Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

আইপিডিসি’র সৌজন্যে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড

আইপিডিসি’র সৌজন্যে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বেসিসের উদ্যোগে এবং আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের সৌজন্যে ৩য় বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর এবং আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মমিনুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর এবং বেসিস পরিচালক ও বেসিস আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯ এর আহ্বায়ক দিদারুল আলম, বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯'র হেড অব ইভেন্টস রাজীব আহমেদ এবং হেড অব ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন মো. ওয়াসেক সাজ্জাদ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ডিএমডি এবং হেড অব বিজনেস ফাইন্যান্স রিজওয়ান দাউদ শামস এবং হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন মাহজাবীন ফেরদৌস প্রমুখ।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে আমরা সারাদেশের উদ্ভাবনী এবং সম্ভাবনাময় তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্পগুলোকে বাছাই করি এবং উৎসাহ প্রদান করার লক্ষ্যে পুরষ্কার প্রদান করি। বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রকল্পগুলো আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরছে। আইপিডিসিকে আমাদের এ উদ্যোগে পাশে পেয়ে আমরা আনন্দিত।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মমিনুল ইসলাম বলেন, বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডের লক্ষ্য হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ব্যক্তি, ছাত্র, উদ্যোক্তা, এসএমই এবং বাংলাদেশে পরিচালিত তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহের অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য স্বীকৃতি প্রদান করা। আমরা এ উদ্যোগের সাথে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে চাই। আজকের চুক্তির মাধ্যমে আমাদের যাত্রা শুরু হলো।

ইতোমধ্যে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস'র প্রাথমিক প্রকল্প জমা দান পর্ব শেষ হয়েছে। আগস্টের শেষ সপ্তাহে শুরু হবে বাছাইকৃত প্রকল্পসমূকে নিয়ে ২য় পর্ব। গ্র্যান্ড ফাইনাল চলতি বছরের অক্টোবরে র্যা ডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস থেকে প্রাপ্ত বিজয়ীদের অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯-এ বাংলাদেশের প্রতিযোগী হিসেবে মনোনীত করা হবে। এ বছর অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডস আগামী ১৮-২৩ নভেম্বর ২০১৯ ভিয়েতনামের হা লং বে-তে অনুষ্ঠিত হবে

বিস্তারিত জানতে ভিজিট: https://bnia.basis.org.bd/

আপনার মতামত লিখুন :

দেশি ল্যাপটপ যুক্তরাষ্ট্রে, আমাজনের সঙ্গে চুক্তি

দেশি ল্যাপটপ যুক্তরাষ্ট্রে, আমাজনের সঙ্গে চুক্তি
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পাওয়া যাবে দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন নির্মিত ল্যাপটপ। ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্ল্যাটফরমে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হবে এ ল্যাপটপ।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আমাজন ও ওয়ালটনের মধ্যে এ সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আমাজন বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার শশাংক পান্ডে এবং ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার পণ্য বিভাগের প্রধান নির্বাহী লিয়াকত আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে সই করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, ‘এটা শুধু ওয়ালটন না বরং বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566460896005.JPG

তিনি আরও বলেন, ‘ওয়াল্টন এবং আমাজনের যত ধরনের সহায়তা লাগবে আমাদের তরফ থেকে সেগুলো দেওয়া হবে। কম্পিউটার তৈরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আমদানিতে আগে উচ্চহারে শুল্ক দিতে হতো। আওয়ামী লীগ সরকার এসে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে এই শুল্ক কমানো নিয়ে আমরা কাজ শুরু করি। এখন কম্পিউটার যন্ত্রাংশের প্রায় ৯৪টি যন্ত্রাংশ আমদানিতে কোনো ধরনের শুল্ক দিতে হয় না।
পলক বলেন, ‘আমরা এমনটা করেছি যেন ওয়ালটনের মতো আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার তৈরি করে বিশ্ব মার্কেটে নেতৃত্ব দিতে পারে। আমরা ওয়ালটনকে শুধু একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে না বরং দেশের গর্ব হিসেবে দেখি।’

আমাজনের কান্ট্রি ডিরেক্টর শশাংক পান্ডে বলেন, ‘এটা একটা ঐতিহাসিক দিন। এটা আমাদের জন্য একটা বড় দিন। বাংলাদেশের জন্য একটা বড় দিন। আমরা আশা করি, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।’

ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম শামসুল আলম বলেন, ‘বিশ্ববাজারে ওয়ালটন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্যান্ডের কাতারে আসার লক্ষ্য ওয়ালটনের। এ লক্ষ্যে সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হচ্ছে। তারা 'মেইড ইন বাংলাদেশ' পণ্য নিতে আমাদের কাছে আসছে। এর অর্থ বাংলাদেশের উৎপাদিত ইলেকট্রনিক্স এবং আইসিটি পণ্য বিশ্বমানের।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম, ওয়ালটন ডিজি টেক এর চেয়ারম্যান এসএম রেজাউল আলম, আর বি গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আফরোজ তান্না এবং ওয়ালটন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাইসা সিগমা হিমা।

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাড়ানো হলো ‘মটো কুল অফার’র মেয়াদ। নির্দিষ্ট অনলাইন স্টোর থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট মূল্যে কিনতে পারবেন মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের মটোরোলার ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত জানান, ‘বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটগুলো দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গ্রাহকরাও অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। বিশেষ করে স্মার্টফোনের জন্য এসব প্ল্যাটফরম খুবই জনপ্রিয়। তাই গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে চলমান অফারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

মটোরোলার অনলাইন স্টোর পার্টনার- রবিশপ, গেজেট অ্যান্ড গিয়ার, দারাজ, পিকাবু, ইভ্যালি, এডিসন স্মার্ট প্লাগ ইন ও ডেলিগ্রাম। গ্রাহকরা এসব অনলাইন স্টোর থেকে মটোরোলার অরিজিনাল হ্যান্ডসেট ক্রয় করতে পারবেন।

‘মটো কুল অফার’র আওতায় গ্রাহকরা এখন থেকে মটো ই৪ প্লাস ৯,৯৯০ টাকায়, মটো ই৫ প্লাস ১৪,৯৯০ টাকায়, মটো জি৭ পাওয়ার ১৮,৯৯০ টাকায় এবং মটোরোলা ওয়ান ২০,৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র