েলকাম ড্রিংকস। গ্রামের নারকেল গাছের কচিডাবের রস লোগোওলা গ্লাসে পরিবেশন করা হয়েছে। কৃত্রিম পানীয়ের বদলে প্রাকৃতিক গ্লাসভর্তি ডাবের রসে তৃপ্ত হয়ে ক্রমশ বুঝতে শুরু করি রিসোর্টের নামে ‘ইকো’ শব্দ যোগ করার মাহাত্ম্য। আসল চমক অপেক্ষা করছিল মধ্যাহ্ন আহারে। গ্রুপ ট্রিপটির আয়োজন করেছিলেন ট্যুর কোম্পানি হলিডেয়ার-এর স্বত্বাধিকারী ডালিয়া হোসেন। আগে থেকেই রিসোর্ট সম্পর্কে তিনি সম্যক জানেন। বললেন, ‘পিকচার আভি ভি বাকি হ্যায়’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/08/1562590994641.jpg
ভর্তা পঞ্চদশ

 

ইকো রিসোর্টের আসল রূপটি ধরা পড়তে থাকে মধ্যাহ্ন আহারের সময়। গ্রামীণ সবুজ আর বিস্তীর্ণ মাঠের কোলঘেঁষে নির্মিত সুইমিং পুলে গোসল শেষ করলেই ডাক পড়ে মধ্যাহ্ন আহারের। মূল ভবনের নিচতলায় ‘জালালপুর কিচেনে’ ঢুকে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় পর্যটকদলের। গোলাকৃতি তিনটি পাত্রের পনেরটি খোপে পনের রকমের ভর্তা। কয়েক রকমের আঁচার, ফ্রুট সালাদ আলাদা আলাদা পাত্রে। ভর্তা তালিকায় লইট্টা, তেলাপিয়া, ঢেড়শ, ঝিঙা, ডাল, ধনেপাতা, ডিম, পেঁপে, কাঁচকলা, বেগুন, আলু, টেপা শুটকি, টমেটো ইত্যাদি। চিনিগুঁড়া চালের ভাতের সঙ্গে আরো রয়েছে রুইমাছের ভুনা, দেশি মুরগির ঝোল আর পাতলা ডাল। প্লেটে সাদাভাতের চারপাশে চা চামচের এক চামচ করে ভর্তা নিয়ে যে দৃশ্য তৈরি হলো, তা খাওয়ার আগে দেখাও একটা কাজ হয়ে দাঁড়াল। মুখে দেওয়ার পর বোঝা গেল অমৃতের স্বাদ। যারা পাতে একবার ভাত নিয়ে কিছুটা রেখে দেয়, তারাও আজ দু তিনবার করে ভাত তরকারি নিয়ে উদরপূর্তি করল। রিসোর্টকর্মীরা জানাল, গ্রামীণ মাটির চুলায়, গ্রাম্য লাকড়িতে এই রান্না হয় বলে এর স্বাদ শহুরে খাবারের চেয়ে আলাদা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/08/1562591034253.jpg
ভাত খাব না ভর্তা?

 

উদরপূর্তি করে বিশ্রাম নিতে কক্ষ খুলতে গিয়ে দেখি, যে চাবি দিয়ে রুমের তালা খুলছি, তার সঙ্গে লাগানো কাঠের টুকরোয় খোদাই করে রিসোর্টের লোগো বসানো। ইতোমধ্যে আমাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল টুথব্রাশ, পেস্ট, শ্যাম্পু, মিনিসোপ দিয়ে সাজানো বাঁশের তৈরি গোলাকার ডালা। সবকিছুতে জালালপুর ইকো রিসোর্ট লেখা লোগো। যে লোগোতে, গ্রামীণ ঘরকে ঘিরে আছে এক নারেকলবীথি আর লতাগুল্মের সবুজ দুটি পাতা, যার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে উদীয়মান সূর্য-আবহমান গ্রামবাংলার এক চিরচেনা রূপ।

ভিসা-টিকিট, ভ্রমণ সংক্রান্ত সব সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ গ্লোবাল ট্র্যাভেলস



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গ্লোবাল ট্র্যাভেলস ও এর কর্ণধর সাদ্দাম হোসেন

গ্লোবাল ট্র্যাভেলস ও এর কর্ণধর সাদ্দাম হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

ভ্রমণে বের হলে সাধারণত মানুষ নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চায়। ভিসা প্রসেস করো, টিকিট কাটা, হোটেল বুকি এসব ঝামেলাও নিতে চান না। এমন ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ও প্রবাসীদের ভ্রমণ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ট্র্যাভেল এজেন্সি 'গ্লোবাল ট্র্যাভেলস’। তরুণ উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্কেটে এক বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটানোর স্বপ্ন দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্লোবাল ট্র্যাভেলস অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের টিকিট বুকিং সেবা, হোটেল বুকিং, ভিসা প্রসেসিং, ট্যুর প্যাকেজ, কার সার্ভিস, হেলিক্পটার সার্ভিসসহ ভ্রমণসংক্রান্ত সব ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।  


