Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফাইভজির জন্য পুরস্কার জিতলো হুয়াওয়ে

ফাইভজির জন্য পুরস্কার জিতলো হুয়াওয়ে
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফাইভজিতে অবদান রাখায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

সম্প্রতি লন্ডনে অনুষ্ঠিত ফাইভজি ওয়ার্ল্ড সামিট-২০১৯-এ ‘বেস্ট ফাইভজি কোর নেটওয়ার্ক টেকনোলজি’ শীর্ষক এই পুরস্কার দেওয়া হয়। হুয়াওয়ের ফাইভজি ইনটেলিজেন্ট অ্যান্ড সিমপ্লিফাইড কোর নেটওয়ার্ক সল্যুশন বিভাগকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কে  হুয়াওয়ে ক্লাউড কোর নেটওয়ার্ক প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ডিরেক্টর মা লিয়াং বলেন, হুয়াওয়ে ফাইভজি কোর নেটওয়ার্ক গবেষণা ও উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করে আসছে এবং ফাইভজি প্রযুক্তিতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ক্যারিয়ার ও ইন্ডাস্ট্রির অংশীদারদের সহায়তায় শিল্প খাতের বিভিন্ন ফাইভজি অ্যাপ্লিকেশনের উন্নয়ন, ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং ফাইভজির বাণিজ্যিকীকরণে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হুয়াওয়ে।’

 

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত হুয়াওয়ে বিশ্বব্যাপী ৪৬টি ফাইভজি চুক্তি করেছে। গ্রাহকদের উন্নয়ন সল্যুশন সরবরাহ করতে ও প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করে যাবে হুয়াওয়ে।

আপনার মতামত লিখুন :

ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে

ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে
"ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের জন্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ" বিষয়ক সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক /ছবি: শাহরিয়ার তামিম

দুর্নীতি দমনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা রাখছে। শুধু ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বুধবার (২৪ জুলাই) হোটেল ওয়েস্টিনে ভিয়েতনাম দূতাবাস ও বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত  "ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের জন্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ" বিষয়ক সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ভিলেজ নির্মাণে সকলের ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে দেশের সকল জেলায় হাই-টেক পার্ক অথবা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পলক বলেন, ভিয়েতনাম আইসিটি সেক্টরে বাংলাদেশ সরকার যে কোনো প্রকার সহযোগিতা দিতে সব সময় প্রস্তুত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563954437291.jpg

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী  বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টর সম্পর্কে বিভিন্ন পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, ‘বিশ্বে ৪০টি দেশে এই মুহূর্তে আমরা আইসিটি খাত থেকে রফতানি করি। এখন দেশে আইসিটি প্রোডাক্টের ১০০ কোটি ডলারের বেশি লোকাল বাজার রয়েছে। আমরা আইসিটি খাতে টার্গেট নির্ধারণ করেছি। ২০২১ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি ডলার রফতানি করব। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাক্রমে ২০২১ সাল নাগাদ আমাদের জিডিপিতে ৫ শতাংশ অবদান থাকবে আইসিটি শিল্প। পাশাপাশি ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আগামী পাঁচ বছরে করতে সক্ষম হব।

বাংলাদেশে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্র্যান ভ্যান খোয়া বলেন, আমরা শুধু বাণিজ্য সহযোগী নই, এমনই বন্ধু যে সব ক্ষেত্রই বাংলাদেশকে জয়ী দেখতে চাই। ভিয়েতনাম ব্যবসায়ীদের জন্য আইসিটি সেক্টরে বাংলাদেশ একটি ভাল বিনিয়োগের স্থান।

ভিয়েতনামের সফটওয়্যার কোম্পানি এফপিটি এর চেয়ারম্যান হং নাম থিন বলেন, সাইবার নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বড় কোনো দেশ থেকে নয় আমাদের নিজেদেরই সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রযুক্তি বের করতে হবে।

বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাসুদ এ খান বলেন, বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের দেশ। এ বিপুল মানুষকে জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম দুই দেশ মিলে কাজের বিভিন্ন ক্ষেত্র বের করে একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে।

সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা খাতের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি হয়েছেন সৈয়দ আলমাস কবীর

সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম যদি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একে অন্যকে যুক্ত করে তাহলে নিজেদের ত্রুটিগুলো সংশোধন করে বিশ্বে শীর্ষ স্থান অর্জন করতে পারে। ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ দুই দেশই পোশাক শিল্পে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। দুই দেশ এক হলে এই খাতে আরো উন্নয়ন সম্ভব।

 

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে
ব্র্যাকাথন পুরস্কার বিতরণী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার আরও ২৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এক হোটেলে তরুণ ব্র্যাক আয়োজিত 'ব্র্যাকাথন পুরস্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আগে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিজিটাল ল্যাব ছিল না, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর আমরা সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।'

ইন্টারনেট সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার মতো, আগে মানুষের মৌলিক চাহিদা ছিল পাঁচটি। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্তর্গত হয়েছে। সরকার ইন্টারনেট সেবাকে মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি গ্রামে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।'

পাঠাও, উবারের, সহজের মতো সেবা সংস্থাগুলো বিকশিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'দেশ ডিজিটাল হওয়ার করণেই এই সংস্থাগুলো আমাদের দেশে ভালোভাবে কাজ করছে, যার ফলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি ই-কমার্স কার্যক্রম দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে।' আগামী দশ বছরে আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেও জানান তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, 'আমরা রিস্ক নেওয়ার জাতি, আমরা অনেক রিস্ক নিয়েছি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানও করেছি। এখন আমাদের উচিৎ তরুণদের অনুপ্রাণিত করা, তাদের শুধু বিশ্ব বিদ্যালয়ে পাঠানো নয়, তাদেরকে ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা, যাতে তারা দক্ষতা দিয়ে কাজ করতে পারে।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ এর পরিচালক কে এম মোর্শেদ, জিপি এর সিইওমাইল পয়াট্রিক ফোলি, ডেল-এর এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোথাই ওথায়াকর্ন প্রমুখ।

পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র