Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

নতুন কলরেটে লাভবান গ্রাহকরা! 

নতুন কলরেটে লাভবান গ্রাহকরা! 
ইশতিয়াক হুসাইন
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম 


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: মোবাইল ফোনে কলের ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট পদ্ধতি তুলে দিয়ে চালু করা হয়েছে অভিন্ন কলরেট। এতে সর্বনিম্ন কলরেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ পয়সা। নতুন এই নির্দেশনা এরই মধ্যে বাস্তবায়ন করেছে সবগুলো মোবাইল অপারেটর। এর ফলে যেকোনো মোবাইল অপারেটরেই একই রেটে কথা বলা যাচ্ছে। সর্বোচ্চ কলরেট থাকছে ২ টাকা।  

টেলিযোগাযোগ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের কোথাও অফনেট (অন্য অপারেটরে) ও অননেট (একই অপারেটরে) পদ্ধতি নেই। বাংলাদেশেই এই পদ্ধতি চলে আসছিল। ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে এই কলরেট চালু হওয়ার পর থেকে মোবাইল অপারেটরেরা নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। আর এসব প্যাকে নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে চলছে চুলচেরা হিসেব-নিকেশ। সংশ্লিষ্ট খাতের লোকেরাও বসে নেই। তারাও নতুন প্য্যাকেজ অফার নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন। তবে মোবাইল অপারেটরেরা বলছেন, অভিন্ন কলরেট চালুর ফলে গ্রাহকরা লাভবান হচ্ছেন।

আরও পড়ুন, মোবাইলে ৪৫ পয়সা কলরেট কার্যকর হচ্ছে রাত ১২:০১ মিনিটে  

মোবাইল অপারেটরদের সূত্রে জানা গেছে, আগে দেশে মোট অননেট ও অফনেট কল ছিল যথাক্রমে ৬৫ ও ৩৫ শতাংশ। এই দুই রেটের মধ্যে মূল্যের পার্থক্য ছিল ১৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নতুন নির্দেশনার ফলে কলরেট কমেছে ৬৫ শতাংশ। এই হিসেবে এর সুফল পাচ্ছেন গ্রাহকরা। 

তারা বলছেন, আগে অননেটে সর্বনিম্ন কলরেট ২৫ পয়সা হলেও গড়ে গ্রাহকদের প্রায় ৪০ পয়সা ব্যয় করতে হতো। অফনেটে খরচ পড়তো ৮৯ পয়সা থেকে এক টাকা ৪০ পয়সা, যদিও এই সেগমেন্টে সর্বনিম্ন কলরেট ছিল ৬৫ পয়সা। 

আগে একই অপারেটরে অননেটে কথা বলতে সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা আর অফনেটে অর্থ্যাৎ অন্য অপারেটরে কথা বলতে সর্বনিম্ন খরচ হতো ৬০ পয়সা। সর্বোচ্চ কলরেট ছিল ২ টাকা। 

এ নিয়ে বার্তা২৪.কমও সবগুলো মোবাইল অপারেটরের প্যাকেজ অফার বিশ্লেষণে বসেছিল। এতে দেখা যায়, সর্বনিম্ব ৪৫ পয়সা মিনিটের কলরেট চালুর পর একেক মোবাইল অপারেটর একেক কলরেট নির্ধারণ করেছে।

দেশের বৃহৎ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনে এখন সর্বনিম্ন ৭৩ পয়সা (ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ) মিনিটে কথা বলা যাচ্ছে। দ্বিতীয় বৃহৎ অপারেটর রবিতে ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ সর্বনিম্ন ৬১ পয়সা মিনিটে কথা বলা যাচ্ছে। বাংলালিংকে কথা বলা যাচ্ছে সর্বনিম্ন ৬৫ পয়সা (ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ) মিনিটে। তবে কোনো ধরনের প্যাকেজ ছাড়া নিশ্চিত প্যাকেজের সিমে স্বাধীন রিচার্জে প্রতি মিনিটে খরচ পড়ছে এক টাকা ৬১ পয়সা (ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ)।

