Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জব্দ হওয়া সম্পদ ফিরে পেতে হাইকোর্টে ইয়াবা ব্যবসায়ী

জব্দ হওয়া সম্পদ ফিরে পেতে হাইকোর্টে ইয়াবা ব্যবসায়ী
হাইকোর্ট
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হক ভুট্টো তার দুটি বিলাস বহুল বাড়ি এবং প্রায় ছয় কোটি টাকার সম্পদ ছাড়িয়ে নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নির্দেশে তার এ সম্পত্তি জব্দ করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সম্পদ জব্দের আদেশ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তিনি। রুল জারির আরজিও রয়েছে আবেদনে।

বুধবার (১৯ জুন) শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আগামী ২৫ জুন পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

এদিন মানি লন্ডারিং মামলায় সিআইডির তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিশেষজ্ঞের মত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এজন্য বিশেষজ্ঞদের আদালতে হাজির করতে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিককে বলেছেন আদালত।

আদালতে নুরুল হক ভুট্টোর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন প্রবীর রঞ্জন হালদার।

ইয়াবা পাচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হক ভুট্টো ও তার পরিবার। মানি লন্ডারিং আইনে (অর্থ পাচার) করা নারায়নগঞ্জের একটি মামলায় তদন্তকালে নুরুল হক ভুট্টোর অবৈধ সম্পদের তথ্য পায় আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। সিআইডি পুলিশের অর্গানাইজড ক্রাইম (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) এর সহকারি পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট টেকনাফ থানায় নুরুল হক ভুট্টো, তার পিতা, স্ত্রী, ভাইসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশের আবেদনে গত ৫ মার্চ কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত নুরুল হক ভুট্টোর পরিবারের সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দেন।

মামলা দায়েরের পর ওইদিন পুলিশ নুরুল হক ভুট্টোকে গ্রেফতার করে। গতবছর ২৮ মার্চ হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিনে কারামুক্ত হন। এ মামলার অপর আসামি নুর মোহাম্মদ (ভুট্টোর ভাই) গত ২২ মার্চ ক্রসফায়ারে নিহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস
পুরস্কৃত ৭ নারী ব্যবসায়ী উদ্যোক্তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত নারী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করেছে ঢাকা ও নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন কালারস। সাতটি ক্যাটাগরিতে নারী উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দিতে দেশে প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নেয় কালারস।

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক জাকজমজ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ‘সিটি ব্যাংক কালারস প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন আওয়ার্ড-২০১৯’ শিরোনামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাওয়া নারীরা হলেন-প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে রুমানা চৌধুরী, বিজনেস এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে সুজান খান মঈন, এসএমই এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে তানিয়া ওয়াহাব, ইনোভেটিভ প্রজেক্ট অব দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে আমিনা খাতুন, স্টার্টআপ অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে তৃণা ফাল্গুনী, ইনোভেটিভ সল্যুশন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে ফাহমিদা ইসলাম এবং রাইজিং স্টার ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে নাবিলা নওরীন ও নাহিদ শারমিন।

1
এক নারী উদ্যোক্তার হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

এর আগে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রিভা গাঙ্গুলী বিজয়ী নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের শুভ কামনা জানান। একই সঙ্গে দেশে আরও নেতৃত্ব উঠে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘পৃথিবীর ৫০০ ফরচুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৪টিতে নারী নেতৃত্ব আছে। আমাদের দেশেও এমন দারুণ নারী নেতৃবৃন্দ আছেন। তবে আমাদের আরও এমন নেতৃত্ব দরকার, বিশেষ করে আইসিটি খাতে।’

নারী নেতৃত্বের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘নারীরা এখন সব ক্ষেত্রে সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমার মাকে দেখেছি বাড়ির সব সিদ্ধান্ত নিতে। এখন আমার পরিবারের সব সিদ্ধান্ত আমার সহধর্মিণী নেন। তেমনিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একজন নারী। তিনি শুধু আমাদের দেশের না বরং বিশ্বের সেরা একজন নেতা। রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক সব ক্ষেত্রে নারীরা ভালো করছেন। এ ধরনের পুরস্কারের আয়োজন ভবিষ্যৎ নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালারস ম্যাগাজিনের প্রকাশক ও সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ ও সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ।