ট্র্যাভেল এজেন্সি ব্যবসার প্রায় ৭ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে গ্লোবাল ট্র্যাভেলসের যাত্রা শুরু করেছেন মো. সাদ্দাম হোসেন। ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্টের ওপর পড়াশুনা শেষ করে ট্র্যাভেল এজেন্সির চাকরি পেশা হিসেবে বেঁচে নেন সাদ্দাম হোসেন। ইনোভা সার্ভিস লিমিটেড নামে একটি এজেন্সিতে এক্সিকিউটিভ হিসেবে ভিসা সেকশনে যোগ দেন। সেখানে ৫ বছর কাজ করার পর তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে ট্র্যাভেল আইল্যান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করান। সেখানে দুই বছর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে গত এপ্রিল থেকে গ্লোবাল ট্র্যাভেলসের যাত্রা শুরু করেছেন।


গ্লোবাল ট্র্যাভেলসে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, শেনজেন, সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া থাইল্যান্ড কোরিয়া জাপানসহ বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেস করে দেওয়া হয়। এছাড়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং মেডিকেল ট্যুরিজমের ভিসাও প্রসেস করে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্লোবাল ট্র্যাভেলসে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, আমি আমার প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকদের মান সম্মাত সেবা প্রদান করতে চাই। এখন থেকে টিকিট বুকিং সেবা, হোটেল বুকিং, ভিসা প্রসেসিং, ট্যুর প্যাকেজসহ ভ্রমণসংক্রান্ত সব ধরনের সেবা এখানে পাওয়া যাবে।


গ্লোবাল ট্র্যাভেলসের ওয়েবসাইটে একই সঙ্গে সব এয়ারলাইন্সের ভাড়াসহ অন্য তথ্য পেয়ে যাবেন, যার কারণে আপনি টিকিট সংগ্রহের ব্যাপারে সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

গ্লোবাল ট্র্যাভেলসের মাধ্যমে সেবা পেতে যে কোনো তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন....01810-766664 অথবা ভিজিট করুন http://globaltravelsbd.com/.

;

বাংলাদেশি পর্যটক আকর্ষণে ঢাকায় ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার রোড শো



তৌফিক হাসান, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর-ট্রাভেল এন্ড ট্যুর, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশি পর্যটক আকর্ষণে ঢাকায় ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার রোড শো

বাংলাদেশি পর্যটক আকর্ষণে ঢাকায় ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার রোড শো

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর  চলতি বছরের ১ এপ্রিল সীমান্ত খুলে দেয় মালয়েশিয়া। মূলত ওইদিন থেকে দেশটিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। এর ফলে ফের পর্যটক টানতে নানা উদ্যোগ নেয় মালয়েশিয়া। এর অংশ হিসেবে দেশটির পর্যটন উন্নয়ন সংস্থা ‘ট্যুরিজম মালয়েশিয়া’ ২ থেকে ৭  জুন বাংলাদেশের  গুরুত্বপূর্ণ শহর ঢাকা এবং চট্রগ্রামে প্রথমবারের মতো রোডশো’র আয়োজন করছে।

ঢাকায় রোববার (৫ জুন) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্যুর অপারেটরদের জন্য  রোডশো’র আয়োজন করে মালয়েশিয়া পর্যটন উন্নয়ন বোর্ড- ট্যুরিজম মালয়েশিয়া।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা এমডি. হাশিম, ট্যুর অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (টোয়াব)-এর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট শিবলুল আজম কোরেশী সহ স্বনামধন্য সকল ট্রাভেল এজেন্ট এবং ট্যুর অপারেটররের শীর্ষকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার সিনিয়র পরিচালক সৈয়দ ইয়াহিয়া সৈয়দ ওথমান এবং ‘দ্য বাংলাদেশ মনিটর’র সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুর আলম।

এদিকে রোডে শো উপলক্ষে ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার সিনিয়র পরিচালক (কৌশলগত পরিকল্পনা বিভাগ) সৈয়দ ইয়াহিয়া সৈয়দ ওথমান এর নেতৃত্বে একটি মালয়েশীয় প্রতিনিধি দল বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে মালয়েশিয়ার ৫টি ট্রাভেল এজেন্সি এবং দুটি স্বাস্থ্যশিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরাও।

বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা এমডি. হাশিম বক্তব্য রাখছেন