বাংলালিংকও প্যাকেজ কিংবা অফার ছাড়া ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ এক টাকা ৬১ পয়সা চার্জ করছে। আর এই ক্ষেত্রে রবি চার্জ করছে এক টাকা ৬৪ পয়সা (ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য চার্জসহ)। রবির এয়ারটেল ব্র্যান্ড ফ্ল্যাটরেটে ভ্যাট, এসডি ও অন্যান্য্য চার্জসহ মিনিটে ৮৮ পয়সা চার্জ করছে। এই ব্র্যান্ডে সুনির্দিষ্ট টাকা রিচার্জে মিনিট প্রতি খরচ হচ্ছে ৬৬ পয়সা। সবগুলো মোবাইল অপারেটর এরই মধ্যে প্যাকেজ ও অফার ঘোষণা করলেও রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিটক কোনো প্যাকেজ ঘোষণা করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট অপারেটর সূত্রে জানা গেছে, তারা সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সাই চার্জ করবেন। 

আরও পড়ুন,  মোবাইল ফোনের সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা চালু

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাড়ানো হলো ‘মটো কুল অফার’র মেয়াদ। নির্দিষ্ট অনলাইন স্টোর থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট মূল্যে কিনতে পারবেন মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের মটোরোলার ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত জানান, ‘বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটগুলো দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গ্রাহকরাও অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। বিশেষ করে স্মার্টফোনের জন্য এসব প্ল্যাটফরম খুবই জনপ্রিয়। তাই গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে চলমান অফারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

মটোরোলার অনলাইন স্টোর পার্টনার- রবিশপ, গেজেট অ্যান্ড গিয়ার, দারাজ, পিকাবু, ইভ্যালি, এডিসন স্মার্ট প্লাগ ইন ও ডেলিগ্রাম। গ্রাহকরা এসব অনলাইন স্টোর থেকে মটোরোলার অরিজিনাল হ্যান্ডসেট ক্রয় করতে পারবেন।

‘মটো কুল অফার’র আওতায় গ্রাহকরা এখন থেকে মটো ই৪ প্লাস ৯,৯৯০ টাকায়, মটো ই৫ প্লাস ১৪,৯৯০ টাকায়, মটো জি৭ পাওয়ার ১৮,৯৯০ টাকায় এবং মটোরোলা ওয়ান ২০,৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার
ইকুরিয়ার লোগো

প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিকতাকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশের ই-কমার্সভিত্তিক অনলাইন কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুরিয়ার।

ইকুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য তিনশ কোটি টাকা বিবেচনা করে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে হংকংভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে বিনিয়োগের প্রাথমিক ধাপ শুরু করেছিল ইকুরিয়ার। নতুন এ বিনিয়োগে কতো টাকা পাচ্ছে ইকুরিয়ার তা জানায়নি কোন পক্ষই।

ইকুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব ঘোষ রাহুল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, রাজধানীর বাইরে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হচ্ছে। উন্নত ওয়্যারহাউস সুবিধা বাড়াতে কাজ চলছে। আর তা করা হবে অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে। এছাড়া আমাদের কার্যক্রমের ভৌগলিক পরিসীমা বাড়ানো, আস্থা অর্জন এবং কাজের দক্ষতায় উন্নয়নে এ বিনিয়োগ ব্যবহার করা হবে। আমাদের গ্রাহক এবং অংশীদাররা নতুন এ বিনিয়োগের সুফল ভোগ করবে। কাজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।

২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করা ইকুরিয়ার বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসায় বহুমুখী সেবা দিয়ে আসছে। অনলাইন মাধ্যমে পরিসেবাগুলোকে একত্রীকরণসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ঢেলে সাজানো হয়েছে। চালান ব্যবস্থাপনা, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণসহ আন্তঃশহর পণ্য ডেলিভারি সুবিধা, এক্সপ্রেস পণ্য পরিবহন সেবা এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পণ্য রিটার্ন সুবিধা আছে ইকুরিয়ারে।

বর্তমানে ইকুরিয়ার বাংলাদেশের ৬০টি জেলাসহ এক হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সেবা কার্যক্রম নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে যা বাংলাদেশে এখনও কোন কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান পোঁছাতে পারিনি। সাড়ে তিনশরও বেশি কর্মী নিয়ে ইকুরিয়ার বর্তমানে সারাদেশে সরাসরি ৫ হাজার স্থানীয় অংশীজনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত কয়েক বছরে ইকুরিয়ার পণ্য ডেলিভারির খাতে ধারাবাহিক উন্নতি ধরে রেখেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র