Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

এনক্রিপটেড প্ল্যাটফর্মে ফাইল শেয়ারিং কতটা নিরাপদ?

এনক্রিপটেড প্ল্যাটফর্মে ফাইল শেয়ারিং কতটা নিরাপদ?
হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে ফাইল শেয়ারিং নিরাপদ নয়, ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইনে প্রাইভেট মেসেজিংয়ের জন্য এবং ফাইল শেয়ারের জন্য বেশির ভাগ মানুষই বেছে নেন এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু আসলেই কি নিরাপদ এসব প্ল্যাটফর্ম?

সোমবার (১৫ জুলাই) সাইবার সিকিউরিটি গবেষণা ফার্ম সিম্যানটেকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টেলিগ্রামে ইউজারদের ফাইল শেয়ারিংয়ে ঝুঁকি রয়েছে। এখানে হ্যাকাররা চাইলে শেয়ার করা ছবি এবং অডিও ফাইল বিকৃত করে দিতে পারে। যা গ্রাহকদের তথ্যের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার জন্য অনেক বড় ঝুঁকি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উভয় প্ল্যাটফর্মে যে সিস্টেম্যাটিক ত্রুটি পাওয়া গেছে তাকে ‘মিডিয়া ফাইল জ্যাকিং’ বলা হচ্ছে। যা অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের হোয়াটসঅ্যাপে ‘বাই ডিফল্ট’ ভাবে আছে। অন্যদিকে টেলিগ্রামের যদি কিছু ফিচার সচল থাকে তাহলে এখানেও ঝুঁকি রয়েছে।

গবেষকদের মতে, হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ফাইল অটোম্যাটিক ভাবেই ডাউনলোড হয়ে যায়। আর টেলিগ্রাম থেকে ফাইল সেভ করতে গেলে ফোনের ‘গ্যালারি’ অপশনটি উন্মুক্ত হয়ে যায়। কিন্তু এ দুই অ্যাপের কোনোটিতেই ইজারেদের তথ্য নিরাপত্তা স্বার্থে ‘প্রোটেকটেড’ কোনো ফাইল সেভিং অপশন নেই।

মিডিয়া ফাইল জ্যাকিং ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে এবং ফটো আদান-প্রদানে নজরদারি রাখে। এর ফলে হ্যাকাররা ইউজারদের অনুমতি ছাড়াই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য, তথ্য বিকৃত এবং ফেক নিউজ ছড়ানোর মতো অপরাধ করতে পারে। যা সামাজিক এবং ব্যক্তি জীবনে একটি বড় বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসতে পারে।

গত মে মাসে হোয়াটসঅ্যাপের সিস্টেমে বাগ বা ত্রুটি পাওয়া যায়। যা ইউজারদের কথোপকথনের সময় তাদের অজান্তেই সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। যা দিয়ে দূর থেকে বসেই অন্যের ফোনে আড়ি পাতা যায়।

তবে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামের মতো ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপগুলো এসব সিস্টেমেটিক ত্রুটি সংশোধনে কাজ করছে। এজন্য তারা প্রায়ই তাদের নতুন আপডেট ভার্সনগুলো ইউজারদের ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়।

গ্যাজেটস নাও অবলম্বনে

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাড়ানো হলো ‘মটো কুল অফার’র মেয়াদ। নির্দিষ্ট অনলাইন স্টোর থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট মূল্যে কিনতে পারবেন মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের মটোরোলার ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত জানান, ‘বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটগুলো দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গ্রাহকরাও অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। বিশেষ করে স্মার্টফোনের জন্য এসব প্ল্যাটফরম খুবই জনপ্রিয়। তাই গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে চলমান অফারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

মটোরোলার অনলাইন স্টোর পার্টনার- রবিশপ, গেজেট অ্যান্ড গিয়ার, দারাজ, পিকাবু, ইভ্যালি, এডিসন স্মার্ট প্লাগ ইন ও ডেলিগ্রাম। গ্রাহকরা এসব অনলাইন স্টোর থেকে মটোরোলার অরিজিনাল হ্যান্ডসেট ক্রয় করতে পারবেন।

‘মটো কুল অফার’র আওতায় গ্রাহকরা এখন থেকে মটো ই৪ প্লাস ৯,৯৯০ টাকায়, মটো ই৫ প্লাস ১৪,৯৯০ টাকায়, মটো জি৭ পাওয়ার ১৮,৯৯০ টাকায় এবং মটোরোলা ওয়ান ২০,৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার
ইকুরিয়ার লোগো

প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিকতাকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশের ই-কমার্সভিত্তিক অনলাইন কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুরিয়ার।

ইকুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য তিনশ কোটি টাকা বিবেচনা করে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে হংকংভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে বিনিয়োগের প্রাথমিক ধাপ শুরু করেছিল ইকুরিয়ার। নতুন এ বিনিয়োগে কতো টাকা পাচ্ছে ইকুরিয়ার তা জানায়নি কোন পক্ষই।

ইকুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব ঘোষ রাহুল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, রাজধানীর বাইরে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হচ্ছে। উন্নত ওয়্যারহাউস সুবিধা বাড়াতে কাজ চলছে। আর তা করা হবে অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে। এছাড়া আমাদের কার্যক্রমের ভৌগলিক পরিসীমা বাড়ানো, আস্থা অর্জন এবং কাজের দক্ষতায় উন্নয়নে এ বিনিয়োগ ব্যবহার করা হবে। আমাদের গ্রাহক এবং অংশীদাররা নতুন এ বিনিয়োগের সুফল ভোগ করবে। কাজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।

২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করা ইকুরিয়ার বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসায় বহুমুখী সেবা দিয়ে আসছে। অনলাইন মাধ্যমে পরিসেবাগুলোকে একত্রীকরণসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ঢেলে সাজানো হয়েছে। চালান ব্যবস্থাপনা, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণসহ আন্তঃশহর পণ্য ডেলিভারি সুবিধা, এক্সপ্রেস পণ্য পরিবহন সেবা এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পণ্য রিটার্ন সুবিধা আছে ইকুরিয়ারে।

বর্তমানে ইকুরিয়ার বাংলাদেশের ৬০টি জেলাসহ এক হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সেবা কার্যক্রম নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে যা বাংলাদেশে এখনও কোন কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান পোঁছাতে পারিনি। সাড়ে তিনশরও বেশি কর্মী নিয়ে ইকুরিয়ার বর্তমানে সারাদেশে সরাসরি ৫ হাজার স্থানীয় অংশীজনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত কয়েক বছরে ইকুরিয়ার পণ্য ডেলিভারির খাতে ধারাবাহিক উন্নতি ধরে রেখেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র