Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অ্যান্ড্রয়েড থেকে ৬০ ভাগ দ্রুত কাজ করবে হংমেং!

অ্যান্ড্রয়েড থেকে ৬০ ভাগ দ্রুত কাজ করবে হংমেং!
ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর পর একে একে প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো হুয়াওয়েকে বর্জন করতে থাকে। তবে স্মার্টফোনের বাজারে টিকে থাকতে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরির ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

তাই ধারণা করা হচ্ছে হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হুয়াওয়ে পি-৪০ অথবা মেট-৩০ সিরিজের ফোনে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম হংমেং যুক্ত হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি এই অপারেটিং সিস্টেমটি বাণিজ্যিকভাবে আর্কওস নামে বাজারজাত শুরু করবে। তাদের নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম চীনের টেনসেন্ট নামের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিটি এর উন্নয়ন সাধনে কাজ করছে।

গ্লোবাল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুয়াওয়ে দাবি করছে তাদের অপারেটিং সিস্টেম গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম থেকে ৬০ ভাগ বেশি দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারবে। ইতোমধ্যে অপো এবং ভিভো স্মার্টফোন কোম্পানি নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমটি পরীক্ষা করে দেখেছে।

জিএসএম এরিনার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হংমেং অপারেটিং সিস্টেম নির্ভর বিভিন্ন ডিভাইসে তারা পরীক্ষামূলকভাবে নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমটি নিয়ে কাজ করছে।

হুয়াওয়ে স্মার্টফোনে রাশিয়ার আরোরা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতে পারে। আরোরা অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়ন সাধনে কাজ করে ফিনল্যান্ডের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জোলা।

ফোর্বসের এক প্রতিবেদন বলছে, হুয়াওয়ের ফোনে আরোরা অপারেটিং সিস্টেম প্রি-ইনস্টল করে পরীক্ষামূলক যাচাই করে দেখছে হুয়াওয়ে।

হুয়াওয়ে বলছে, স্মার্টফোন বিক্রির দিক দিয়ে বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করতে হলে তাদের আরও সময়ের প্রয়োজন।

হুয়াওয়ের কৌশলগত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাও ইয়াং বলেন, ‘এবছরের শেষার্ধে স্মার্টফোন বিক্রির দিক দিয়ে হয়ত আমরা বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করতে পারতাম কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমাদেরকে আরো অপেক্ষা করতে হবে।’

টেক জায়ান্ট গুগল যখন হুয়াওয়ের ফোনে অ্যান্ড্রয়েড সুবিধা দেওয়া বন্ধের ঘোষণা দিলে হুয়াওয়ে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম চালুর ঘোষণা আসে। যা এবছরের অক্টোবরেই বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আপনার মতামত লিখুন :

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদকদের জন্য সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেস বা বাজার হতে পারে অ্যামাজন। বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম তৈরি হতে যাচ্ছে এই মার্কেটপ্লেস।

স্বল্প বিনিয়োগে অ্যামাজনের মাধ্যমে তথা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিশ্ব বাজারে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারেন দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুলাই) অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা পাইওনিয়ারের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘দ্যা পাইওনিয়ার ফোরাম: সেলিং গ্লোবালি উইথ অ্যামাজন’ শীর্ষক সম্মেলনে এমনটাই জানান অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান, পাইওনিয়ারের ডিরেক্ট সেলস (ই- কমার্স) বিভাগের প্রধান অমিত আরোরা, অ্যামাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই, ই-কমার্স সাইট স্টেলকরের প্রতিষ্ঠাতা ভারত মণ্ডত, একস প্রো এবং টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, পাইওনিয়ার সব সময় স্থানীয় কমিউনিটি নিয়ে কাজ করে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার বাংলাদেশ এখনকার স্থানীয় কমিউনিটিদের নিয়ে বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে। অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারকদের দারুণ একটি সম্ভাবনা আছে, যা আমরা অনেকেই সেভাবে জানি না। সে বিষয়েই সবাইকে জানাতে এবং অ্যামাজনের প্রতিনিধিদের সাথে আমাদের স্থানীয়দের একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি করতে পাইওনিয়ারের এই আয়োজন।

‘যেমন এখানে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে দেশীয় উদ্যোক্তারা সরাসরি যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পেলেন আজ। উপরন্তু অ্যামাজনের সাথে দেশীয় যেসব ব্যবসায়ীরা কাজ করবেন তাদের টাকা আমাজন থেকে বৈধ উপায়ে দেশে নিয়ে আসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবেও কাজ করতে পারে পাইওনিয়ার। অ্যামাজন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিলেই এখানকার ব্যবসায়ী দেশে বসেই তার টাকা পেয়ে যাবে। কারণ অ্যামাজনের পার্টনার পাইওনিয়ার। ব্যবসায়ীদের টাকা পেতে আর বাড়তি কোন ঝামেলা নিতে হবে না।’

অ্যামাজনের সাথে ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরে আমাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই বলেন, বাংলাদেশে অনেক ধরনের পণ্য আছে যেগুলোর বিশ্ব বাজারে ভাল চাহিদা আছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের টুলসের মাধ্যমে এনালাইসিস করে জানতে পেরেছি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কাপড় চামড়াজাত পন্যে সহ হেলথ, কসমেটিক পণ্য, খাবারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পণ্যের ব্যবসায়ীরা অ্যামাজনের সাহায্য নিয়ে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন। আপনার একটি পণ্য রপ্তানি করতে হলে আপনার গোডাঊন থাকা লাগে, আর কেউ খুচরা বিক্রি করতে চাইলে তার খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এখন অ্যামাজ চলে আসায় এই সমস্যা গুলো থাকবেনা এবং গ্লোবাল সেলারদের সাথে একটা ভালো নেটওয়ার্ক তৈরিরও সুযোগ তৈরি হবে। আর বাল্ক হিসেবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির সুযোগ ও তৈরি হয় অ্যামাজনে। এখন শুধু অ্যামাজনে একটি আইডি, ব্যাংক একাউন্ট, ইমেইল এড্রেস থাকলেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হতে পারবেন একজন।

একস প্রো এবং টেক রাজশাহী এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান বলেন, অ্যামাজনের সাথে কাজ করা বিভিন্ন ধরনের সেলার দের সেবা দিয়ে আমরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪৪টি গ্রাহক আছে আমাদের যার মাত্র একটি বাংলাদেশের। তাই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বড় এবং সম্ভাবনাময়ী বাজার পড়ে আছে। যারা এই প্ল্যাটফর্মে আসবেন তাদের নানাবিধ সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাইওনিয়ার আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

অংশগ্রহণ কম হলেও প্রোগ্রামিংয়ে মেয়েদের আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার (২০ জুলাই) এসিএম-ইন্টারন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০১৯ -এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি সৃজনশীল কাজ। প্রোগ্রামিং কঠিন কোনো কাজ নয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি যাই আসুক না কেন, প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য প্রোগ্রামিং প্রয়োজন। দেশে প্রোগ্রামিং উৎসাহিত করতে এক বছর আগে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু করেছি।

Mostofa Jabbar

দেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ৫৩ ভাগ নারী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য জিইউ আহসান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাত হোসেন।

প্রতিযোগিতায় ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোস্তাফা জব্বার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র