অনুষ্ঠানে রোড শো’র আয়োজন প্রসঙ্গে বক্তরা জানান, মালয়েশিয়া ভ্রমণে বাংলাদেশিদের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করার সাথে সাথে এই রোডশো’র লক্ষ্য হলো ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা যার মাধ্যমে তারা পর্যটনকে পূর্বাবস্থায় বা আরো ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে।

সৈয়দ ইয়াহিয়া সৈয়দ ওথমান বলেন, বাংলাদেশে ফিরে আসার এটি একটি দারুণ সময় এবং রোডশো আয়োজনের জন্য যথার্থ। বাংলাদেশে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় শুরু এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য মালয়েশিয়ার সীমান্ত উন্মুক্তকরণ বলতে গেলে একই সময়ে সংঘঠিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশি পর্যটকদের মালয়েশিয়ায় স্বাগত জানানোর সূযোগ পেয়ে আমরা সত্যিই রোমাঞ্চিত। পর্যটকরা এখন মালয়েশিয়ার শ্রেষ্ঠ এবং সর্বশেষ রোমাঞ্চকর আকর্ষণগুলো সাশ্রয়ী খরচে উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘ দুবছর পর পর্যটকরা এখন অনেক কিছুই এক্সপ্লোর করতে পারবেন যার মধ্যে রয়েছে সম্প্রতি চালু হওয়া আউটডোর থিমপার্ক, গেন্টিং স্কাইওয়ার্ল্ড, কুয়ালালামপূরে নতুন সাজে সজ্জিত সানওয়ে রিসোর্ট এবং জাকজমকপূর্ণ নতুন আকর্ষণ বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উঁচু অট্টালিকা ‘মারদেকা ১১৮’। অনিন্দ্য সুন্দর সমূদ্রতট, চিত্তাকর্ষক পর্বতমালা ও বনোরাজিসহ বিভিন্ন আনন্দদায়ক ও রোমাঞ্চকর কর্মকান্ড আপনার ভ্রমণকে স্মরণীয় করে রাখবে।

উল্লেখ্য, বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যার হিসেবে মালয়েশিয়ার তালিকায় বাংলাদেশের স্থান প্রথম দিকে। ২০১৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১ লাখ ৮৯ হাজারের বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেছেন; যা মোট সংখ্যার ১৯.৩০ শতাংশেরও বেশি। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে পূর্ণ কোর্স কোভিড টিকাপ্রাপ্ত বিদেশিদের জন্য মালয়েশিয়া ভ্রমণে কোন কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই। আসার আগে ও যাওয়ার পর  পর্যটকদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা লাগবে না। ১৭ বছর বা তার নিচের বয়সী শিশুদের জন্যও করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, বাটিক এয়ার এবং এয়ার এশিয়া ঢাকা এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে ভ্রমণের জন্য সপ্তাহে ৩ হাজার ৯১০ টির বেশি আসন অফার করছে।

;

ফের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে মালয়েশিয়া



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে মালয়েশিয়া

ফের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে মালয়েশিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বছর পর পুরোদমে ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করার ঘোষণা দিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য সীমানা সম্পূর্ণরূপে খুলে দেওয়া হবে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, দর্শনার্থীদের পাশাপাশি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসা কর্মী যারা দুই ডোজ বা বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন তারা খুব সহজেই মালয়েশিয়ায় ঢুকতে পারবেন। তাদের কোয়ারেনটিনে থাকার প্রয়োজন নেই। তবে তাদের অবশ্যই যাত্রার দুই দিন আগে একটি আরটি-পিসিআর পরীক্ষা এবং পৌঁছানোর পরে একটি দ্রুত পরীক্ষা (আরটিকে) করতে হবে।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে পর্যটনসহ সব ধরনের ভিসার কার্যক্রম বন্ধ করে দেশের সীমানা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছিল দেশটির সরকার। মালয়েশিয়ার প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৯৮ শতাংশকে দুই ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে এবং অর্ধেকেরও বেশি বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

;

করোনা টেস্ট ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে মালদ্বীপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
করোনা টেস্ট ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে মালদ্বীপ

করোনা টেস্ট ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে মালদ্বীপ

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনার টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করলেই যাওয়া যাবে মালদ্বীপ। বিশ্বের যেকোনো দেশের পর্যটকরাই এ সুযোগ নিতে পারবে।

সম্প্রতি মালদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে, যা গত শনিবার থেকে কার্যকর হয়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো যাত্রী যদি করোনা প্রতিরোধ টিকার পূর্ণাঙ্গ ডোজ (বুস্টার ডোজ প্রয়োজন নেই) নিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে ৫ মার্চ থেকে সেসব যাত্রীর মালদ্বীপ ভ্রমণের আগে আরটি-পিসিআর টেস্টের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করা হলো। সূত্র: লয়ালটিলবি ডটকম

;