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদকদের জন্য সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেস বা বাজার হতে পারে অ্যামাজন। বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম তৈরি হতে যাচ্ছে এই মার্কেটপ্লেস।

স্বল্প বিনিয়োগে অ্যামাজনের মাধ্যমে তথা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিশ্ব বাজারে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারেন দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুলাই) অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা পাইওনিয়ারের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘দ্যা পাইওনিয়ার ফোরাম: সেলিং গ্লোবালি উইথ অ্যামাজন’ শীর্ষক সম্মেলনে এমনটাই জানান অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান, পাইওনিয়ারের ডিরেক্ট সেলস (ই- কমার্স) বিভাগের প্রধান অমিত আরোরা, অ্যামাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই, ই-কমার্স সাইট স্টেলকরের প্রতিষ্ঠাতা ভারত মণ্ডত, একস প্রো এবং টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, পাইওনিয়ার সব সময় স্থানীয় কমিউনিটি নিয়ে কাজ করে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার বাংলাদেশ এখনকার স্থানীয় কমিউনিটিদের নিয়ে বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে। অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারকদের দারুণ একটি সম্ভাবনা আছে, যা আমরা অনেকেই সেভাবে জানি না। সে বিষয়েই সবাইকে জানাতে এবং অ্যামাজনের প্রতিনিধিদের সাথে আমাদের স্থানীয়দের একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি করতে পাইওনিয়ারের এই আয়োজন।

‘যেমন এখানে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে দেশীয় উদ্যোক্তারা সরাসরি যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পেলেন আজ। উপরন্তু অ্যামাজনের সাথে দেশীয় যেসব ব্যবসায়ীরা কাজ করবেন তাদের টাকা আমাজন থেকে বৈধ উপায়ে দেশে নিয়ে আসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবেও কাজ করতে পারে পাইওনিয়ার। অ্যামাজন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিলেই এখানকার ব্যবসায়ী দেশে বসেই তার টাকা পেয়ে যাবে। কারণ অ্যামাজনের পার্টনার পাইওনিয়ার। ব্যবসায়ীদের টাকা পেতে আর বাড়তি কোন ঝামেলা নিতে হবে না।’

অ্যামাজনের সাথে ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরে আমাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই বলেন, বাংলাদেশে অনেক ধরনের পণ্য আছে যেগুলোর বিশ্ব বাজারে ভাল চাহিদা আছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের টুলসের মাধ্যমে এনালাইসিস করে জানতে পেরেছি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কাপড় চামড়াজাত পন্যে সহ হেলথ, কসমেটিক পণ্য, খাবারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পণ্যের ব্যবসায়ীরা অ্যামাজনের সাহায্য নিয়ে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন। আপনার একটি পণ্য রপ্তানি করতে হলে আপনার গোডাঊন থাকা লাগে, আর কেউ খুচরা বিক্রি করতে চাইলে তার খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এখন অ্যামাজ চলে আসায় এই সমস্যা গুলো থাকবেনা এবং গ্লোবাল সেলারদের সাথে একটা ভালো নেটওয়ার্ক তৈরিরও সুযোগ তৈরি হবে। আর বাল্ক হিসেবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির সুযোগ ও তৈরি হয় অ্যামাজনে। এখন শুধু অ্যামাজনে একটি আইডি, ব্যাংক একাউন্ট, ইমেইল এড্রেস থাকলেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হতে পারবেন একজন।

একস প্রো এবং টেক রাজশাহী এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান বলেন, অ্যামাজনের সাথে কাজ করা বিভিন্ন ধরনের সেলার দের সেবা দিয়ে আমরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪৪টি গ্রাহক আছে আমাদের যার মাত্র একটি বাংলাদেশের। তাই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বড় এবং সম্ভাবনাময়ী বাজার পড়ে আছে। যারা এই প্ল্যাটফর্মে আসবেন তাদের নানাবিধ সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাইওনিয়ার আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র