Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ

ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
অবশেষে নীরবতা ভাঙতে বাধ্য হলেন মার্ক  জাকারবার্গ। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য বেহাত হয়েছে শুনেও চুপ ছিলেন তিনি। বিশ্বজুড়ে সমালোচনা হচ্ছিল তার এই নীরবতা নিয়ে।  অনেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন—চুপ কেন জাকারবার্গ? অবশেষে মুখ খুলেছেন তিনি। ভুল স্বীকার করেছেন। মেনেই নিয়েছেন যে রাজনৈতিক পরামর্শক এক প্রতিষ্ঠানের কাছে কোটি কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চলে গেছে। আর সবকিছুর জন্য ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
এক বিবৃতিতে জাকারবার্গ বলেছেন, ‘বিশ্বাস ভঙ্গ’ করার ঘটনা ঘটেছে। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এক রাজনৈতিক গ্রাহকের পক্ষে অনৈতিকভাবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল ফেসবুক। ওই অ্যাপের মাধ্যমেই কোটি কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা। সেই তথ্য পরে ব্যবহার করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের কাজে। এ কাজের সঙ্গে জড়িত এক অধ্যাপক সম্প্রতি মুখ খোলায় প্রকাশ্যে এসেছে সবকিছু। এখন পুরো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদেরা। গত সোমবার ফেসবুকের তথ্য বেহাত হওয়ার খবর ছড়ালে শেয়ারের দাম ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ পড়ে যায়। এতে কোম্পানির ৩ হাজার ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার দাম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। ফেসবুকে জাকারবার্গের শেয়ার ১৬ শতাংশ। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সম্পদ ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার কমে ৬ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে নেমে আসে। সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গ বলেছেন, এ ঘটনার জন্য তিনি ‘সত্যিই দুঃখিত’। ‘দুর্বৃত্তপনায় যুক্ত অ্যাপ্লিকেশনগুলো’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি। ফেসবুকের সাম্প্রতিক এ ‘কেলেঙ্কারি’ সম্পর্কে জবাবদিহি করার জন্য কংগ্রেসে শুনানিতে যেতে হবে জাকারবার্গকে। কংগ্রেসের শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জাকারবার্গ বলেছেন, সঠিক কিছু করা গেলে কংগ্রেসে সামনে সানন্দেই পরীক্ষা দেবেন তিনি। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জাকারবার্গ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে এখন থেকে ফেসবুকের তথ্য সংগ্রহ কোনো অ্যাপের জন্য কঠিন কাজ হবে। জাকারবার্গ বলেছেন, ‘আপনাদের তথ্য সুরক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। আমরা যদি তা না পারি, তবে আমাদের সেবা দেওয়ার কোনো অধিকার থাকবে না।’ জাকারবার্গ বলেছেন, এখন তাঁর প্রতিষ্ঠান ফেসবুকের তথ্যে ঢোকার সুযোগ আছে—এমন সব অ্যাপ নিয়ে তদন্ত করবে। কোনো অ্যাপের কার্যক্রম সন্দেহ হলে পুরো ফরেনসিক পরীক্ষা হবে। অডিটে রাজি না হলে সব অ্যাপ বাতিল করা হবে। ভবিষ্যতে অ্যাপ নির্মাতাদের তথ্যের অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অ্যাপে সাইন ইন করার সময় নাম, ছবি আর ই-মেইল অ্যাড্রেসের বাইরে আর কিছু দেওয়া হবে না। কারও কাছ থেকে তথ্য নিতে হলে তাঁর অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা চালু হবে। এ ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথাও বলেছেন জাকারবার্গ।
আপনার মতামত লিখুন :

পিএসসি, বিটিভি ও সোনালী ব্যাংকের সেবা আদান প্রদানে চুক্তি স্বাক্ষর

পিএসসি, বিটিভি ও সোনালী ব্যাংকের সেবা আদান প্রদানে চুক্তি  স্বাক্ষর
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার ও সজিব ওয়াজেদ জয়, ছবি: সংগৃহীত

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে ডাক অধিদফতর, টেলিটক এবং বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট কোম্পানি লি. এর সঙ্গে সেবা আদান-প্রদানের বিষয়ে সোনালী ব্যাংক লি. বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাথে পৃথক তিনটি স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস, পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

ডাক অধিদফতর ও সোনালী ব্যাংকের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ডাক বিভাগ প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মধ্যে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের ব্যবস্থা করবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ লাভ করবে। এছাড়াও ক্যাশলেস সোসাইটি বিনির্মাণে ডাক বিভাগ কাজ করবে। চুক্তিতে ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক এসএস ভদ্র এবং সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

টেলিটক ও পিএসসির মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ, স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় এডমিট কার্ড বিতরণ, সিট প্ল্যানিং, হাজিরা সিট তৈরি এবং অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ ইত্যাদি কার্যক্রম টেলিটকের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। টেলিটক এমডি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন এবং পিএসসির সচিব বেগম ও. এন সিদ্দিকা খানম স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট কোম্পানি লি. এর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী বিটিভি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে সম্প্রচার কার্যক্রম বাণিজ্যিকভাবে শুরু করবে। চুক্তিতে বিটিভির মহাপরিচালক এসএম হারুন-অর-রশিদ এবং বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট কোম্পানি লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচারক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

বুধবার ‘পরিচয়’ গেটওয়ে উদ্বোধন করবেন জয়

বুধবার ‘পরিচয়’ গেটওয়ে উদ্বোধন করবেন জয়
ছবি: সংগৃহীত

সহজে এবং দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের গেটওয়ে ‘porichoy.gov.bd’ উদ্বোধন হবে বুধবার (১৭ জুলাই)। এদিন বিকেল ৩টায় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেবা সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

‘পরিচয়’ হচ্ছে একটি গেটওয়ে সার্ভার, যা নির্বাচন কমিশনের জাতীয় ডাটাবেজের সাথে সংযুক্ত। এটি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং যা সরকারি, বেসরকারি বা ব্যক্তিগত যে কোনো সংস্থার গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করে নিমিষেই সেবা দিতে পারবে। এনআইডি যাচাই করার জন্য এখন থেকে আর আগের মতো ৩-৫ কর্মদিবস অপেক্ষা করতে হবে না।

বর্তমান প্রক্রিয়ায়, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে লগইন করে সংস্থাগুলো জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ম্যানুয়ালি যাচাই করে থাকে। আবার অনেক সংস্থা এনআইডি যাচাইকরণও করে না, কারণ নির্বাচন কমিশনের এনআইডি ডাটাবেজের অ্যাক্সেস তাদের নেই। যা গ্রাহকদের জাল বা সঠিক আইডি যাচাই করার জন্য অনুমতি দেয়। কিন্তু ‘পরিচয় গেটওয়ে’ ব্যবহার করলে জাতীয় আইডি যাচাই করার জন্য কোন মানুষের প্রয়োজন নেই। যেকোনো প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘পরিচয় গেটওয়ে’ সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করলে জাতীয় আইডি সনাক্তের ফলাফল সাথে সাথেই পাওয়া যাবে।

এর ফলে যারা এখন ব্যাংক একাউন্ট খোলা, ডিজিটাল ওয়ালেট একাউন্ট খোলা বা যে কাজগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রয়োজন হয় তারা খুব উপকৃত হবে। তাদের জন্য অনেক সহজ ও সময় সাশ্রয় হবে।

‘পরিচয় গেটওয়ে’ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের খরচ কমিয়ে কাজকে দ্রুত করবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র