Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট প্রসেসর সমৃদ্ধ হ্যালিও এস৬০ এখন বাজারে

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট প্রসেসর সমৃদ্ধ হ্যালিও এস৬০ এখন বাজারে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: দেশের বাজারে হ্যালিও সিরিজের নতুন মডেল উন্মোচন করলো এডিসন গ্রুপ। হ্যালিও এস৬০ নামের এই নতুন মডেলটি এখনকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এআই বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এবং ফুল ভিউ নচ ডিসপ্লে।

রাজধানীর এক কনভেনশন সেন্টারে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ স্মার্টফোনটি উন্মোচন করেন এডিসন গ্রুপের চেয়াম্যান আমিনুর রশীদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের সিনিয়র ডিরেক্টর মাকসুদুর রহমান এবং হেড অব সেলস এমএ হানি।

আমিনুর রশীদ বক্তব্য বলেন, "বাংলাদেশে আধুনিক স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীদের চাহিদা আমরা বুঝি। এ বিবেচনায় হ্যালিও এস৬০ তৈরি করা হয়েছে অধিক কর্মক্ষম ও অভিনব ফিচারের সমন্বয়ে। যা তাদের দৈনিক চাহিদা পূরণে সক্ষম। সমসাময়িক অন্যান্য স্মার্ট ফোনের তুলনায় হ্যালিও এস৬০ যুক্ত করা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা, দৃষ্টিনন্দন নকশা ও দুর্দান্ত কর্মক্ষমতা বিশিষ্ট হার্ডওয়্যার।

এডিসন গ্রুপের পক্ষথেকে জানানো হয়েছে, এ্যান্ডয়েড ওরিও৮.১ অপারেটিং সিস্টেম হ্যালিও এস৬০ তে আছে ৬.২ ইঞ্চি আইপিএস নচ ডিসপ্লে প্যানেল যার এস্পেক্ট রেশিও ১৯:৯ এবং ডিসপ্লে রেজুলেশন ফুলএসডি+ডিসপ্লে পিপিয়ার ৪০২। নিউট্রাল, স্ট্যান্ডার্ড এবং শার্প একটি ডিসপ্লে এবং ডিসপ্লেতে প্রোটেকশন দিচ্ছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৩।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/14/1534239255952.jpg

হ্যালিও এস৬০ তে আছে, ৪ জিবি ডিডিআর৪ রেম এবং ৬৪ জিবি রম। চিপসেট হিসেবে আছে হ্যালিও পি৬০। পি৬০ প্রসেসরটিতে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট খুব ভালো কজ করে। গেমিং গ্রাফিক্স বেশ চোখ ধাধানো। ৪ জিবি রেম থাকার কারনে গান শোনা, মুভি দেখা বা গেম খেলা নিয়ে কোন ধরনের ঝামেলা পোহাতে হবেনা।

৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ আছে স্মার্টফোনটিতে। যা দিবে অনেকবেশি গান, মুভি ও গেমস এবং সফটওয়্যার রাখার সুবিধা। চাইলে এক্সটারনাল কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্য়ন্ত ইন্টারনাল মেমোরি বাড়ানো যাবে।

এতে হার্ডওয়্যার বেজড থ্রিডি ফেস আইডি ব্যাবহার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত খুব কম ডিভাইসেই এটি ব্যবহার করা হয়েছে।

মোবাইলটির পিছনে ১৬ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি রেগুলার সেন্সর এবং সেকেন্ডারিতে ৫ মেগাপিক্সেল এর ডেপথ সেসিং সেন্সর আছে। তারপর ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রট ক্যামেরা।এআই পোট্রেইট মোড থাকার কারনে ক্যামেরার ছবি হয় অনেক বেশি জিবন্ত এবং প্রাণবন্ত। ক্যামরা ফিচারস এর মাধ্যমে  উল্লেখযোগ্য ফিচার গুলো হল, বোকেহ মোড, নাইট মোড, ফেস বিউটি, প্যানারোমা মোড, প্রো মোড, অটো সিন, গ্রুপ সেলফি, টাইম লেপস এবং ফ্রন্ট মেরোর।

৩০০০ এমএএইচ লি-পলিমার ব্যাটারি দেয়া হয়েছে এ স্মার্টফোনটিতে। এছাড়া ইন্টেলিজেন্ট পাওয়ার সেভিং মোড থাকার জন্য ব্যাটারি কার্যক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছে বহুগুণ। এছাড়া সেন্সর হিসেবে আছে জি সেন্সর, প্রক্সিমিটি, লাইট, হল, কম্পাস, গায়রো এবং ফাস্টেস্ট ফিঙ্গা প্রিন্ট সন্সর।গিফট হিসেবে মবাইলটির বক্সেই দেয়া আছে ওয়্যারলেস চার্জার।

স্মার্টফোনটির দাম রাখা হচ্ছে ২৫ হাজার ৯৯০ টাকা। ১২ মাসের সহজ কিস্তিতে নিদিষ্ট কয়েকটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটটি ক্রয় করা যাবে

আপনার মতামত লিখুন :

শক্তিশালী ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এআই প্রসেসর নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

শক্তিশালী ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এআই প্রসেসর নিয়ে এলো হুয়াওয়ে
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রসেসর অ্যাসসেন্ড ৯১০ এবং এআই কম্পিউটিং ফ্রেমওয়ার্ক মাইন্ডস্পোর বাজারে এনেছে।

