Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে যত আশঙ্কা

ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে যত আশঙ্কা
ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা 'লিব্রা' ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফেসবুকের বহুল প্রতীক্ষিত ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সি লিব্রার ঘোষণার পর থেকেই গ্রাহকদের প্রাইভেসি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষের সাধারণ সম্পাদক স্টিভেন ম্যানিউচেন ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে এর বিরোধিতা করেন।

ম্যানিউচেন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে অর্থ পাচার এবং জঙ্গি তৎপরতার অর্থায়নে ব্যবহৃত হতে পারে। যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ফেসবুকের এই ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

লিব্রার তত্ত্বাবধানে থাকা ডেভিড মার্কাস বলেন, সিনেট ব্যাংকিং কমিটির কাছ থেকে অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত ফেসবুক তাদের ডিজিটাল মুদ্রার কাজ শুরু করবে না।

ম্যানিউচেন বলে, ফেসবুককে লিব্রার কার্যক্রম শুরু করতে হলে আর্থিক নিয়ন্ত্রকদের কাছে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে লিব্রার জন্য রেগুলেটরি কমিশনের কী রকম বিধি-নিষেধ থাকতে পারে এবিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

তিনি বলেন, ‘ক্রিপ্টোকারন্সি দিয়ে সাইবার অপরাধ, কর ফাঁকি, চাঁদাবাজি, মাদকজাতদ্রব্য কেনা এবং মানব পাচারের মতো কোটি কোটি ডলারের অবৈধ কার্যকলাপ সংগঠিত হতে পারে। যা কোনোভাবেই আমাদের কাম্য নয়।’

গত সপ্তাহে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি টুইট পোস্টে লেখেন তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সির ভক্ত নন এবং এজন্য ফেসবুককে ব্যাকিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান জেরোম পাওয়েল গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে,  এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বিভিন্ন মহলে গুরুতর উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।

লিব্রা কি
ফেসবুকের নিজস্ব গ্লোবাল ডিজিটাল কারেন্সির লিব্রা। যা লিব্রা অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক পরিচালনা করা হবে। এছাড়া ‘ক্যালিব্রা’ নামের একটি সাবসিডিয়ারি চালু করেছে, যা ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে। যেখানে ব্যবহারকারীর ভার্চুয়াল মুদ্রা সংরক্ষণ, আদান-প্রদান ও খরচ করার সুবিধা থাকবে। ২০২০ সালের প্রথমার্ধেই নতুন এ মুদ্রা বাজারে চালু করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাড়ানো হলো ‘মটো কুল অফার’র মেয়াদ। নির্দিষ্ট অনলাইন স্টোর থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট মূল্যে কিনতে পারবেন মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের মটোরোলার ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত জানান, ‘বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটগুলো দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গ্রাহকরাও অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। বিশেষ করে স্মার্টফোনের জন্য এসব প্ল্যাটফরম খুবই জনপ্রিয়। তাই গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে চলমান অফারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

মটোরোলার অনলাইন স্টোর পার্টনার- রবিশপ, গেজেট অ্যান্ড গিয়ার, দারাজ, পিকাবু, ইভ্যালি, এডিসন স্মার্ট প্লাগ ইন ও ডেলিগ্রাম। গ্রাহকরা এসব অনলাইন স্টোর থেকে মটোরোলার অরিজিনাল হ্যান্ডসেট ক্রয় করতে পারবেন।

‘মটো কুল অফার’র আওতায় গ্রাহকরা এখন থেকে মটো ই৪ প্লাস ৯,৯৯০ টাকায়, মটো ই৫ প্লাস ১৪,৯৯০ টাকায়, মটো জি৭ পাওয়ার ১৮,৯৯০ টাকায় এবং মটোরোলা ওয়ান ২০,৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার
ইকুরিয়ার লোগো

প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিকতাকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশের ই-কমার্সভিত্তিক অনলাইন কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুরিয়ার।

ইকুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য তিনশ কোটি টাকা বিবেচনা করে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে হংকংভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে বিনিয়োগের প্রাথমিক ধাপ শুরু করেছিল ইকুরিয়ার। নতুন এ বিনিয়োগে কতো টাকা পাচ্ছে ইকুরিয়ার তা জানায়নি কোন পক্ষই।

ইকুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব ঘোষ রাহুল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, রাজধানীর বাইরে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হচ্ছে। উন্নত ওয়্যারহাউস সুবিধা বাড়াতে কাজ চলছে। আর তা করা হবে অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে। এছাড়া আমাদের কার্যক্রমের ভৌগলিক পরিসীমা বাড়ানো, আস্থা অর্জন এবং কাজের দক্ষতায় উন্নয়নে এ বিনিয়োগ ব্যবহার করা হবে। আমাদের গ্রাহক এবং অংশীদাররা নতুন এ বিনিয়োগের সুফল ভোগ করবে। কাজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।

২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করা ইকুরিয়ার বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসায় বহুমুখী সেবা দিয়ে আসছে। অনলাইন মাধ্যমে পরিসেবাগুলোকে একত্রীকরণসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ঢেলে সাজানো হয়েছে। চালান ব্যবস্থাপনা, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণসহ আন্তঃশহর পণ্য ডেলিভারি সুবিধা, এক্সপ্রেস পণ্য পরিবহন সেবা এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পণ্য রিটার্ন সুবিধা আছে ইকুরিয়ারে।

বর্তমানে ইকুরিয়ার বাংলাদেশের ৬০টি জেলাসহ এক হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সেবা কার্যক্রম নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে যা বাংলাদেশে এখনও কোন কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান পোঁছাতে পারিনি। সাড়ে তিনশরও বেশি কর্মী নিয়ে ইকুরিয়ার বর্তমানে সারাদেশে সরাসরি ৫ হাজার স্থানীয় অংশীজনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত কয়েক বছরে ইকুরিয়ার পণ্য ডেলিভারির খাতে ধারাবাহিক উন্নতি ধরে রেখেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র