Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এখনই বাজারে আসছে না হুয়াওয়ে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন

এখনই বাজারে আসছে না হুয়াওয়ে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন
হুয়াওয়ে ফোল্ডেবল ৫জি মেট এক্স স্মার্টফোন/ছবি: সংগৃহীত
আইসিটি ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির বহুল আলোচিত ফোল্ডেবল ৫জি মেট এক্স স্মার্টফোন বাজারে অবমুক্ত করার সময় পেছাল হুয়াওয়ে।

সম্প্রতি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (২০১৯)-এ সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল ফাইভ জি মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ফোল্ডেবল স্মার্টফোন। এই প্রতিযোগিতায় স্যামসাং ফোল্ড স্মার্টফোনের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে হুয়াওয়ে মেট এক্স।

তবে স্যামসাং ফোল্ডের ডিসপ্লে ত্রুটির কারণে ফোনটির অবমুক্ত করার সময় পেছায়। আর এবার মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় অনেকটা বেসামাল হুয়াওয়ে তাদের ফোনটি বাজারে ছাড়ার সময় পেছালো।

হুয়াওয়ের বাণিজ্য বিভাগের প্রধান ভিনসেন্ট প্যাং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, এবছরের সেপ্টেম্বরেই বাণিজ্যিকভাবে বাজারে মেট এক্স আসবে।

তবে এ বছরের জুনে হুয়াওয়ে মেট এক্স বাজারে আসার কথা ছিল।

মূলত এই বিলম্বের কারণ হিসেবে রয়টার্সের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের ফোনে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আপডেট নিষিদ্ধ করে দেয়া, যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্মাতাগুলো মার্কিন বাণিজ্য সংস্থার নির্দেশে হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করলে সবদিক থেকে চাপের মুখে পড়ে চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে প্যাং নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হুয়াওয়ে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সিস্টেম আপডেট নিয়ে কাজ করছে যা আগস্ট মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। বিশ্বের দ্বিতীয় স্মার্টফোন বিক্রিকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম (হংমেং) নিয়ে কাজ করছে। যা খুব শীঘ্রই বাজারে আসবে হুয়াওয়ের ফোনে এবং অন্যান্য ডিভাইসেও হুয়াওয়ে তাদের অপারেটিং সিস্টেম সেবা দিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে

ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে
"ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের জন্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ" বিষয়ক সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক /ছবি: শাহরিয়ার তামিম

দুর্নীতি দমনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা রাখছে। শুধু ডিজিটাল প্রযুক্তিই পারে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বুধবার (২৪ জুলাই) হোটেল ওয়েস্টিনে ভিয়েতনাম দূতাবাস ও বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত  "ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের জন্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ" বিষয়ক সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ভিলেজ নির্মাণে সকলের ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে দেশের সকল জেলায় হাই-টেক পার্ক অথবা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পলক বলেন, ভিয়েতনাম আইসিটি সেক্টরে বাংলাদেশ সরকার যে কোনো প্রকার সহযোগিতা দিতে সব সময় প্রস্তুত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563954437291.jpg

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী  বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টর সম্পর্কে বিভিন্ন পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, ‘বিশ্বে ৪০টি দেশে এই মুহূর্তে আমরা আইসিটি খাত থেকে রফতানি করি। এখন দেশে আইসিটি প্রোডাক্টের ১০০ কোটি ডলারের বেশি লোকাল বাজার রয়েছে। আমরা আইসিটি খাতে টার্গেট নির্ধারণ করেছি। ২০২১ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি ডলার রফতানি করব। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাক্রমে ২০২১ সাল নাগাদ আমাদের জিডিপিতে ৫ শতাংশ অবদান থাকবে আইসিটি শিল্প। পাশাপাশি ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আগামী পাঁচ বছরে করতে সক্ষম হব।

বাংলাদেশে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্র্যান ভ্যান খোয়া বলেন, আমরা শুধু বাণিজ্য সহযোগী নই, এমনই বন্ধু যে সব ক্ষেত্রই বাংলাদেশকে জয়ী দেখতে চাই। ভিয়েতনাম ব্যবসায়ীদের জন্য আইসিটি সেক্টরে বাংলাদেশ একটি ভাল বিনিয়োগের স্থান।

ভিয়েতনামের সফটওয়্যার কোম্পানি এফপিটি এর চেয়ারম্যান হং নাম থিন বলেন, সাইবার নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বড় কোনো দেশ থেকে নয় আমাদের নিজেদেরই সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রযুক্তি বের করতে হবে।

বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাসুদ এ খান বলেন, বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের দেশ। এ বিপুল মানুষকে জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম দুই দেশ মিলে কাজের বিভিন্ন ক্ষেত্র বের করে একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে।

সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা খাতের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি হয়েছেন সৈয়দ আলমাস কবীর

সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম যদি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একে অন্যকে যুক্ত করে তাহলে নিজেদের ত্রুটিগুলো সংশোধন করে বিশ্বে শীর্ষ স্থান অর্জন করতে পারে। ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ দুই দেশই পোশাক শিল্পে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। দুই দেশ এক হলে এই খাতে আরো উন্নয়ন সম্ভব।

 

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে
ব্র্যাকাথন পুরস্কার বিতরণী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার আরও ২৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এক হোটেলে তরুণ ব্র্যাক আয়োজিত 'ব্র্যাকাথন পুরস্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আগে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিজিটাল ল্যাব ছিল না, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর আমরা সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।'

ইন্টারনেট সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার মতো, আগে মানুষের মৌলিক চাহিদা ছিল পাঁচটি। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্তর্গত হয়েছে। সরকার ইন্টারনেট সেবাকে মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি গ্রামে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।'

পাঠাও, উবারের, সহজের মতো সেবা সংস্থাগুলো বিকশিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'দেশ ডিজিটাল হওয়ার করণেই এই সংস্থাগুলো আমাদের দেশে ভালোভাবে কাজ করছে, যার ফলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি ই-কমার্স কার্যক্রম দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে।' আগামী দশ বছরে আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেও জানান তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, 'আমরা রিস্ক নেওয়ার জাতি, আমরা অনেক রিস্ক নিয়েছি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানও করেছি। এখন আমাদের উচিৎ তরুণদের অনুপ্রাণিত করা, তাদের শুধু বিশ্ব বিদ্যালয়ে পাঠানো নয়, তাদেরকে ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা, যাতে তারা দক্ষতা দিয়ে কাজ করতে পারে।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ এর পরিচালক কে এম মোর্শেদ, জিপি এর সিইওমাইল পয়াট্রিক ফোলি, ডেল-এর এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোথাই ওথায়াকর্ন প্রমুখ।

পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র