অ্যাসসেন্ড ৯১০ দা ভিঞ্চি সিস্টেম আর্কিটেকচারের উপর নির্মিত একটি এআই প্রসেসর এবং অসামান্য পারফরম্যান্স সত্ত্বেও, অ্যাসসেন্ড ৯১০ এর সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাত্রা ৩১০ ওয়াট, যা আগের পরিকল্পিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধারণাকৃত মাত্রার (৩৫০ওয়াট) চেয়ে অনেক কম।

চীনের গুয়াংডং প্রদেশের শেনজেনে শুক্রবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নতুন এই প্রসেসরটি বাজারে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান এরিক ঝু সহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।   

এআই অ্যাপ্লিকেশন বিকাশকে আরো সহজ, বিস্তৃত এবং প্রাইভেসি প্রোটেকশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এআই কম্পিউটিং অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৮ সালে, হুয়াওয়ে এআই কাঠামোর উন্নয়নের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করে। লক্ষ্যগুলি ছিল সহজ বিকাশ, কার্যদক্ষতা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা। মাইন্ডস্পোর, এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে হুয়াওয়ের উল্লেখযোগ্য কাজ। যেহেতু, প্রাইভেসি প্রোটেকশন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাই একটি নিরাপদ ও বিস্তৃত এআই ব্যবস্থাপনার জন্য সব ধরনের সহায়তা প্রয়োজন।

বিংশ শতাব্দীর রেলরোড এবং বিদ্যুৎ এবং একবিংশ শতাব্দীর গাড়ি, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মতই এআইকে শতাব্দীর একটি অন্যতম প্রযুক্তি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করছে হুয়াওয়ে।ঝু এর মতে, এআই এখনো বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সত্যিকারের সাধারণ প্রযুক্তিতিতে পরিণত করতে হলে এআই প্রযুক্তিতে বিদ্যমান ব্যবধানগুলি দূর করতে হবে। হুয়াওয়ের এআই স্ট্র্যাটেজিটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন, এই ব্যবধানগুলি দূর করার মাধ্যমে অতি দ্রুত বিশ্বে এই নতুন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়া যায়। 

এর আগে দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের শেনজেনে এই নতুন ওপেন-সোর্স এআই কম্পিউটিং ফ্রেমওয়ার্ক, মাইন্ডস্পোর চালু করে হুয়াওয়ে। মাইন্ডস্পোর এমন একটি এআই কম্পিউটিং অবকাঠামো, যা সব ডিভাইস, এজ এবং ক্লাউড এনভাইরনমেন্টসহ সকল পরিস্থিতিতে এআই অ্যাপ্লিকেশনের বিকাশকে সমর্থন করে। এছাড়াও, বাজারে বিদ্যমান নেতৃস্থানীয় ফ্রেমওয়ার্কে ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং (এনএলপি) এর জন্য একটি সাধারণ নিউরাল নেটওয়ার্কে যে পরিমানে মূল কোড রয়েছে, সে তুলনায় মাইন্ডস্পোরের কোডের পরিমান ২০ শতাংশ কম। এর ফলে এটি ডেভেলপারদের কর্মদক্ষতাকে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।  

অ্যাসসেন্ড ৯১০ প্রসেসর এআই মডেল ট্রেনিং ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর একটি পরীক্ষা হিসেবে শুক্রবারের অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ট্রেনিং সেশনের আয়োজন করা হলে সেখানে দেখা যায় যে, অ্যাসসেন্ড ৯১০ এবং মাইন্ডস্পোর সিস্টেমকে একত্রীকরণ করে এআই মডেল ট্রেনিং এর ক্ষেত্রে যে গতি পাওয়া যায়, তা টেনসরফ্লো এর গতির তুলনায় দ্বিগুণ গতি সম্পন্ন।

এ প্রসঙ্গে হুয়াওয়ের রোটাটিং চেয়ারম্যান এরিক ঝু বলেন, ‘‘অ্যাসসেন্ড ৯১০ আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ভাল পারফর্ম করেছে। নিঃসন্দেহে, বিশ্বের অন্য এআই প্রসেসরের তুলনায় এর আরো বেশি কম্পিউটিং শক্তি রয়েছে।” 

৫ বছরে ২০০০ সরকারি সেবা আসবে অনলাইনে

৫ বছরে ২০০০ সরকারি সেবা আসবে অনলাইনে
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন জুনাইদ আহমেদ পলক

ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ছাড়া ডিজিটাল ইকোনমি সম্ভব নয় উল্লেখ করে আগামী পাঁচ বছরে ৯০ শতাংশ সরকারী সেবা অনলাইনে দেয়া হবে এবং প্রায় ২০০০ নতুন সেবা অনলাইনে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ধানমন্ডি অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সমাবর্তন ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত দশ বছরে আইসিটিখাতে দশ লাখ জনবলের কর্মসংস্থান হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও দশ লাখ কর্মসংস্থান হবে।’

তিনি বলেন, ‘দশ বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫৬ লক্ষ। ইন্টারনেটের দাম বেশি হওয়ার কারণে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারতো না। বর্তমান সরকার এর দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এনেছে। সারা দেশে হাই স্পিড ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার অপটিক্যাল কেবল স্থাপন করা হচ্ছে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ব্রডব্যন্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে যাচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়ে প্রায় সাড়ে ৯ কোটিতে পৌঁছেছে এবং আগামী পাঁচ বছরে দেশে শতভাগ ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত হবে।’

এসময় তিনি অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ না করে নৈতিকতা ও সততার ওপর ভিত্তি করে নিজেদেরকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

অক্সফোর্ড ইন্টার ন্যাশনাল স্কুলের সভাপতি  মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুল হক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক জাফর ইকবাল। বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র